ঢাকা, রবিবার 28 May 2017, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ১ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মাহে রমযানের তাৎপর্য এবং আমাদের করণীয়

ড. হাসান মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন : শুক্রবার সপ্তাহের যেমন শ্রেষ্ঠ দিন, অনুরূপ রমযান হচ্ছে বছরের শ্রেষ্ঠ মাস। পবিত্র কুরআন নাযেলের কারণে এ মাসের মর্যাদা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তাই এ মাসের সোয়াব ও ফযীলত লাভের জন্য ঈমানদারগণ সর্বদা চেষ্টায় থাকেন। ব্যবসার মওসুমে বেশি মোনাফার জন্যে ব্যবসায়ীরা যেমন রাত-দিন একাকার করে মেহনত করেন, তদ্রুপ ঈমানদাররা পরকালের নাযাত ও চিরস্থায়ী জান্নাত লাভের আশায় এ মাসে কোমর বেধে ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

অতীতের মনিষীগণ রমযানের অন্তত ছ’মাস আগে থেকেই রমযান মাস নসিব হবার জন্যে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করতেন: সেই সঙ্গে গত রমযানের যাবতীয় এবাদত কবুল হবার জন্য তাঁরা মোনাজাত করতেন। মহানবী (সা.) রমযানের প্রস্তুতি শা’বান মাস থেকে নিতের এবং অন্যান্য মাসের তুলনায় তিনি শা’বান মাসে বেশি রোযা রাখতেন বলে হাদিসে উল্লেখিত হয়েছে। অন্য হাদিসে এসেছে, রজবের শুরুতে আল্লাহর নবী মুহাম্মদ (সা.) দোয়ায় বলতেন, যে, হে আল্লাহ, রজব ও শাবানকে আমার জন্য বরকতময় বানাও এবং রমযান আমার ভাগ্যে নসিব কর। আল্লাহ পাক রমযানে আমাদের জন্যে অনুগ্রহের ভা-ার মুক্ত করুন। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। জান্নাতের সকল কপাট খুলে দেন এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেন। শয়তানকে শিকল দিয়ে বেঁধে দেন। রোযাদারের প্রত্যেকটি নেক আমলের সোয়াব সাতশ’ গুণ বৃদ্ধি করেন। প্রত্যেহ রাতের বেলায় দুনিয়ার আকাশে নেমে এসে তিনি এই বলে বান্দাদের ডাক দেন যে, ‘কে আছ-আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে তাকে ক্ষমা করব। কে আছ, আমার কাছে দোয়া চাইলে তার দোয়ায় সাড়া দেব।’ ‘কে আছ-আমার কাছে কিছু চাইলে তাকে আমি সেটা দেব। এভাবে রমযানের গুরুত্ব ও ফযিলত সম্পর্কে আরও বহু কথা উল্লেক আছে। এগুলো ছাড়াও রোযাদারের জন্যে আরও বহু পুরস্কার রয়েছে যা মানুষকে জানান হয়নি। এ প্রসঙ্গে নবী করিম (সা.) এরশাদ করেন, ‘আল্লাহ পাকের কাছে রমযানের এমন বহু কিছু পুরস্কার সংরক্ষিত যে, মানুষ যদি সে সম্পর্কে জানত তবে তারা সারা বছর রমযান কামনা করত’। কাজেই যে এ মাসের সুযোগের সদ্ব্যবহার করল, সে হলো খুশনসিব। আর গোনাহর কাজে যে এ মাসকে ব্যয় করল সে হলো চরম বেনছিব। 

বনি আদমকে পথভ্রষ্ট করার জন্য শয়তান তাদের দেহের মধ্যে এমনভাবে বিচরণ করে, যেমন দেহের মধ্যে রক্ত চলাচল করে। সে কারণে মানুষ দিন-রাত গোনাহে লিপ্ত। হাত, পা, চোখ, কান, জিহ্বা এবং কল্ব-কোনটাই গোনাহ মুক্ত না। এক পর্যায়ে আল্লাহর নবী বলেছেন, ‘মানুষের জ্হ্বিা তাদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপের কারণ হয়’। সে জন্যে এ সমস্ত গোনাহ থেকে পবিত্রতা অর্জন করা প্রয়োজন, যাতে সে দুনিয়া থেকে পুত-পবিত্র হয়ে বিদায় গ্রহণ করতে পারে। 

মাতৃ¯েœহের কারণে মা যেমন নিজের আদরের বাচ্চাকে আগুনের কু-লীতে পড়তে দেয় না, তেমনি আল্লাহর কোন বান্দা দোযখে নিক্ষিপ্ত হোক সেটা তিনি কখনো কামনা করেন না। বান্দার প্রতি তাঁর ভালবাসা শিশুর প্রতি মায়ের ¯েœহের তুলনায় অনেক বেশি। মূলতঃ গোনাহ থেকে পবিত্রতা অর্জন এবং আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের জন্যে মুসলিম উম্মাহকে রমযানের রোযার উপর দেয়া হয়েছে। প্রভুর পক্ষ থেকে তাদের জন্য এটা মূল্যবান উপহার। সুস্থ্য ও সবল অবস্থায় পুনরায় এ মাসটি ভাগ্যে জোটা তাঁরই অনুগ্রহ বৈকি। তাই আল্লাহর নিয়ামতের শোকর আদায় করা কঠিন। এক্ষেত্রে শোকর করার প্রকৃত পন্থা হলো সঠিক নিয়মে এ মাসের রোযা রাখাসহ যাবতীয় এবাদত পালন করা। মনে রাখতে হবে দিনের বেলায় খানাপিনা কামনা বাসনা থেকে বিরত থাকা এবং সেই সাথে দেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে গোনাহ থেকে সংযত রাখার নাম হচ্ছে রোযা। আর এটাই হচ্ছে রোযার লক্ষ্য। রমযান মাস ছাড়া অন্য মাসে এ ধরনের প্রক্রিয়া কার্যকর সম্ভব নয় বলে তিনি এ মাসটি আমাদের জন্য মনোনীত করেছেন।

রমযানের লক্ষ্য অর্জন এবং তার শিক্ষাকে জীবনের সকল ক্ষেত্রে কার্যকর করার জন্যে কতিপয় মৌলিক কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রতিটি রোযাদারকে সে সম্পর্কে অবগত থাকা প্রয়োজন। তাই নি¤েœর কয়েকটি পরামর্শ সকলের কাছে রাখছি। 

১। রমযানে রোযা রাখার উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রথমে ধারণা সুস্পষ্ট থাকা প্রয়োজন। রোযার উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ, নিজের আমলের সংশোধন ও পরকারের মুক্তি বা নাজাত। তারপর দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করতে হবে রোযা অবস্থায় আমি আমার হাত পা, কান, চোখ, জিহ্বা এবং কল্বকে পাপ-পঙ্কিলতা হতে সাবধান রাখব। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিধানমত আমার জীবন পরিচালিত করব। 

২। কুরআন তিলাওয়াত করা। যেহেতু রমযানের সাথে পবিত্র কুরআনের সম্পর্কটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত, সেহেতু রোযাদারের সম্পর্কও কুরআনের সাথে গভীর হওয়া উচিত। দৈনন্দিন কুরআন তিলাওয়াতের সাথে যে কোন সূরা অথবা সূরার অংশ অর্থ ও ব্যাখ্যাসহ অধ্যয়ন করা উচিত। রমযানের রোযা এবং কুরআন মজিদ কিয়ামতের দিন জাহান্নামের আযাব থেকে নাজাত কামনা করে আল্লাহর নিক্ সুপারিশ করবে এবং তিনি উভয়ের সুপারিশটি গ্রহণ করবেন। এ প্রসঙ্গে একটি হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, তোমরা কুরআন পাঠ কর। কারণ রোজ কিয়ামতে এই কুরআন তাদের জন্য সুপারিশ করবে। (বুখারী)

৩। নামায পড়া। অর্থাৎ দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামায প্রতিটি মুসলমান নর-নারীর প্রতি ফরয। অতএব এব্যাপারে অবহেলা করার অবকাশ নেই। মুসলমানের প্রধান পরিচয় হলো নামায। হাশরের মাঠে প্রথমে নামায সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে। এই ফরয নামায মসজিদে জামায়াতে পড়া ওয়াজেব। ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বলের (রাহ.) মতে জামায়াত ছাড়া নামায কবুল হয় না। একা নামায পড়ার চেয়ে জামায়াতে নামাযের সোয়াব সাতাইশ গুণ বেশি। রমযানে জামায়াতে নামায পড়ায় অভ্যস্ত হওয়ার বিরাট সুযোগ।

৪। তারাবীহর নামায সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। রমযান মাসে তারাবীহর নামাজ জামায়াতের সাথে আদায়ের প্রথা রাসূলুল্লাহ (সা.) সময় হতে প্রচলিত হয়ে আসছে। নবী করিম (সা.) এরশাদ করেন, ‘ঈমানের সাথে ও সোয়াবের আশায় যে কিয়ামুললাইল সালাত পড়বে, তার অতীতের সকল গোনাহ (সগিরা) মাফ হয়ে যাবে। (বুখারী/মুসলিম)। এখানে কিয়ামুললাইল বলতে তারাবীহ ও তাহাজ্জুদের নামাজ বুঝানো হয়েছে।

৫। এস্তেগফার অর্থাৎ গোনাহ মাফ চেয়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা। এর অপর নাম তওবা। এস্তেগফারের অনেক ফায়দা রয়েছে। যেমন এস্তেগফারের ফলে রিজিক বৃদ্ধি পায়। বিপদ-আপদ ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আল্লাহর রহমত আসে, পরিবারে ও ধনসম্পদে বরকত হয়। আল্লাহর নবী (সা.) দৈনিক একশ’র অধিক এস্তেগফার পড়তেন। তওবা কবুলের জন্য মোট চারটি শর্ত উপস্থিত থাকতে হয়। এক. গোনাহকে মন দিয়ে ঘৃণা করা। দুই. গোনাহের কাজ সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করা। তিন. গোনাহ না করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করা। কোন ব্যক্তির অধিকার নষ্ট হলে ঐ ব্যক্তির কাছ থেকে তা মাফ চাওয়া। অথবা সেটা তার কাছে ফেরত দেয়া। আর সেই লোক মারা গেলে অথবা তার কোন সন্ধান না পাওয়া গেলে তার জন্যে দোয়া করা। এ চারটি শর্ত একঙ্গে না পাওয়া গেলে তওবা কবুল হয় না বলে আরেম ও শরীয়তের বিশেষজ্ঞদের ঐকমত্য রয়েছে।

৬। দোয়া কবুলের বিশেষ বিশেষ সময় রয়েছে। যেমন ৫ ওয়াক্ত নামাযের শেষে দোয়া, আযান ও একামতের মধ্যবর্তী সময়ের দোয়া, শেষ রাতের দোয়া, ইফতারের সময়ের দোয়া, রোযা অবস্থায় দোয়া, শুক্রবার আসর থেকে মাগরেব পর্যন্ত সময়ের দোয়া ইত্যাদি। তবে হারাম উপার্জনকারী, অবৈধ খাদ্যভক্ষণকারী এবং জালেমের দোয়া কখনো কবুল হয় না। রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, যদি কেউ অন্য কোন ভাইয়ের ইজ্জতের উপর হামলা করে থাকে অথবা অন্যায়ভাবে তার কোনকিছু নিয়ে থাকে তবে সে যেন সেদিনের আগেই তার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেয়, যেদিন তার পয়সা-কড়ি কিছুই কাজে আসবে না। আত্মীয়তার সম্পর্ক বিচ্ছেদকারীর দোয়া কবুল হয় না।

৭। তাহাজ্জুদের নামায। আল্লাহর নিকট এ নামাযের অনেক সোয়াব ও ফযিলত রয়েছে। রাতের শেষার্ধে একটি সময় নির্দিষ্ট করে তাহাজ্জুদ নামায পড়ার চেষ্টা করতে হবে। তিরমিযিতে বর্ণিত হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘হে লোকেরা, সালাম বিনিময়কে প্রসারিত করো। মানুষকে খেতে দাও। আত্মীয়তার বন্ধনকে অটুট রাখ। নিশি রাতে মানুষ যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন নামায (তাহাজ্জুদ) পড়। তবে নিরাপদে জান্নাতে যাবে’।

৮। রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতসমূহকে কদরের রজনী যেনে সারারাত একাদতে মগ্ন থাকা উচিত। এ রাতের বহু ফযিলত। যেমন: এক. মানবজাতির হেদায়াত ও কল্যাণের উদ্দেশ্যে পবিত্র কুরআন এ রাতে নাযিল হয়। দুই. কদরের রাত হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। তিন. রহমতের ফিরিশতাগণ মোমেনদের জন্য কল্যাণ বহন করত এ রাতে দুনিয়ায় অবতরণ করেন। চার. এ রাতে দোযখবাসীদের জন্যে ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। পাঁচ. মোমেন রোযাদারের দোয়া কবুল হয়। নবী (সা.) রমযানের শেষ দশ দিনের রাতে ঘুমাতেন না। তিনি স্বয়ং জেগে থাকতেন এবং পরিবারের সবাইকে জাগ্রত রাখতেন।

৯। শেষ দশ দিন এতেকাফ করা। আমাদের নবী মুহাম্মদ (সা.) প্রতি রমযানের শেষ দশ দিন এতেকাফ করতেন। আয়েশা (রা.) বর্ণিত হাদিসে বলা হয়েছে, আল্লাহর নবী জীবনের শেষ রমযানে একাধারে বিশ দিন এতেকাফ করেন। দুনিয়ার চিন্তা ব্যস্ততা ও কাজকর্ম ইত্যাদি থেকে মুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট সময়ে আল্লাহর ঘরে অবস্থান করাকে এতেকাফ বলা হয়। এটাও রমযানের একটি বৈশিষ্ট্য। মাসের শেষ দশ দিন অথবা নয় দিন এতেকাফ করা সুন্নত। তিন দিন এতেকাফ করা সুন্নতের খেলাফ।

১০। সম্মিলিত ইফতার করা। অর্থাৎ কোন রোযাদারের সঙ্গে নিয়ে ইফতার করা। এতে করে নিজের ও অন্যভাইকে ইফতার করানোর সোয়াব পাওয়া যায়। তবে ঐ রোযাদারের সোয়াবে কোন ঘাটতি হবে না। (তিরমিযি)

১১। শক্তি ও সামর্থ্য থাকলে হারাম শরীফে উমরা পালন করা। এই উমরার ফযিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, রমযানে উমরাহ পালনকারী একটি হজ্জের সোয়াব পাবে। অন্য হাদিসে, ‘আমার সাথে হজ্জ করার সমান সোয়াব পাবে উল্লেখ রয়েছে।

১২। রমযানের মধ্যে সদকা ফিতর আদায় করা। ঈদের নামাযের আগে ফিতরা দিতে বিলম্ব করা মাকরূহ। এ প্রসঙ্গে এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ফিত্্রা হচ্ছে রোযাদারের পাপ ও অশ্লীলতার পবিত্রকারী। সেই সাথে এই ফিৎরা ফকির ও অভাবীদের জন্য খাদ্যের বস্তু। (আবু দাউদ) অন্য এক হাদিসে তিনি এরশাদ করেন, ‘কোন অভাবগ্রস্ত ভাইয়ের মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলা, তার ক্ষুধার যন্ত্রণা দূর করা এবং তাকে পেরেশানিমুক্ত করার ফলে ভাইয়ের মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলা, তার ক্ষুধার যন্ত্রণা দূর করা এবং তাকে পেরেশানীমুক্ত করার ফলে নিজের গোনাহ মাফ হয়’।

১৩। যিকির করা। সব সময় আল্লাহকে স্মরণ করাকে যিকির বলা হয়। কুরআন ও হাদিসে যে সমস্ত দোয়া উল্লেখ্য আছে সেগুলো পড়া। অবসর সময়ে অনর্থক কথাবার্তা না বলে আল্লাহকে ডাকা, তাঁর হামদ তাসবিহ ও তাঁর তাকবীর উচ্চারণ করা উচিত। রাসূল (সা.) বলেন, আল্লাহর যিকির দ্বারা তোমরা জিহ্বাকে সিক্ত রাখো।

১৪। মৃত্যুকে স্মরণ করা। সবার মত আমাকেও এ দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে হবে। পরকালে যাত্রার জন্য আমার হাতে কোন সম্বল পর্যাপ্ত কিনা সেদিকে নজর রাখতে হবে এবং মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে মৃত্যুর স্মরণ থাকা অবস্থায় মানুষ পাপে লিপ্ত থাকতে পারে না। আল্লাহর রাসূল (সা.) বেশি বেশি মৃত্যুকে স্মরণ করতে বলেছেন।

১৫। মাহে রমযানের শেষ পর্যায়ে নিজ কাজকর্মের সার্বিক মূল্যায়ন করতে হবে। এ মাসে কতটুকু নেক আমল করা সম্ভব হলো আর কতটুকু সম্ভব হয়নি তার হিসাব নিয়ে; দুর্বলতা ও অন্যায়ের জন্যে আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে নিতে হবে। ভবিষ্যতে এ অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় সে জন্য প্রতিজ্ঞা করতে হবে। যতটুকু সৎ আমল করা সম্ভব হয়েছে তার জন্য তাঁর কাছে শোকর গুজার হতে হবে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ