ঢাকা, রোববার 07 May 2017, ২৪ বৈশাখ ১৪২৩, ১০ শাবান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

হ-য-ব-র-ল

শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা: মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগর উপজেলার আলমপুর গ্রামের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আলমপুর হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়। গত ১৪ ইং জুন ২০১৬ ইং তারিখে এই বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের মেয়াদ শেষ হয়।
নতুন পরিচালনা পরিষদ গঠনের জন্য তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু বিগত কমিটির সভাপতি ও বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোঃ নুর”ল ইসলামের হস্তক্ষেপে অভিভাবক সদস্য জনাব মোঃ মফসের উদ্দিন, বাবু দুলাল ব্যানার্জি ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য জনাবা রাবেয়া আমীনের মহোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখে বাতিল ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে বাতিলকৃত প্রার্থীরা আদালতের দ্বারস্ত হয়ে দেওয়ানী মোকদ্দম ৭০/২০১৬ দায়ের করে যার ফলে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়। এরপর মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনে রিট পিটিশন ৫৩৮৮/১৬,৫৩৯০/১৬,৫৩৮৯/১৬ দায়েরের পর আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রার্থিতা বৈধ বলে ঘোষণা করে আদালত। বিদ্যালয়ের অভিভাবকবৃন্দ ও এলাকাবাসী মনে করেন প্রধান শিক্ষক তার অনুসারীদের নিয়ে পরিচালনা পরিষদ গঠন করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন। যাহার জন্য তিনি দ্বৈত ভোটার ও মৃত ব্যক্তিকে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। বর্তমানে নির্বাচিত পরিচালনা পরিষদ নাই।
পরিচালনা মেয়াদ উর্ত্তীণ হবার পরও পরপর দুই মাসের সরকারী বেতন সাবেক কমিটির স¦াক্ষরে প্রধান শিক্ষক উত্তোলন করেছেন। ১লা জানুয়ারী ২০১৭ বই বিতরণ অনুষ্ঠানে সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আহসান হাবীবকে সভাপতি হিসেবে ঘোষণা দিয়ে প্রধান শিক্ষক বই বিতরণ করেছেন। যাহা আইনের পরিপন্থি।
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপ্রত্র বিতরণের সময় প্রত্যেক পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে দুইশত টাকা করে বিনা রশিদে গ্রহণ করেছে।
যথাযথ নিয়ম না মেনে আশ্রাফ সিদ্দিকী নামে একজনকে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রধান করা হয়েছে ।
যাহার মাসিক বেতন ধরা হয়েছে ৭০০০ টাকা। শিক্ষার্থী অভিভাবক ও এলাকাবাসী স্বার্থে দ্রুত পরিচালনা পরিষদ গঠনের জন্য নির্বাচনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগতা ব্যবস্থা। গ্রহণে শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে ভুক্তভোগীরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ