ঢাকা, বুধবার 17 May 2017, ০৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ২০ শাবান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

আ. লীগ নেতা হত্যা মামলায় ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

 

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ উল্লাহ ও তার গাড়িচালক হারুন অর রশিদ হত্যা মামলায় ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামীরা হলেন-রায়হান খোকন, জাকির হোসেন ওরফে কালা জাকির, মো. জাভেদ ওরফে প্রিন্স, আরিফ হোসেন, মো. জুম্মন ও হীরা। এদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রায়হান পলাতক ২০১১ সালের ২৭ মার্চ গ্রেফতার হলেও পরবর্তীতে জামিনে বেরিয়ে এখন পলাতক।

গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর অতিরিক্ত দায়রা জজ জাহিদুল কবির এ আদেশ দেন।

অপরদিকে যাবজ্জীবন দণ্ডিতরা হলেন- শরিফুল ও আমির হোসেন। এছাড়া আরোও চার আসামী খালাস পেয়েছেন। তারা হলেন-শাহ আলম প্রধানিয়া, শফিকুল আলম ওরফে সুমন, ইমন ওরফে কালু মিয়া ও মিলন মোড়ল।

রায় শুনে দণ্ডিতরা কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কাঁদতে থাকেন। নিহত মোহাম্মদ উল্লাহর স্ত্রী মামলার বাদী কোহিনূর বেগমও এজলাসে কান্নায় ভেঙে পড়েন। কাঁদতে থাকেন তার মেয়েও। কোহিনূর বেগম বলেন, প্রধান আসামী রায়হান খোকন পলাতক, এই রায় নিয়ে আমি কী করব? 

আসামী পক্ষের আইনজীবী মো. রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, শাহ আলম প্রধান, শফিকুল আলম সুমন মামলার শুরু থেকে রায় ঘোষণার দিন পর্যন্ত কারাগারে ছিলেন। তারা যে খুনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, রায়ে সেটা প্রমাণিত হলো। এখন এই দুজনের এত বছর কারাবাসের ক্ষতিপূরণ কে দেবে?

জানা যায়, ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে রাজধানীর কদমতলী থানাধীন কমিশনার রোড এলাকার মিষ্টি পট্টির কাছে কাকলী পাঠাগারের সামনের রাস্তায় মোহাম্মদ উল্লাহ এবং তার গাড়িচালক হারুন অর রশিদকে গুলী করে হত্যা করা হয়। পরবর্তী সময়ে ওই ঘটনায় নিহত মোহাম্মদ উল্লাহর স্ত্রী কোহিনুর বেগম কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এর পর একই বছরের ৩১ অক্টোবর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ( ডিবি) উপকমিশনার (ডিসি) রুহুল আমিন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে ১২ আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলাটির আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু করনে। প্রসিকিউশন পক্ষে ৫৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ