ঢাকা, রবিবার 21 May 2017, ০৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ২৪ শাবান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

রোজার আগেই মূর্তি না সরালে মুসুল্লিরা ঈদের নামায পড়তে জাতীয় ঈদগাহে যাবে না

স্টাফ রিপোর্টার : রোজার আগেই সুপ্রিম কোর্ট চত্বরের গ্রিক মূর্তি অপসারণ করা না হলে মুসল্লিরা পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামায আদায় করতে জাতীয় ঈদগাহে যাবে না। কেউ যদি যায় তবে সে হবে চিহ্নিত মুরতাদ। বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ আখতার হোসেন বুখারী গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ কথা বলেন।

রোজার আগেই সুপ্রিম কোর্ট চত্বরের গ্রিক মূর্তি অপসারণ এবং প্রধান বিচারপতির পদত্যাগের দাবিতে বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩টি সংগঠন এ মানববন্ধন আয়োজন করে।

মাওলানা মুহাম্মদ আখতার হোসেন বুখারী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী বার বার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বলার পরও সুপ্রিম কোর্ট চত্বরের গ্রিক মূর্তি প্রধান বিচারপতি কেন অপসারণ করছেন না? পহেলা রমযানের আগে গ্রিক মূর্তি অপসারণ এবং প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগ করতে হবে। তারপরেও যদি মূর্তি রাখা হয় তাহলে মুসল্লিরা পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামায আদায় করতে জাতীয় ঈদগাহে যাবে না। যদি কেউ সেখানে নামায পড়তে বা নামায পড়াতে যায় তবে সে হবে চিহ্নিত মুরতাদ। তাকে আলেম সমাজ শুধু অবাঞ্চিত ঘোষণা-ই করবে না ধর্ম বিকৃতি করার কারণে তার ফাঁসি দাবি করবে।

তিনি বলেন, আসন্ন মাহে রমযানে সব ধরনের খেলাধুলাসহ অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা বন্ধ করতে হবে এবং পরীক্ষা-ক্লাসসহ সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। গত বছর পূজায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা বন্ধ থাকলে পবিত্র রমযানে কেন থাকবে না?

আখতার হোসেন বলেন, এবার রমযানে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৫টি পরীক্ষা রাখা হয়েছে। রাবি, চবি, জবি বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা ফেলানো হয়েছে এই রমযান মাসে। ২০১৬ সালে রমযান মাসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি পাশ ও সার্টিফিকেট কোর্স ১ম বর্ষের পরীক্ষা ১৫ দিনসহ বিভিন্ন বর্ষের অনেক পরীক্ষা নেওয়া হযেছে, যা ষড়যন্ত্রমূলক। অথচ জামায়াত শিবিরের হরতালের সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছিল।

বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের বিরুদ্ধে ক্রমাগত উসকানি দিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক উসকানি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ভারতের মুসলমানদের তুলনায় বাংলাদেশের হিন্দুরা স্বর্গে বাস করলেও সরকার বিরোধী মৌলবাদী হিন্দু সংগঠন দেশে কট্টর মুসলিম বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে। অবিলম্বে এসব উসকানি বন্ধ করতে হবে।

এ সময় অনেকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহম্মদ আবুল হাসান শেখ শরীয়তপুরী, সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদের সভাপতি মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার ও দপ্তর সম্পাদক মুজিবুর রহমান চিশতি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ