ঢাকা, বৃহস্পতিবার 18 May 2017, ০৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ২১ শাবান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

চট্টগ্রামে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী যুবলীগ নেতা খুন

চট্টগ্রাম অফিস : চট্টগ্রামে পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও যুবলীগ নেতা সোহেল রানা ওরফে বচা বাবলুকে(৩২) গুলী করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে সন্দ্বীপ পৌরসভার টেকবাজ ব্রিজ এলাকায় তাকে হত্যা করা হয়।
নিহত বচা বাবলু পৌরসভা যুবলীগের রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। বাবলু তার সহযোগীদের সঙ্গে কোন্দলে খুন হয়ে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
সন্দ্বীপ থানার ওসি মো. শামসুল ইসলাম জানান, তার নাম থানা পুলিশের করা সন্ত্রাসীদের তালিকাতে ছিল। মঙ্গলবার রাতে সন্দ্বীপ পৌরসভার টেকবাজ ব্রিজ এলাকায় খুন হন বাবুল। সম্ভবত রাতে সে মোটর সাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিল। হামলাকারীরা প্রথমে গুলী করে তাকে মোটর সাইকেল থেকে ফেলে দেয়। পরে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
দুই আসামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড : চট্টগ্রামে এক যুকককে খুনের দায়ে দুই আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বুধবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মীর রুহুল আমিন এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিতরা হলেন-আরিফুল করিম ও মো. সাইফুদ্দিন। দুইজনই কারাগারে আছেন। মামলার অন্য দুই আসামী শ্যামল দাশ ও ইমরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেয় আদালত।
বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, দুই আসামীর বিরুদ্ধে ৩০২ ধারায় আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। অন্য দুই আসামীকে বেকসুর খালাসের আদেশ দেন আদালত। ১৯৯৯ সালের ২৯ অক্টোবর পূর্ব বিরোধের জের ধরে দণ্ডপ্রাপ্ত দুজন চট্টগ্রামের পাথরঘাটার বংশাল রোড এলাকায় জাহাঙ্গীর আলম (২০) এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেন বলে আদালতে প্রমাণিত হয়।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, আসামীরা জাহাঙ্গীরের বন্ধু ছিলেন। বন্ধুদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে ঘটনার দিন রিকশা করে যাওয়ার পথে পাথরঘাটার বংশাল রোড এলাকায় জাহাঙ্গীরের পথ আটকান আসামীরা। এরপর রিকশা থেকে নামিয়ে ছুরি ও দা দিয়ে কোপায় তারা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান জাহাঙ্গীর। এ ঘটনায় জাহাঙ্গীরের বাবা সালেহ আহমেদ বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
 কোতোয়ালী থানার এসআই আবদুল্লাহ আল মামুন ২০০১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০০২ সালের ২৫ অক্টোবর এ মামলায় অভিযোগ গঠন করে আদালত। ১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
বোয়ালখালীতে পানিতে ডুবে
একই পরিবারের ৩
শিশুর মৃত্যু
গতকাল বুধবার  বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে পুকুরে ডুবে একই পরিবারের তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।  বোয়ালখালী  উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের ভাঁ ফকিরের মাজার এলাকার মুছার বাপের বাড়িতে এ  মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা হলো, মুছার বাপের বাড়ীর মরহুম ইসমাইলের ছেলে প্রবাসী মো. হারুনের তিন বছর বয়সী জমজ কন্যা সানাম ও সেহের এবং হারুনের ভাই দিনমজুর ফারুখের কন্যা আনজু (৩)।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে বাড়ীর সবাই খাওয়া দাওয়া করে ঘুমিয়ে পড়ে।  এ সময় তিন বোন মিলে খেলছিল।  এরপর তাদের খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ীর পেছনের পুকুরে পাওয়া যায়।  তিন শিশুকে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে স্থানীয় হাসপাতালের জরুরী বিভাগে স্বজনরা নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। একই পরিবারের ৩ শিশুর মৃত্যুর ঘটনা এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
লাশ উদ্ধার : গতকাল বুধবার সকালে চট্টগ্রাম মহানগরীর আগ্রাবাদ শেখ মুজিব রোড বেতার অফিসের সামনে থেকে পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে। পুলিশ জানায়,আনুমানিক ৫৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির  বুকের বাঁ পাশ ও ডান পায়ে কোপানোর জখম রয়েছে।  তার পরনে চেক লুঙ্গি, নীল রঙের হাফ হাতা শার্ট ও রেইন কোট ছিল। সকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।  পুলিশের ধারণা নিহত ব্যক্তি ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছিল। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ