ঢাকা, মঙ্গলবার 25 April 2017, ১২ বৈশাখ ১৪২৩, ২৭ রজব ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

তাড়াশে কালবোশেখী ঝড়ে ঘরবাড়ী ফসলের ক্ষতি

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে শত শত ঘরবাড়ি ও গাছ পালা লন্ড ভন্ড হয়ে গেছে। চৈত্র মাসের পর থেকেই  প্রায়ই   দিনই একটানা  ঝড়  বৃষ্টিতে জনজীবন দুর্বিসহ  হয়ে পড়েছে।বৈশাখ মাসের শুরুতেই  ঝড় তুফান  আর টানা বৃষ্টিপাতে  তাড়াশ উপজেলার শত শত ঘরবাড়ি গাছপালা ও ক্ষেতের ফসলের নষ্ট হয়েছে ।  তাড়াশ উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়ন, নওগা ইউনিয়নসহ অনেক গ্রামে মানুষ কষ্টের মধ্যে  দিন  কাটাচ্ছে।
মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া গ্রামের আবু সাইদ মাষ্টার জানান ঝড়ের পর থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল,ফ্রিজ এর চার্জ না থাকায় বহুবিধ কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে।  জানা যায় সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় ৮ ইউনিয়নের হামকুড়িয়া .আমবাড়িয়া. দোবিলা, ঘড়গ্রাম, কোনা বাড়ি, নওগা, মহিষলুটি, মাগুড়া, দিঘী সগুনা, তাড়াশ সদর, তালম,দেশীগ্রাম মাদাইনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় মধ্যরাতের কালবৈশাখী ঝড়ে শতশত ঘরবাড়ি ,গাছ পালা, ফসলি জমির ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার  খবর পাওয়া গেছে। তাড়াশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খোঁজ খবর নিতে গেলে এলাকাবাসীরা জানান  ঝড়ে শতশত বড়বাড়ি ফসলের জমি নষ্ট হয়ে গেছে। চলনবিলের কিছু  এলাকা   বিদ্যুতের পোল পড়ে গিয়ে  বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
এদিকে  চলনবিলে বোরো   ধানে ব্লাস্টেও মহামারিতে কৃষকদের  মধ্যে হতাশার  সৃষ্টি  হয়েছে। এই ছত্রাক  রোগে চলনবিলের  বিভিন্ন   এলাকায় প্রাদুর্ভাব  ঘটেছে। শিলাবৃষ্টিতে অনেক  জমির পাকা ধান  নষ্ট  হয়েছে। তাড়াশের  ৮  ইউনিয়নের কম বেশী  ফসলের  ক্ষতি   কাটিয়ে  না  উঠতেই  ঝড়তুফান ব্লাস্ট  ছত্রানাশক রোগ  শুরু   হয়েছে।  কিছু  কিছু   জমিতে  ছোট  ছোট  কারেন্ট  পোকার  প্রাদুর্ভাব   লক্ষ্য করা  যাচ্ছে।  কৃষকরা জানান  অন্যান্য  বছরের মত কারেন্ট  পোকার আক্রমণ না হলেও কিছু   কিছু জমিতে  অল্প  দেখা গেছে। এসব  রোগ  বালাই  প্রতিরোধে  মাঠে  করণীয়  ভুমিকা  পালন  করছেন  কৃষিবিদরা।  তাড়াশ উপজেলার কৃষি  অফিসার  সাইফুল  ইসলাম জানান  চলনবিলে কৃষি   জমিতে সার্বক্ষণিক কৃষকদের  পরামর্শ  ও  সহায়তার  জন্য কৃষিবিদরা  উপস্থিত  আছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ