ঢাকা, শনিবার 06 May 2017, ২৩ বৈশাখ ১৪২৩, ০৯ শাবান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

এপ্রিল মাসে রাজনৈতিক সন্ত্রাস

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : [ দুই ]
২২ এপ্রিল শরীয়তপুরের জাজিরায় গঙ্গানগর বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র তরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত পঁচিশজন। জয়নগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম কাজী পিন্টু এবং ছাত্রলীগ ঢাকা তেজগাঁও কলেজের মিথুন ঢালীর মধ্যে দ্বন্দ্বে এই সংঘর্ষে এগার জন গুলিবিদ্ধসহ দিপু কাজী, শাহনাজ কাজী, সোহাগ মুন্সী, আব্দুল খালেক সিকদার, সজীব মিয়া, সৈকত মুন্সী, সোহরাব কাজী, মন্নান মুন্সী, বাবুল মুন্সী, সায়েদ কাজী ও শহীদুল ইসলাম মাদবরসহ আহত পঁচিশজন। খুলনার মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ও ১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম মুন্নার প্রাণনাশের হুমকিতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন একই দলের কাজী শফিকুল ইসলাম মিঠু। জনাব মিঠু ২২ এপ্রিল জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করে প্রাধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। ২৩ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মৎস ও পশুসম্পদ মন্ত্রী ছায়েদুল হকের সফরকে কেন্দ্র করে হরতালে পুলিশের সাথে আওয়ামী লীগের সংঘর্ষে বিজয়নগর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহত হয়। ২৩ এপ্রিল রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ না দেয়ায় ২২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ নেওয়াজ সরকার সেডু কর্মকর্তাদের হুমকি দেয়। ২৫ এপ্রিল চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে কাথরিয়া, আলিপুর, চাম্বল, বাঘমারা, সরল ও পুকুরিয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী সহিংসতায় বিশজন আহত হয়। কাথরিয়া ইউপির বাগমারা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইবনে আমিন ও বিদ্রোহী প্রার্থী জয়নুল আবেদীনের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে এরশাদ, খোরশেদ, ওয়াসিম, শামিমা ও চুন্নু আহত হয়। আলিপুর ইউপিতে আব্দুল কাদের, শফিকুর রহমান ও সাহাব উদ্দিন আহত হয়। শরীয়তপুর জেলার ভেদেরগঞ্জের সখিপুরে যুবলীগের মিছিলে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের হামলা করলে আহত হয় পাঁচজন। যুবলীগ নেতা-কর্মীরা চরকুমারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ অফিসে আলোচনা সভা করে। সভা শেষে মিছিল বের করলে থানা আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল মোল্লা, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি শাহজালাল মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক আরিফ বেপারীসহ অর্ধশত নেতা-কর্মী এ হামলা চালায়। হামলায় সখিপুর থানা যুবলীগ আহবায়ক মতিউর রহমান মাঝি, যুগ্ম-আহবায়ক মাঈনুদ্দিন লস্কর ও আওয়ামী লীগ কর্মী রতন খাঁসহ আহত হয় পাঁচজন। এ সময় তারা ১০-১২টি মটর সাইকেল ভাংচুর করে।
২৬ এপ্রিল ঢাকার আশুলিয়া পুলিশ আওয়ামী লীগ কর্মী আব্দুর রহীম হত্যা মামলায় পাথালিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা পারভেজ দেওয়ানকে সাভার বাসষ্ট্যান্ড থেকে আটক করে। গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আতিকুর রহমান মিয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আহজ্জাত মহসীন খিপুর সমর্থকদের এবং সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী রিনা বেগম ও তাহমিনার সমর্থকদের মধ্যে দু’টি সংঘর্ষে বিশজন আহত হয়। পুলিশ আহজ্জাত মহসীন খিপু ও তার ছেলে মোজাহিদকে আটক করে। ২৭ এপ্রিল ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পাগলা বাজারে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত আটজন। দত্তেরবাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেত্রী ও চেয়ারম্যান রোকসানা বেগম এবং অপর আওয়ামী লীগ নেতা হাদিউল ইসলামের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে মামুন, শাকিল, স্বপন, মাসুম ও হাদিউল ইসলামসহ আহত হয় আটজন। ২৯ এপ্রিল চাঁদপুর সদরে বালিয়া আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ে মিলাদ মাহফিল ও অভিভাবক সমাবেশে শিক্ষকদের উপর জুতা ছুঁড়ে মারলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক। ৩০ এপ্রিল পাবনার পারমাণিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ঠিকাদারের কাছে চাঁদাবাজির অভিযোগে পাকশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হক বিশ্বাস, তার ছেলে যুবলীগ নেতা রকি বিশ্বাস, পৌর যুবলীগ সভাপতির তিন ভাই মিজানুর রহমান স্বপন, ফারুক হোসেন জীবন এবং আনোয়ার হোসেন লিটনকে আটক করে যৌথ বাহিনী। আটকের সময় রকি বিশ্বাসের নিকট থেকে ৩০ রাউন্ড পিস্তলের গুলি ও ৫ রাউন্ড বন্দুকের গুলি উদ্ধার করে। ফরিদপুরের শালথায় গোয়ালপাড়া গ্রামে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে জিয়া শেখ নামে একজন নিহত এবং অপর পঁচিশজন আহত হয়। আটঘর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক শহিদুল হাসান খান সোহাগ এবং পিকুল খানগং গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষে বাড়ী-ঘর ভাংচুর ছাড়াও জাহাঙ্গীর হোসেন, মোতালেব মোল্লা ও মোশাররফ মহসীনসহ আহত পঁচিশ জন।
ছাত্র লীগ ঃ ১ এপ্রিল গাজীপুর সরকারী ভাওয়াল বদরে আলম কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত দশজন। ছাত্র-সংসদ নির্বাচনের দাবীতে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হকের গাড়ী অবরোধ করলে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি সজীব হোসেন সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন সৌরভ গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষে গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাখাওয়াত হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন ও কলেজ ছাত্রলীগ সাধারন সম্পাদক মোশাররফ হোসেন সৌরভসহ আহত দশজন। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত ছাত্রলীগ কর্মী আনিসুজ্জামান সরকার অনিক, শেখ আশরাফুল, ইলিয়াস রুমন, লিয়াকত হোসেন, হাসান শাহরিয়ার সুমন, আব্দুল আলী, ইয়াসিন হোসেন, আল-ফাহাদ, রাফিজুল ইসলাম আবির, সোহেল রানা ও মামুনকে আটক করে। দিনাজপুর হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নয়ন গ্রুপ এবং তারেক গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে শাহজাহান ও অপূর্ব নামে দু’ছাত্রলীগ কর্মী আহত হয়। ২ এপ্রিল পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পরীক্ষা কেন্দ্রের ভেনু সাফা হাই স্কুল কেন্দ্রে পরিবর্তনের দাবী পুরণ না করায় সাফা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ হারুণ-অর-রশীদ ও কক্ষ পরিদর্শক সীমা রাণীকে লাঞ্ছিত করে ছাত্রলীগ কর্মীরা। ৩ এপ্রিল ময়মনসিংহ ধোবাউড়া উপজেলা শহরের কালীবাড়ী এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ী থেকে উগ্রবাদী সন্দেহে ছাত্রলীগ বাঘবেড় ইউনিয়ন সহ-সভাপতি আল-আমিনসহ সাত জনকে আটক করে পুলিশ। পুলিশের ধারণা এই উগ্রবাদীদের ১লা বৈশাখে ময়মনসিংহের এক অনুষ্ঠানে হামলার পরিকল্পনা ছিল। ৪ এপ্রিল ঢাকার সাভারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের সামনে ছাত্রলীগ আল-বেরুনী হল ও শহীদ রফিক-জব্বার (সম্প্রসারিত) হল শাখা কর্মীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় শহীদ রফিক-জব্বার হল শাখার কর্মী জিতু. আহনাফ, বাপ্পীসহ ৪-৫ জনের হামলায় আল-বেরুনী হলের কর্মী ইমরান খান সোহান আহত হয়।
৬ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্যার এ.এফ রহমান হলে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত পাঁচজন। হল শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি হাফিজুর রহমান ও সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হাসান তুষার গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে সাইফুল, রাজিব, আপেল, আফজাল এবং আফছার আহত হওয়া ছাড়াও ৩০৪, ৩০৬, ৪২১ রুমসহ টিভি রুম ভাংচুর ও ল্যাপটপ লুট করা হয়। ৬ এপ্রিল সিলেট শহরে সুবিদবাজার এলাকায় ছাত্রলীগ নেতার উপর ছাত্রদলের হামলার জেরে ছাত্রলীগ ঐ দিন সন্ধ্যায় সাবেক সিলেট জেলা ছাত্রদল সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মিজানুর রহমান চৌধূরী, একাধিক ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাসা-বাড়ী ভাংচুর করে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজে র‌্যাগ-ডে পালন উপলক্ষে ছাত্রলীগের চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় তারা শিবিরের উপর হামলা করে, ফলে শিবির কর্মী হাবিবুর রহমান ও হেলাল উদ্দিন আহত হয় এবং পুলিশ ঘটনার পর উল্টো শিবির কর্মী ফয়সাল, রাহাত, মিজানুর রহমান, হাবিবুর রহমান ও হেলাল উদ্দিনকে আটক করে। ৮ এপ্রিল সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুডকোট চত্ত্বরে সাংবাদিকদের উপর ছাত্রলীগের হামলায় শাবি প্রেসক্লাব সহ-সভাপতি সৈয়দ নবীউল আলম দীপু ও সাধারণ সম্পাদক সর্দার আব্বাস আহত হয়। ক্যাম্পাসে একটি ছেলে ও মেয়েকে মারধরের প্রতিবাদ করায় ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল হাসান রুদ্র ও সাজ্জাদ রিয়াদের নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটে। সিলেটের দক্ষিণ সুরমা কলেজে এইচ.এস.সি পরীক্ষা কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে হলে ঢোকার চেষ্টা, পুলিশকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল ও ভাংচুর করার অপরাধে ভ্রাম্যমান আদালত ছাত্রলীগ সিলেট জেলা সহ-সভাপতি সাহেদ আলীকে ২০ দিনের কারাদন্ড দেয়। ঢাকার সূত্রাপুরে ৯৫ হৃষিকেশ রোডে ব্রজবল্লব দাসের সন্তান গীতারাণী দাস, সম্ভুনাথ দাস ও বাবুল চন্দ্র দাসের শত বছরের পুরানা বসবাসরত আড়াই কাঠার বাড়ীটি দখল করে নেয় ছাত্রলীগ নেতা দেবাশীষ।
৯ এপ্রিল রংপুর মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ গত বছর ১৪ ছাত্রলীগ নেত্রীদের দেয়া বিভিন্ন মেয়াদের শাস্তি ছাত্রলীগের চাপে বাতিল করে। উল্লেখ্য, গত ২৮ আগষ্ট মেডিকেল কলেজে র‌্যাগিংয়ের নামে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করায় ছাত্রলীগ নেত্রী মুমু তম্বী প্রজ্ঞাসহ অন্যান্যদের এই দন্ড দেয়া হয়। ১২ এপ্রিল সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি সঞ্জীবন চক্রবর্তী পার্থসহ আটজনের নামে যৌন নির্যাতনের মামলা করে নির্যাতিতা ছাত্রীর মা। ৪ এপ্রিল ঐ ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গেলে তাকে নির্যাতন করা হয়, এ সময় সাংবাদিক সরদার আব্বাস ও নবীউল আলম দিপু বাধা দিলে তাদেরও মারধর করা হয়। পরে নারী নির্যাতন ও সাংবাদিকদের মারধরের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি স্থগিত করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ১৪ এপ্রিল চট্টগ্রামে ডিসি হিলে বৌদ্ধমন্দির মোড়ে বর্ষ বরণ অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের হামলায় পুলিশ ইন্সপেক্টর কিরণ বড়–য়াসহ দু’পুলিশ আহত এবং পুলিশ মাহমুদুল করীম, রাহুল চৌধূরী, শরীফুল ইসলাম মাহিন ও বিশ্বজিৎ শর্মাসহ পাঁচ জনকে আটক করে। ১৬ এপ্রিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আব্দুল্লাহ্্-আল মামুনকে টুকিটাকি চত্ত্বর থেকে রিক্সায় শের-এ-বাংলা হলের ২০১নং কক্ষে নিয়ে তার নিকট ছয় হাজার টাকা চাঁদাদাবী করে ছাত্রলীগ নেতা জাকারিয়া জামান জ্যাক ও অনিক মাহমুদ বনি। আগেও তারা মামুনের নিকট থেকে একবার পাঁচ হাজার আরেক বার সতের’শ টাকা নেয়। তখন এই বলে হুমকি দেয়- জামায়াত-শিবির কর্মী বলে তোকে পুলিশে দিব। এই অভিযোগে ছাত্রলীগ ঐ দুই নেতাকে সংগঠন থেকে সাময়িক ভাবে বহিস্কার করে। ১৭ এপ্রিল ময়মনসিংহ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল কর্মী মনে করে হিন্দু ছাত্র জিতেন্দ্রনাথ ভূঁইয়াকে পিটিয়ে আহত করে ছাত্রলীগ কর্মীরা। ১৮ এপ্রিল চট্টগ্রামে আউটার ষ্টেডিয়ামে সুইমিং পুল নির্মাণে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে পুলিশ-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে তিন পুলিশসহ আহত পঞ্চশ জন। এ সময় ছাত্রলীগ দোকান পাট, গাড়ী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর করে। চট্টগ্রামের লালখান বাজারে ছাত্রলীগের দলীয় কোন্দলে এক সংঘর্ষে শরীফ ওরফে টেম্পু শরীফ নিহত হয়। মূলতঃ এই সংঘর্ষের পিছনে মহানগর আওয়ামী লীগের মহিউদ্দিন গ্রুপ ও নাসির গ্রুপের সংশ্লিষ্টতা ছিল। সাতক্ষীরার আশাশুনিতে উপজেলা পরিষদের সামনে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে চেয়ারম্যানসহ আহত পাঁচজন। জেলা সদরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগের সফর উপলক্ষে ঐ অনুষ্ঠানে যাত্রার সময় ছাত্রলীগ উপজেলা সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান বিপুলের নেতৃত্বে এ হামলায় আলমগীর আলম লিটন, শওকত ও জহুরুল ইসলামসহ আহত পাঁচজন। ঢাকার সাভারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আল-বেরুনী হলে পছন্দের লোক ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয় উপ-গণযোগাযোগ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ও হল শাখা নেতা আসাদুজ্জামান আশিককে নিয়োগ দেয়ার দাবীতে ছাত্রলীগ হল অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেয়। ছাত্রলীগ মূলতঃ এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে হলের অন্যান্য সমস্যা নিয়ে আন্দোলন শুরু করে। সাদ্দামের ছাত্রত্ব অনেক আগে শেষ হলেও তিনি ৮০৩নং কক্ষটি দখল করে রাখে। [চলবে]

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ