ঢাকা, শুক্রবার 05 May 2017, ২২ বৈশাখ ১৪২৩, ০৮ শাবান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কি ঘটবে ট্রাম্পের স্বাস্থ্যনীতির ভাগ্যে?

৪ মে, রয়টার্স : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাস্থ্যনীতির ভাগ্য গতকাল বৃহস্পতিবার নির্ধারিত হওয়ার কথা। ওবামাকেয়ার বাতিল করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেওয়া ওই স্বাস্থ্যনীতিকে আইনে পরিণত করার আগের দুটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। ট্রাম্প আশা করছেন এবার তা আইনে পরিণত হবে। তবে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি অনেক রিপাবলিকানও স্বাস্থবিলের বিরোধিতা করায় বিলটির পাস হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে। মার্কিন স্বাস্থ্যনীতি নিয়ে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে বৃহস্পতিবার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এই ভোটে বিলটি পাস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। হাউস মেজরিটি লিডার কেভিন ম্যাকার্থি বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন বিলটি পাস হয়ে যাবে। কারণ সংশোধিত এই বিলটিতে অনেকেই সমর্থন দিচ্ছেন যারা আগে এর বিরোধিতা করেছিলেন।

বুধবার পর্যন্ত ভোটের বিষয়টি ট্রাম্পের অনুকূলে ছিল। হাউসে খুব অল্প ব্যবধানে বিলটি পাস হওয়ার পর সিনেটে বিলটি আকারে প্রস্তাব উঠবে।

জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো বড় ধরনের আইনি ও সাংবিধানিক জয় পেতে যাচ্ছেন ট্রাম্প। অনেকে মনে করছেন, বিলটি পাস হওয়া না হওয়ার উপর নির্ভর করছে ট্রাম্পের রাজনৈতিক জয়-পরাজয়ও। হাউস ও সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও এই বিলটি নিয়ে নিশ্চিতভাবে এখনও কিছু বলা যাচ্ছে না।

এর আগে দুইবার ট্রাম্পের স্বাস্থ্য বিল প্রত্যাখান করা হয়েছে। রিপাবলিকান পার্টির সদস্যরাই এই প্রস্তাব নিয়ে বিভক্ত ছিলেন। চলতি সপ্তাহের শুরুতেও কয়েকজন প্রভাবশালী রিপাবলকান জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তারা এই প্রস্তাবে সমর্থন জানাবেন না। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেবা নেওয়া রোগীদের কথা মাথায় রেখেই তাদের এই অবস্থান বলে দাবি করেছিলেন তারা। টক শো উপস্থাপক জিমি ক্যামেল তার অনুষ্ঠানে আবেগঘন অনুরোধ জানান যে তার নবজাতক সন্তানের জন্য তিনি চান ওবামাকেয়ার বহাল থাকুক।

নির্বাচনি প্রচারণায় চলমান স্বাস্থ্যনীতি ওবামাকেয়ার পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে বর্তমানে ওবামাকেয়ারের সেবা নেওয়া অনেক রোগী এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।  ফলে প্রথম দফায় বিলটি নিয়ে ভোট আয়োজনে ট্রাম্পের প্রস্তাব আটকে যায়।  ওই সময় ট্রাম্প কয়েক দফা রিপাবলিকানদের সঙ্গে আলোচনা করেও ভোট আয়োজনে ব্যর্থ হয়েছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ