ঢাকা, সোমবার 24 April 2017, ১১ বৈশাখ ১৪২৩, ২৬ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

বিসিবির স্পন্সরশিপের নিলাম ২৯ এপ্রিল

স্পোর্টস রিপোর্টার : নুতন স্পন্সরের খোঁজে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি। এর কারণে বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর রবির সঙ্গে এ মাসেই শেষ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চুক্তি। এ উপলক্ষে ২৯ এপ্রিল স্পন্সরশিপের নতুন নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। আর নিলাম অনুষ্ঠিত হবার আগে দরপত্র জমা দিবে দেয়ার আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো। এবার টাইগারদের পৃষ্ঠপোষক স্বত্বের ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছে ৬০ কোটি টাকা। যা আগের তুলনায় দ্বিগুণ। বোর্ড সভা শেষে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এমনটাই জানান। তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলের স্পন্সরশিপের নিলাম আগামী ২৯ এপ্রিল হবে। দুই বছরের জন্য আমরা নতুন চুক্তি করব, যার ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ কোটি টাকা।’ ২০১৫ সালে বর্তমান পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান টপ অব মাইন্ডের ভিত্তিমূল্য ছিল ৩০ কোটি টাকা। যা এবার ৬০ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে বিসিবি। ২০১৫ সালে টপ অব মাইন্ডের কাছ থেকে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি রবি আজিয়েটা স্বত্ব কিনেছিল ৪১ কোটি ৪১ লাখ টাকার বিনিময়ে। এর আগে ২০১২ সালের জুনে ১ কোটি ৪০ লাখ ডলারের বিনিময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে চার বছরের জন্য যুক্ত হয় সাহারা। মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ মাস বাকি থাকতেই তাদের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে বিসিবি। পরে শুধু পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজে বাংলাদেশ দলের পৃষ্ঠপোষক স্বত্ব বিক্রি করা হলে তা পায় টপ অব মাইন্ড। তবে এই চুক্তির ক্ষেত্রে টাকার অঙ্ক গোপন রাখে বিসিবি। বর্তমান পৃষ্ঠপোষকের সাথে করা বিসিবির চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে এ বছরের জুন মাসে। নতুন পৃষ্ঠপোষকের সাথে চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘আমাদের জাতীয় দলের স্পন্সরশিপের অকশন এ মাসের ২৯ তারিখ। আগামী দুই বছরের জন্য আমরা নতুন চুক্তি করব। দুই বছরের জন্য ফ্লোর প্রাইজ ৬০ কোটি টাকা। সভায় উঠে আসে ঘরোয়া ক্রিকেটে বাজে আম্পায়ারিংয়ের মতো বিষয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিভিন্ন সময় বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও অবশেষে তাদের টনক নড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লিগের ম্যাে বিস্ময়কর একটি বিষয় নাড়া দিয়েছে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও। ফলে বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান কল্পে তিন সদস্যসের কমিটি গঠন করেছে বিসিবি। ওই কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। কমিটিতে আছেন বিসিবির পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান, মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস ও শৃঙ্খলা কমিটির চেয়ারম্যান শেখ সোহেল। আম্পায়ারিং নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের গত আসরের কয়েকটি ম্যাচেও। সমস্যা সমাধান কল্পে প্রিমিয়ার লিগের পাশাপাশি প্রথম বিভাগ ও দ্বিতীয় বিভাগের লিগেও এ বছর মাঠে ক্যামেরা বসানো হয়েছে বলে জানান বিসিবি সভাপতি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ