ঢাকা, শনিবার 29 April 2017, ১৬ বৈশাখ ১৪২৩, ০২ শাবান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

প্রায় ৭ মাস বৃষ্টির অভাবে  কলারোয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির  স্তর ৪২ ফুট নীচে

কলারোয়া (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা : প্রায় ৭ মাস বৃষ্টির অভাবে কলারোয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর স্থান বিশেষে ৪২ ফুট নীচে নেমে যাওয়ায় প্রায় ৯০ ভাগ হস্তচালিত নলকূপ সম্পূর্ণ এবং ১০ নলকূপ আংশিকভাবে অকেজো হয়ে পড়েছে। বিশুদ্ধ খাবার পানি সংকটে হাহাকার পড়েছে গ্রামগজ্ঞে মানুষ নানা দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। জানা গেছে, গত আশ্বিন মাসের পরে চৈত্র মাস পর্যন্ত আর বৃষ্টির দেখা মেলেনি। বৈশাখের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষে কালবৈশাখী ঝড়ের সংগে কলারোয়ায় সামান্য বৃষ্টি হলেও রাস্তার ধুলাবালিও ভালভাবে ভেজেনি। আর দীর্ঘ ৭ মাস বৃষ্টি না হওয়ায় এবং চাষাবাদের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন অব্যাহত থাকায় স্থান বিশেষে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ৪২ ফুট পর্যন্ত নীচে নেমে গেছে। ফলে কলারোয়ার ৯০ ভাগ হস্তচালিত নলকূপে পানি উঠা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

বাকী ১০ ভাগ হস্তচালিত নলকূপে পানি তুলে কলস ভরা দূরহ হয়ে পড়েছে। সামান্য কয়েকটি গভীর নলকূপ এবং ব্যক্তি উদ্যোগে চালু করা সাবমেরিন মটরের পানি দিয়ে চালু রয়েছে জীবনযাত্রা।

এদিকে ৭ মাস বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কলারোয়ার ৭০ ভাগ পুকুর ডোবা নদী নালা শুকিয়ে গেছে। বাকী ২০ ভাগ পুকুর ডোবার পানি পচে মজে গেছে। ক্ষীণধারায় বহমান কপোতাক্ষ, বেত্রাবতী  এবং সীমান্তের ইছামতি নদীর পানি পচে মজে খাবার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। আর সীমান্তে সোনাই নদীর পানি স্থান বিশেষে শুকিয়ে গেছে। ফলে গোসল ও রান্না বান্নার পানি সংগ্রহে গ্রামবাসিকে দূরবর্তী স্থানে যেতে হচ্ছে।

বিশেষ করে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে চালু সেচ প্রকল্পভুক্ত এলাকার পুকুর ডোবায় পানি রয়েছে। কিন্তু ধান চাষে ব্যবহৃত কীটনাশক ও সারে সেচ প্রকল্পভুক্ত এলাকার পুকুর ডোবার পানি বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। সেচ প্রকল্পভুক্ত এলাকার পুকুর ডোবার এই পানি দিয়ে গ্রামবাসির গোসল ও রান্নার কাজ চলছে। এতে মানুষ এলার্জি সহ নানা প্রকার চর্মরোগ পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। ক্রমান্বয়ে নানা প্রকার দুরারোগ্য ব্যাধিতেও আক্রান্ত হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ