ঢাকা, মঙ্গলবার 09 May 2017, ২৬ বৈশাখ ১৪২৩, ১২ শাবান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

পাঁচমিশালি স্বাস্থ্যকথা

অ্যাজমা রোগীদের খাবার
১। সাধারণ পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।
২। অ্যালার্জিকারক খাবার, যেমন- চিংড়িমাছ, গরুর গোশত, হাঁসের ডিম ইত্যাদি খাবার বাদ দিতে হবে।
৩। গরুর দুধ বিশেষভাবে শিশুদের গরুর দুধ না খাওয়ানো ভালো।
৪। অতিরিক্ত মসলা, ভাজাপোড়া, চর্বিযুক্ত খাবার কিংবা এসিড জাতীয় খাবার, যাতে শ্বাসকষ্ট বাড়ে তা পরিহার করা।
৫। মদপান, ধূমপান পুরোপুরি বাদ দিতে হবে।
৬। রাতে মিষ্টিজাতীয় খাবার পরিহার করুন।
গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য
গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। প্রোজেস্টেরন নামক হরমোনের প্রভাবে খাদ্যনালীর কার্যক্রম একটু নিস্তেজ থাকে। এ জন্য প্রচুর সবুজ শাকসবজি, ফলফলাদি এবং বেশি বেশি পানি পান করতে হবে। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে হবে। দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে।
এসিডিটির প্রতিকার
আপনি যদি অনেকক্ষণ খালি পেটে থাকেন, তাহলে পাকস্থলীতে এসিড তৈরি হয়। এই এসিডের পরিমাণ বেড়ে গেলে যে অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হয় তাকেই এসিডিটি বলা হয়। আমাদের জীবনধারার নানা অনিয়ম এই এসিডিটির জন্য দায়ী। মানসিক চাপ, টেনশন কিংবা অস্বাস্থ্যকর খাবারের কারণেই এ সমস্যা হয়ে থাকে। অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, ভাজাপোড়া, দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা ইত্যাদি এসিডিটির জন্য দায়ী। সময়মতো স্বাস্থ্যকর খাবার, টকদই, ফলের রস এবং মানসিক চাপমুক্ত জীবন এসিডিটি প্রতিরোধে সাহায্য করে।
মানসিক চাপ মোকাবেলা
প্রতিযোগিতামূলক জীবনযাত্রায় মানসিক চাপ প্রধান অনুষঙ্গ। শিশু, তরুণ-তরুণী বা বয়স্কদের মাঝে ব্যাপকভাবে বর্তমানে মানসিক চাপ পরিলক্ষিত হচ্ছে। মানসিক চাপ থেকে মানসিক বিষাদ সৃষ্টি হচ্ছে। অনেকেই শেষপর্যায়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। মানসিক চাপ কাটাতে নিজের সমস্যাকে চিহ্নিত করতে হবে। নিজের ভালো লাগার বিষয়কে অনুশীলন করতে হবে। ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে। ধর্মীয় অনুশীলন বাড়াতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ