ঢাকা, বুধবার 17 May 2017, ০৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ২০ শাবান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ছাগল যখন পুলিশ হেফাজতে

১৬ মে, বিবিসি : ঘটনা ভারতের ঝাড়খান্ড রাজ্যের। দুই মালিকের সঙ্গে ২০ দিন আগে আটক হয়েছিল ২৮টি ছাগল। মালিকরা জামিন পেয়ে গেছে, কিন্তু তারা এখনও রয়ে গেছে পুলিশের হেফাজতে।
তাদের খাওয়া-দাওয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল এক পুলিশ কর্মীকে। কিন্তু কাজের চাপে এখন এক স্থানীয় ব্যবসায়ীকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাদের দেখাশোনার। ওই ব্যবসায়ী ভেবেছিলেন দিন কয়েকের ব্যাপার, কিন্তু পুলিশের কাছ থেকে তাদের দায়িত্ব নিয়ে তিনি এখন ফেঁসে গেছেন। কবে যে তারা 'জামিন' পাবে কেউ জানে না! লাইসেন্সবিহীন গোশতের দোকান বন্ধ করার অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে গোটা রাজ্যেই শুরু হয়েছে ধরপাকড়। ২৬ এপ্রিল রাঁচির মহকুমা শাসকের নেতৃত্বে এরকমই একটি অভিযান চলার সময়ে কঠহল মোড়ের গোশতের দোকানের দুই মালিক সহ ২৮টি ছাগল আটক হয়।
 দোকান মালিক বাবলু মন্সুরি আর সাবির খান তো জামিন পেয়ে গেছেন। কিন্তু একইসঙ্গে আটক হওয়া ছাগলগুলো এখনও হেফাজতে।
নাগরী থানার কর্মকর্তা এ কে সি জানান, ‘পশু সহিংসতা নিয়মসহ বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা হয়েছে। আদালতের আদেশ ছাড়া ছাগলগুলোকে ছাড়তে পারি না আমরা। আদালত ওই ছাগলগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট দিতে বলেছিল। সেটা কোর্টে জমা দেয়া হয়েছে। তাড়াতাড়িই এগুলোকে ছেড়ে দেয়া হবে বলেই মনে হচ্ছে।’ কিন্তু ছাগলের 'জামিন'-এর ব্যাপারটা কী? ঝাড়খান্ড হাইকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী দীপক ভারতী বলছিলেন, ‘ছাগলগুলোকে ঠিক গ্রেপ্তার করা হয়নি। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলা যায়। যেহেতু এগুলো জীবিত প্রাণী, তাই রিলিজ অব লাইফ স্টকের আদেশ দিতে হবে আদালতকে। পশুদের দেখাশোনা করে থাকে এরকম কোনো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কাছে তুলে দিতে পারে আদালত, কারণ যেহেতু  গোস্তেরদোকান থেকে পাওয়া গিয়েছিল ছাগলগুলোকে, এটাই সম্ভবত আদালত ধরে নেবে যে সেগুলোকে মেরে ফেলার জন্যই রাখা হয়েছিল।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ