ঢাকা, মঙ্গলবার 16 May 2017, ০২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ১৯ শাবান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

জুবাইদা গুলশান আরা ছিলেন বরেণ্য অভিভাবক

স্টাফ রিপোর্টার : প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, সাহিত্যক জুবাইদা গুলশান আরা ছিলেন বরেণ্য অভিভাবক। দ্বিধাবিভক্ত সমাজ তাঁকে স্মরণ করেনি। সমাজের এই কৃপণতা ও অপরিনামদর্শীতা বিবেকমান ও সচেতন মানুষদের দারুণভাবে আহত করেছে। অকৃতজ্ঞতা ও অবহেলারও একটা সীমা থাকে। এক্ষেত্রে সকল সীমা অতিক্রম করেছে। জুবাইদার সাথে জাতি নির্মম ও নিষ্ঠুর ব্যবহার করেছে। সাংবাদিক সেলিমের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। সহকর্মীরাও যথাযথ আচরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এসব ‘প্লুরাস্টিক’ সমাজের দৃষ্টান্ত নয়। ধারণা হয়, বিভাজিত এই সমাজের পচন ধরেছে।
সেন্টার ফর ন্যাশনাল কালচার (সিএনসি) আয়োজিত স্মরণ সভায় বক্তারা এ মন্তব্য করেন। গত শনিবার বিকেলে গ্রীনরোডের সাইন্টিলা হলে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন নজরুল একাডেমীর সহ-সভাপতি এম.এ. হান্নান। প্রধান অতিথি ছিলেন জুবাইদা গুলশান আরার সহপাঠি ও সহকর্মী অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন গবেষক শাহ আবদুল হালিম, শিক্ষাবিদ মুহাম্মদ ফয়জুল কবীর, নাট্যকার সাইদুর রহমান সাঈদ ও কথাসাহিত্যিক শাহীন আখতার আঁখি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিএনসি’র নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল হক।
অনুষ্ঠানের বিশেষ এক পর্বে কথাসাহিত্যিক, সম্পাদক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাহীন আখতার আঁখিকে ‘জুবাইদা গুলশান আরা সিএনসি পদক ২০১৭’ প্রদান করা হয়। দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন নূরুল ইসলাম খান মামুন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ