ঢাকা, বৃহস্পতিবার 18 May 2017, ০৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ২১ শাবান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ক্রিকেটে লঘু পাপে গুরুদণ্ড

-নাজমুল ইসলাম জুয়েল
বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন অন্য খেলাগুলোর মধ্যে রোল মডেল হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে। অনেক কারণেই এখন পেছনে পড়ে গেছে বাকি খেলাগুলো। তবে মাঝে-মধ্যে যে বিতর্ক হচ্ছেনা তাও কিন্তু নয়। এই যেমন সাম্প্রতিক সময়ে দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লিগে যা হয়েছে তাতে শাস্তি যে হচ্ছে এটা অনেকটা অনুমেয়ই ছিল। কিন্তু তাই বলে এত কড়া শাস্তি! এটা সাধারণের ধারণার বাইরে ছিল। দেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অভিযোগে দ্বিতীয় বিভাগের লালমাটিয়া ক্লাব এবং ফিয়ার ফাইটার্স ক্লাবের দুজন খেলোয়াড় সুজন মাহমুদ ও তাসনিম হাসানকে ১০ বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ক্লাবের কোচ, ক্যাপ্টেন এবং ম্যানেজারকেও পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ দুই ক্লাবকে ঢাকা বিভাগের যে কোনো ধরনের ক্রিকেট লিগে খেলা থেকে বাদ করে দেওয়া হয়েছে। ম্যাচের দুই আম্পায়ার শামসুর রহমান ও আজিজুল বারীকেও ছয় মাসের জন্য আম্পায়ারিং থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনা কী ঘটেছিল? দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটে আম্পায়ারের পক্ষপাত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে অভিনব উপায় বেছে নিয়েছিল লালমাটিয়া ক্লাব এবং ফিয়ার ফাইটার্স ক্লাবের খেলোয়াড়রা। বাংলাদেশের বিভিন্ন লিগ ও টুর্নামেন্টে আম্পায়াররা কোন পরিস্থিতিতে ম্যাচ পরিচালনা করে সেটা পরিস্কার করেছিলেন বাংলদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। গত ২২ এপ্রিল ক্রিকেট বোর্ডের সভা শেষে অনেকটা খোলখোলিভাবে বলেছিলেন, চাপের মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে হয় আম্পায়ারদের। বিসিবি সভাপতি একপর্যায়ে স্বীকারও করলেন যে ঘরোয়া ক্রিকেটের আম্পায়ারিং প্রভাবিত হয়। তা প্রতিরোধে গত মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ দেখতে নিজের মাঠে চলে যাওয়ার প্রসঙ্গও তুলেছিলেন, নিজে মাঠে উপস্থিত হয়ে কয়েকটা ম্যাচ দেখেছিলেন। তারপর সমস্যা কিছুটা কমে আসারও দাবী করেছিলেন বিসিবি বস। কিন্তু তার নজর তো আর দ্বিতীয় বিভাগের মতো  লিগে যায়নি।
সেখানে কি হচ্ছে সেটাও বোধকরি খুব কম কর্মকর্তারই জানা আছে। প্রিমিয়ার ক্রিকেটের পরের ধাপ প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগের আম্পায়ারিং নিয়ে কত অভিযোগ! বিসিবি সভাপতি এখানে ঢালাওভাবে আম্পায়ারদের দোষারোপ করতে রাজি হলেন না। বরং আম্পায়ারদের চাপে পড়ে দায়িত্ব পালন করার কষ্টটা বুঝে পরিষ্কারভাবে বলে দিলেন, আম্পায়ারদের দায়িত্ব পালনের বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবছি। ক্লাব আর বোর্ড পরিচালকদের ভয়েই নাকি আম্পায়াররা এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন! ৪ বলে ৯২ রান তোলার খবর আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ব্যাপক পচার পাওয়ায় চাপে পড়া বিসিবিও এবার নিজেদের লোকদের চাপে পক্ষপাতমূলক আম্পায়ারিং রুখতে উদ্যোগী হয়েছেন। কিন্তু কার দোষ কার উপর চাপিয়ে তিনি এমন সিধান্ত নিয়েছেন সেটা প্রশ্নস্বাপেক্ষ বিষয়ই বলতে হবে। সামনেই বিসিবি’র নির্বাচন। সেখানে কাউন্সিলর নির্বাচন নিয়েই মূলত এমনটি করা হচ্ছে বলেই জানিয়েছেন কিছু কর্মখর্তারা। দ্বিতীয় বিভাগে মোট ২৪টি দল অংশ নেয়। এর মধ্যে ১২টি দল ওঠে সুপার লিগে।  দুটি গ্রুপে সুপার লিগ খেলার পর সেখান থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দু’টি দল খেলে প্রথম বিভাগে। মূলত এই লিগগুলোর উপর নির্ভর করে বিসিবির নির্বাচনে কাউন্সিলর হওয়া। সুপার লিগে খেলা দলগুলোই বিসিবির কাউন্সিলর হতে পারে। আর এই কাউন্সিলররাই বিসিবির নির্বাচনে বড় ভূমিকা রাখে। তৃতীয় বিভাগ থেকে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ প্রত্যেকটি আসরই বিসিবির নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। অভিযোগ রয়েছে সেই কারণেই এখানে সব সময় শক্তির প্রভাব কাজ করে। ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের দৃষ্টি থাকে বলে এখানে প্রভাব থাকলেও তা সেই ভাবে লোকচক্ষুর সামনে আসে না। কিন্তু তৃতীয় বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ ও প্রথম বিভাগ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের খুব একটা দৃষ্টি নেই বলে এখানে সহজে প্রভাব বিস্তার করে আম্পায়ারদের দিয়ে বাজে সিদ্ধান্ত দেয়া হচ্ছে বলে জানান কয়েকজন ক্লাব কর্মকর্তা। ভুক্তভোগী বিভিন্ন ক্লাবের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাজে আম্পায়ারিংয়ের প্রতিবাদ করতেই বোলাররা এমনটি করেছেন। মাঠে কোন ব্যটাসম্যান কখন আউট হবে সেটা যদি আম্পায়াররা নির্ধারিত করে দেন তাহলে প্রতিবাদ না করেও কোন উপায় থাকে না। যে আম্পায়ারিং নিয়ে এত অভিযোগ সেই আম্পায়ার্স কমিটির সদস্য সচিব সয়লাব হোসেন টুটুল বিতর্কের সেই সময়টাতে ছিলেন মালয়েশিয়াতে। অন্যদিকে লিগগুলো পরিচালনা করে যারা সেই ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিশ-সিসিডিএম রয়েছে এ বিষয়ে নীরব। দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটে মাঠে বাজে আম্পায়ারিংয়ের নজির রাখা শামসুর রহমান জ্যাকির বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ। অভিযোগ রয়েছে আজিজুল বারি বাবু, শামীম ও মাসুমের বিপক্ষেও। অভিযোগের বিষয়ে শামসুর রহমান জ্যাকি বলেন, ‘আমাকে কেন দোষারুপ করা হচ্ছে বুঝি না। সেই ম্যাচে লালমাটিয়ার একজন বোলারকে কোচ নির্দেশ দিয়েছিল এমন ভাবে বল করতে যেন এক ওভারেই সব রান দিয়ে দেয়া হয়। এক্সিওমের বিপক্ষে সেই বোলার ৪ বলে দিয়েছে ৯২ রান। আসলে আমি মাঠে আম্পায়ার হিসেবে মনে করেছি সেটি আমাকে ও সেই ক্লাবকে অপমান করতেই এমন করা হয়েছে। যদি তারা আমার বিপক্ষে অভিযোগ থাকে প্রমাণ করুক। আমার বিপক্ষে আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন।’ ৪ বলে ৯২ আর ৭ বলে ৬৯ রান দেওয়া দুই বোলার সুজন মাহমুদ ও তাসনিমকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ১০ বছরের জন্য। মাত্র ১০ বছর ক্রিকেট খেলা থেকে দূরে থাকতে হবে। তবে এই দুজনের শাস্তি যে হচ্ছে সেটা আগাম জানা গিয়েছিল। কিন্তু তাই বলে এত কড়া শাস্তি! এটা সাধারণের ধারণার বাইরে ছিল। দেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অভিযোগে দ্বিতীয় বিভাগের লালমাটিয়া ক্লাব এবং ফিয়ার ফাইটার্স ক্লাবের দুজন খেলোয়াড় সুজন মাহমুদ ও তাসনিম হাসানকে ১০ বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ক্লাবের কোচ, ক্যাপ্টেন এবং ম্যানেজারকেও পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ দুই ক্লাবকে ঢাকা বিভাগের যে কোনো ধরনের ক্রিকেট লিগে খেলা থেকে বাদ করে দেওয়া হয়েছে। ম্যাচের দুই আম্পায়ার শামসুর রহমান ও আজিজুল বারীকেও ছয় মাসের জন্য আম্পায়ারিং থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে বিসিবির আইনের কোন ধারায় এই শাস্তিগুলো দেওয়া হয়েছে সেটা পরিস্কার করতে পারেনি তারা। দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটে আম্পায়ারের পক্ষপাত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে অভিনব উপায় বেছে নিয়েছিল লালমাটিয়া ক্লাব এবং ফিয়ার ফাইটার্স ক্লাবের খেলোয়াড়রা। লালমাটিয়ার সুজন মাহমুদ ওয়াইডের পর ওয়াইড, নো বলের পর নো বল করে যান। সব মিলিয়ে সুজন মাত্র চার বলে এ কায়দায় খরচ করেন ৯২ রান! অক্সিওমের বিপক্ষে ম্যাচে আম্পায়ার পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন-এ অভিযোগ তোলেন লালমাটিয়ার খেলোয়াড়রা। কিন্তু তারা হতাশ হয়ে দেখল আম্পায়ার বা ম্যাচ রেফারি কেউ তাদের কথায় কর্ণপাত করছেন না। তখন তারা বাজে আম্পায়ারিংয়ের বিপক্ষে প্রতিবাদ জানানোর জন্য নজিরবিহীন এ উপায় বেছে নেয়। যে বলই করে সেটাই ‘নো’ বা ‘ওয়াইড’! শেষমেশ চারটি বৈধ বল শেষে দেখা গেল-অক্সিওমের স্কোর বোর্ডে জমা হয়েছে জয়সূচক ৯২ রান। বোলার শুধু একজনই-সুজন মাহমুদ! একই ঘটনা ঘটান ফিয়ার ফাইটার্সের তাসনিম হাসান। তিনি ইন্দিরা রোডের বিপক্ষে ম্যাচে মাত্র ১.১ ওভারে ৬৯ রান খরচ করেন! ইচ্ছেকৃতভাবে সব বল ‘নো’ বা ‘ওয়াইড’ করে যান। এ ঘটনা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এক সময় আন্তর্জাতিক পরিম-লেও এটা বড় খবরে পরিণত হয়। কোনো সন্দেহ নেই, এ ঘটনায় বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি দারুণভাবে ক্ষুণ্ন হয়। ব্যাপারটা নিয়ে হইচই শুরু হলে বিসিবি নড়েচড়ে বসে। পুরো ব্যাপারটা তদন্তের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু বিসিবির তদন্ত সংস্থা আকসু অভিযোগ করে দেশের ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই এমনটি করা হয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় বিভাগে কি জঘন্য আম্পায়ারিং হয়েছে সেটা একবারও সামনে আনা হয়নি। আম্পায়াররা ভুল করতে পারে, কিংবা প্রভাবিত হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কিন্তু সে বিষয়টিও ধামাচাপা দিয়ে রাখার কোন মানে হয় না। ক্রিকেটের পাইপ লাইন হিসেবে তৃতীয় বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটকে ধরা হয়। এখন সেখানেই যদি খেলোয়াড়রা সঠিক খেলাটি খেলতে না পারেন তাহলে এর ফলও পাওয়া যাবে অদ্যুর ভবিষ্যতে। প্রতিবাদ করার এত কঠিন শাস্তি দিয়ে বিসিবি কি বোঝাতে চাইল সেটাও পরিষ্কার নয়। কারণ গত প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেটে আম্পায়ারিং নিয়ে কম তেলেসমাতি হয়নি। তামিম ইকবালের মতো জাতীয় তারকা খেলোয়াড়কে রীতিমতো মারতে উদ্যত হতে দেখা গেছে। প্রিমিয়ারে এতকিছু হলে দ্বিতীয় বিভাগে আর বাজে কিছু হলেও আশ্চর্যের কিছুই থাকবেনা। স্বাভাবিক গতিতে সবকিছু চলতে দেওয়া উচিৎ। প্রতিবাদের ভাষাকে স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করাটাও বোকামি।
তাতে ক্ষতি যা হওয়ার নিজেদেরই হবে। খেলোয়াড়রা কখনোই প্রতিবাদ করতে ছাড়েনা। সবারই জানা, মাঠে খেলা শুরুর পর থেকে গোটা দায়িত্বই আম্পায়ারদের ওপর। ভালো-মন্দ সবকিছুরই সিদ্ধান্ত নেন তারা। এমনকি তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতেই ম্যাচ রেফারিরা শাস্তি দিয়ে থাকেন। তাই ৪ বলে ৯২ দেয়ার সময় কেন বোলারকে থামাননি আম্পায়ার? খেলায় বিসিবি বা সিসিডিএমের কোনো কর্মকর্তা কি ছিলেন না? তার ভূমিকা কী ছিল? সেই প্রশ্ন এখন নিষিদ্ধ হওয়া ক্লাব কর্মকর্তা ও কোচদের।
দুই বোলারকে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি কোচ, ম্যানেজার ও ক্লাবকেও নিষিদ্ধ করেছে বিসিবি ঘোষিত তদন্ত কমিটি। সেখানে যে বাজে আম্পায়ারিংয়ের কারণে এ ঘটনার জন্ম তাদেরই শাস্তি মাত্র ছয় মাস! যদিও ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ ছিল না বলে জানা গেছে। জানা গেছে, ক্লাবগুলো দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিবাদ করে আসছে।
গত বছর প্রতিবাদ করা হয়েছে উইকেট নিয়ে। সে সময় ঘটনাটি বিসিবি জানতো। সেবারও আম্পায়ারদের বিপক্ষে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। এর আগে তৃতীয় বিভাগের ক্রিকেট লিগ মাঠে গড়ানোর আগেই সিসিডিএম আম্পায়ার্স কমিটিকে সতর্ক করেছিল বিতর্কিত আম্পায়ারদের নিয়ে। সেই সঙ্গে সেরা আম্পায়ারদেরও একটি প্যানেল তৈরি করে দেয়া হয়েছিল। গত ২২-০৪-২০১৬ সালের সিসিডিএম’র চেয়ারম্যান গাজী গোলাম মুর্তজার স্বাক্ষরিত দু’টি চিঠিতে আম্পায়ার্স কমিটির কাছে আম্পায়ার নিয়োগের জন্য দুটি প্যানেল করে পাঠানো হয়। একটি চিঠিতে দেখা যায়, ২২ জন আম্পায়ারকে ম্যাচের দায়িত্ব দিতে অনুরোধ করা হয়। আরো একটি চিঠিতে ৯ জন আম্পায়ারের নাম উল্লেখ করে তাদের ম্যাচে নিয়োগ দেয়া থেকে বিরত রাখার জন্যও অনুরোধ করা হয়েছিল। তাদেরই একজন শামসুর রহমান জ্যাকি যিনি দ্বিতীয় বিভাগের খেলায় ৪ বলে ৯২ রান দেয়ার ম্যাচে আম্পায়ার হিসেবে ছিলেন।
সিসিডিএম’র আম্পায়ার্স কমিটির বরাবর সেই অনুরোধের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘বর্ণিত বিষয়ে আপনার সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানাচ্ছি যে ২০১৫-২০১৬ সালের তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট লিগের খেলাগুলো সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আম্পায়ারিংয়ের বিষয়ে ক্লাবগুলো সিসিডিএম বরাবর মৌখিকভাবে বাস্তব সম্মত মতামত উস্থাপন করেছেন। উক্ত খেলাগুলোতে নিম্নোক্ত আম্পায়ারদের লিগের খেলা থেকে বিরত রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো। এমন অবস্থায় ২০১৫-২০১৬ সালের তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট লিগের খেলাগুলোতে তাদের (জাহাঙ্গির, জ্যাকি, জন, আমিন, আবুল, বাবু, সিরাজ জুনিয়র, ওয়াহিদ, সোহরাব) আম্পায়ারিং থেকে বিরত রাখার বিষয়ে গ্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।’ কিন্তু সে অনুরোধ তো কাজে আসেনি। তাহলে সিসিডিএমও অনেক ক্ষেত্রেই অসহায়। তাহলে প্রতিবাদ করায় কেন লঘু পাপে গুরুদ- দেওয়া হলো তা বোধগম্য হচ্ছে না। পাশাপাশি ক্রিকেটার উঠে আসার পাইপ লাইন নষ্ট হতে পারে বলে অভিমত ক্রিকেট বিশ্লেষকদের।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ