ঢাকা, রবিবার 21 May 2017, ০৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ২৪ শাবান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

পার্বতীপুরে ১০টি ইউনিয়নে আর্সেনিকমুক্ত সুপেয় পানি সরবরাহের লক্ষ্যে অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে ১২৬টি তারা নলকূপ স্থাপন

পার্বতীপুর সংবাদাতা : পার্বতীপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে আর্সেনিকমুক্ত সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য পার্বতীপুর জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে ১২৬টি তারা নলকূপ স্থাপন করেছে।  ফলে ৩০ হাজার মানুষ আর্সেনিক মুক্ত সুপেয় পানি পান করছে।  

পার্বতীপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা যায় বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি ও কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ প্রকলল্পের কারণে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে হাবড়া, হামিদপুর উইনিয়নে প্রচ- পানি সংকট দেখা দেয়।  এই ২টি উইনিয়নে পানি সংকট কাটিয়ে উঠতে জনস্বাস্থ্যে প্রকৌশল অধিদপ্তর পার্বতীপুর একটি কর্মসূচি গ্রহন করে।   পল্লি অঞ্চল পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় চলতি অর্থবছরে প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে হাবড়া উইনিয়নে ৫০টি এবং হামিদপুর উইনিয়নে ৫০টি তারা নলকূপ স্থাপন করা হয়।  একই সঙ্গে বাকি ৮টি উইনিয়নে ২৬টি সহ ১২৬টি তারা নলকূপ স্থাপন করা হয়। ১০টি উইনিয়নে তারা নলকূপ স্থাপন করায় গ্রামঅঞ্চলে প্রায় ১০হাজার মানুষ আর্সেনিকমুক্ত পানি পান করছে এবং বিশেষ করে হাবড়া ও হামিদপুর উইনিয়নে পানি সংকট অনেকটাই কেটে গেছে। পার্বতীপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদরের কর্মকর্তা কর্মচারিদের প্রতি জনগনের একটা আস্থাও তৈরি হয়েছে।  

অন্যদিকে পি ই ডি-৩ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে আর্সেনিক ও আয়রনমুক্ত পানি সরবরাহে লক্ষে উপজেলার ৬৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ তারা নলকূপ বসানো হয়। তারা নলকূপ বসানোর কারনে প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোর প্রায় ২০ হাজার ছাত্র/ছাত্রি আর্সেনিকমুক্ত সুপেয় পানি পান করছে। 

পার্বতীপুর জনস্বাস্থ্যে প্রকৌশল অধিদপ্তর এর কর্মকর্তা কর্মচারিরা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিনামূল্যে টিউবওয়েলের পানিতে আর্সেনিক, আয়রন ও ক্লোরাইড আছে কিনা তা পরিক্ষা করছে।  পার্বতীপুর উপজেলার মানুষ আর্সেনিক আয়রন ও ক্লোরাইডমুক্ত সুপেয় পানি পান করতে পারে সেজন্য আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এদপ্তরের কর্মকর্তা- কর্মচারিরা।   

এব্যাপারে পার্বতীপুর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের টেকনেশিয়ান ও মেকানিক একরামুল হক বলেন আমি একজন ছোট কর্মচারী আমার স্যারের নির্দেশে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি।  যাতে মানুষ সুপেয় পানি পান করতে পারে। পার্বতীপুর জনস্বাস্থ্যে প্রকৌশল অধিদপ্তর এর সহকারী প্রকৌশলী রবিন্দ্রনাথ রায়ের সাথে কথা হলে তিনি বলেন বড়পুকুুরিয়া কয়লা খনি ও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এর কারণে বেশ কিছু এলাকায় পানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে।  তারা নলকূপ স্থাপন করে আর্সেনিক আয়রন ও ক্লোরাইডমুক্ত সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যায় সে লক্ষ্যে আমরা উপজেলার পল্লিতে কাজ করে যাচ্ছি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ