ঢাকা, রবিবার 28 May 2017, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ১ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

বিএনপি নেতা মিঠুসহ ডাবল মার্ডারের ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ

খুলনা অফিস : খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফুলতলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার আলাউদ্দিন মিঠু ও তার দেহরক্ষী নওশের গাজী হত্যাকান্ডের সুনির্দিষ্ট কোন ক্লু উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। তবে কয়েকটি কারণ সামনে রেখে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় ‘সরদার’ ও ‘ভূঁইয়া’ পরিবারের মধ্যে বিরোধ, এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব, চরমপন্থীদের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, অত্যন্ত জনপ্রিয়তা, পূর্ব শত্রুতা নির্মূল ও নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বীতার পথ পরিষ্কার করতেই একের পর এক এই পরিবারের ওপর খুনের খড়গ নেমে আসছে। গত ১৯ বছরের ব্যবধানে পিতা, বড় ভাইয়ের মতো করেই পূর্বশত্রুতার শিকার হলেন মিঠু। এ ঘটনায় নিহতের ভাই রাজ সরদার বাদি হয়ে ৭/৮ জন অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ হত্যাকা-ের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ইমরুল শেখ ও রকিবুল শেখ নামের দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে। এদিকে এই ডাবল হত্যাকা-ের প্রতিবাদে খুলনা মহানগরী ও জেলায় স্বতঃর্ফূত হরতাল পালিত হয়েছে। গতকাল শনিবার ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ হরতাল চলে। হরতাল চলাকালে খুলনায় ভারি যানবাহন চলাচল করেনি। গণপরিবহনও বন্ধ ছিল। দুই একটি রিকশা ও ইজিবাইক ছাড়া কোনো যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। মোড়ে মোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালন ছিল চোখে পড়ার মতো। খুলনা মহানগর ও জেলায় সর্বাত্মক হরতাল পালিত হচ্ছে বলে দাবি করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দামোদর ইউনিয়ন পরিষদের একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান আবুল কাশেমকে ১৯৯৮ সালের ১৮ আগস্ট প্রকাশ্য দিবালোকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে গুলী করে হত্যা করে। তার ছেলে সরদার আলাউদ্দিন মিঠু বাদি হয়ে মামলা করলে তিন আসামীর যাবজ্জীবন সাজা হয়েছিল। উপ-নির্বাচনে নিহত চেয়ারম্যান কাশেমের বড় ছেলে সরদার আবু সাঈদ বাদল বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। পরে সাধারণ নির্বাচনেও বিজয় লাভ করেন। ২০১০ সালের ১৬ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদের অদূরে দুর্বৃত্তরা তাকেও অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলীতে হত্যা করে। এ হত্যাকা-েও সহোদর আলাউদ্দিন মিঠু বাদি হয়ে মামলা করেন। পুলিশ দায়সারা গোছের চার্জশীট দিলে বাদি আদালতে না রাজি পিটিশন করেন। ২০০৯ সালে সরদার আলাউদ্দিন মিঠু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরের বছরের ৬ মার্চ বাদামতলা পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের সামনে দুর্বৃত্তরা মিঠুকে বহনকারী জিপে বোমা হামলা ও গুলীবর্ষণ করে। এ যাত্রা তিনি সঙ্গী-সাথীসহ আহত হয়ে প্রাণে বেঁচে যান। এ বিষয়ে মামলা হলেও সেটি এখনও আলোর মুখ দেখেনি। সর্বশেষ গত শুক্রবার রাত পৌণে ১০টায় ডিবি পোশাক পরিহিত দুর্বৃত্তরা নিজ অফিসে মিঠুকে মাথায় গুলী করে হত্যা করে। গত দেড় যুগের বেশি সময়ে পূর্ব শত্রুতার জের মিটাতেই প্রতিপক্ষের একের পর এক হত্যাকা-।

একাধিক সূত্র জানায়, গেল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দামোদর ইউনিয়নে শক্ত প্রতিপক্ষ ছিলেন মরহুম সরদার আবু সাঈদ বাদলের স্ত্রী জাকিয়া হাসিন দীনা। শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তিনি। সে নির্বাচন পরিচালনা করেছিলেন দেবর সরদার আলাউদ্দিন মিঠুই। আর তার প্রতিপক্ষদের সাথে চরমপন্থী কানেকশন এলাকায় ‘ওপেন সিক্রেট’। গেল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও অল্প ভোটে হেরে যান আলাউদ্দিন মিঠু। গত ৬ মে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় একাধিক নেতার উপস্থিতিতে ফুলতলায় বিশাল শোডাউন দিয়েছিলেন তিনি। বিশাল উপস্থিতির পথসভার বক্তৃতায় আগামী নির্বাচনে জনগণকে তার পক্ষে থাকার আশা করেন তিনি। গত ১৯ বছর এই পরিবারটি ইউনিয়ন ও উপজেলার রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ করেছিল। যাতে প্রতিপক্ষের চক্ষুশুলে পরিণত হন আলাউদ্দিন মিঠু। এলাকার চিহ্নিত চরমপন্থী (আঞ্চলিক প্রধান) ক্যাডারদের সাথে প্রত্যক্ষ বিরোধ ছিল এই পরিবারের। অপরদিকে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সাথে ছিল চরমপন্থীদের সখ্যতা।

বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছেন, সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলে যোগদান করেছেন এলাকার একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে অর্ধডজন হত্যা মামলা রয়েছে। বর্তমানে অস্ত্র মামলায় জেলহাজতে রয়েছে সে। তার সাথে চরমপন্থীদের ছিল সখ্যতা আর সরদার আলাউদ্দিন মিঠুর পিতা হত্যাকা-ের শত্রুতা। এটি হত্যাকা-ের পিছনে কাজ করতে পারে বলে পুলিশের সূত্র জানিয়েছেন।

ফুলতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আকরাম হোসেন বলেন, এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে ‘সরদার’ ও ‘ভুঁইয়া’ পরিবারের সাথে বিরোধ চলে আসছিল। এর সাথে একটি মহল আমাকে জড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। কাশেম হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী শিপলু ভুঁইয়াকে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বানিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে আপনার বিরুদ্ধে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিপলুর সাজা উচ্চ আদালত বাতিল করে দিয়েছে। দামোদর ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন জিপ্পি ও আমার সমর্থিত প্রার্থী ছিল শিপলু ভুঁইয়া। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা শিপলু ভুঁইয়ার পক্ষে থাকায় দলীয় মনোনয়ন সে পায়। ফুলতলার রাজনীতিতে আওয়ামী লীগও দ্বিধা বিভক্ত। ভুঁইয়া পরিবারটি আমার পক্ষে থাকায় আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিঠু নিহত হবার পর তাদের পরিবারকে সহানুভুতি জানানো ও জানাজায় না যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হত্যাকা-ের পর আমার নাম জড়ানো হচ্ছে। সে কারণে আমি এলাকায় থেকেও যাইনি। 

স্বতঃফূর্তভাবে আধাবেলা হরতাল পালিত : খুলনা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফুলতলা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সরদার আলাউদ্দিন মিঠু এবং তার দেহরক্ষী নওশের গাজী হত্যার প্রতিবাদে খুলনা মহানগরী ও জেলায় শনিবার ভোর ৬ টা হতে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত সর্বাত্মক হরতাল পালিত হয়েছে। হরতালের সমর্থনে বিএনপি এবং ছাত্রদল-যুবদল-স্বেচ্ছাসেবক দল নগরীতে পৃথক পৃথকভাবে কালো পতাকা হাতে মিছিল করে। হরতাল চলাকালে নগরীতে দোকানপাট বিপনী বিতান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিল বন্ধ। যানবাহন চলাচল ছিল সীমিত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাস হয়নি। অফিস ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটক ছিল বন্ধ। 

হরতালের সমর্থনে সকাল সাড়ে ৮টায় নগরীর পিটিআই মোড় থেকে কালো পতাকা মিছির বের হয়। মিছিলটি সিটি কলেজ, রয়্যাল মোড়, জাতিসংঘ পার্ক, শান্তিধাম মোড়, ফরাজি পাড়া ফুলমার্কেট, ফেরিঘাট মোড়, ডাকবাংলা, পিকচার প্যালেস মোড়, থানার মোড় হয়ে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সকাল ১০টা হতে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কে ডি ঘোষ রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে করে বিএনপি। এ সময় বক্তারা মিঠু হত্যাকা-ের জন্য শাসকদল আওয়ামী লীগকে দায়ী করে বলেন, ফুলতলায় সরদার পরিবারের জনপ্রিয়তার কারণে একের পর এক এই পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হয়েছে। মিঠুর পিতা সরদার আবুল কাশেম, ভাই ইউপি চেয়ারম্যান বাদল ও সর্বশেষ মিঠুকে হত্যা করা হয়েছে আওয়ামী লীগ শাসনামলে। একজন চরমপন্থী নেতা ফুলের তোড়া দিয়ে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগে যোগদানের পর মিঠু তার জীবনের নিরাপত্তাহীনতার কথা বলেছিলেন। পুলিশের নির্লিপ্ত ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, সরকার আগামী নির্বাচনকে টার্গেট করে বিএনপি নিধনে মেতে উঠেছে। পুলিশ ও অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীকে এ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। বক্তারা বলেন, মিঠু হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে বিএনপি খুলনা অচল কর্মসূচি ঘোষণা করবে। 

খুলনা জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন কেসিসির মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, ডা. গাজী আব্দুল হক, সিরাজুল ইসলাম, আমীর এজাজ খান, গাজী তফসির আহমেদ, এডভোকেট এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মনিরুজ্জামন মন্টু, শেখ আব্দুর রশিদ, সিরাজুল হক নান্নু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, শফিকুল আলম তুহিন, মনিরুল হাসান বাপ্পী, মোল্লা মোশারফ হোসেন মফিজ, মুজিবর রহমান, শরীফ মোজাম্মেল হোসেন, দিদারুল হোসেন, আজিজুল হাসান দুলু, জি এম কামরুজ্জামান টুকু, আশরাফুল আলম নান্নু, মেহেদী হাসান দীপু, ইকবাল হোসেন খোকন, মেজবাউল আলম, জালু মিয়া, এডভোকেট গোলাম মাওলা, এডভোকেট কে এম শহিদুল আলম, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, এহতেশামুল হক শাওন, হাসানুর রশিদ মিরাজ, একরামুল কবির মিল্টন, একরামুল হক হেলাল, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শামীম কবীর, মাহববু হাসান পিয়ারু, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, ইবাদুল হক রুবায়েদ, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, শরিফুল ইসলাম বাবু, হেলাল আহমেদ সুমন প্রমুখ। 

যুবদল-স্বেচ্ছাসেবক দল-ছাত্রদল : তিন সংগঠনের জেলা শাখার উদ্যোগে নেতাকর্মীরা ভোর ৬টা থেকে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে হরতালের সমর্থনে মিছিল পিকেটিং করে। তাদের মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সকল সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এরপর দলীয় কার্যালয়ের সামনে জেলা যুবদল সভাপতি শামীম কবীরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইবাদুল হক রুবায়েদের পরিচালনায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নজরুল ইসলাম, এডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা, মনিরুজ্জামান মনি, আমীর এজাজ খান, ডা. গাজী আব্দুল হক, গাজী তফসির আহমেদ, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আব্দুর রশিদ, মনিরুল হাসান বাপ্পী, মোল্লা মোশারফ হোসেন মফিজ, তৈয়েবুর রহমান, জি এম রাসেল ইসলাম, আতাউর রহমান রনু, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, আব্দুল্লা হেল কাফি সখা, মো. জাবির আলী, শরিফুল ইসলাম বাচ্চু, গোলাম মোস্তফা তুহিন, হেলাল আহমেদ সুমন, গাজী শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। 

দৌলতপুর থানা বিএনপি : হরতালের সমর্থনে মহসিন মোড়ে সমাবেশ করেছে থানা বিএনপি। শেখ মুজিবর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন সিরাজুল হক নান্নু, বেলায়েত হোসেন, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, মুর্শিদ কামাল, শেখ ইমাম হোসেন, শরিফুল আনাম, তরিকুল ইসলাম, গাউস হোসেন, আকরাম হোসেন, আরিফ খান, মতলেবুর রহমান মিতুল, নেহিবুল হাসান নেহিম, কামাল মুনির, মুজিবর রহমান, মিজানুর রহমান, রাসেলুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম, মিনু খান, শাহজি কামাল টিপু, এরশাদ হোসেন, এস এম জসিম, মোল্লা সোহেল, হেদায়েত দিপু, মো. সাজু, আরিফুল ইসলাম, মো. সনি, মো. লিটন, আলমগীর হোসেন, মো. রানা, মৃদুল প্রমুখ। এর আগে দৌলতপুর থানা বিএনপি শোক র‌্যালী করতে চাইলে পুলিশ বাঁধা দেয়। 

খানজাহান আলী থানা বিএনপি : শিরোমনি বৈশাখী মার্কেটের সামনে সকাল সাড়ে ১০ টায় হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মীর কায়সেদ আলীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক ওহেদুজ্জামান, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, আনসার চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম শুকুর, সাইফুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন, শেখ আব্দুস সালাম মেম্বার, মোল্লা আইয়ুব হোসেন, শেখ শাহজাহান আলী, সরদার বিল্লাল হোসেন, আল আমিন হোসেন, আনোয়ার হোসেন, ফরহাদ হোসেন, ইমদাদুল হক, জাহাঙ্গীর হোসেন খোকা, সলেমান মোল্লা, শেখ সেলিম, বিল্লাল হোসেন, কচি, তারেক, ইয়াসির মিয়া, এনামুল, সুজা প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ