ঢাকা, বুধবার 31 May 2017, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২8, ৪ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী রমযানকে পুঁজি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়াচ্ছে

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা: বরিশালের আগৈলঝাড়ায় রমজানকে পুঁজি করে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। বাজার মনিটরিং না থাকায় সরকারের নির্ধারিত কিছু পন্যের দাম নির্ধারণ করলেও কোনো বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না। উপজেলার সদর সহ বিভিন্ন বাজারে জিনিসপত্রের দামের পার্থক্য লক্ষ করা গেছে। তবে উপজেলা সদর বাজারে অন্যান্য বাজারের তুলনায় দাম বেশী বলে লক্ষ করা গেছে। যা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বাজার করতে গিয়ে এর স্বীকার হলেও সম্মানের কারনে তারা বাইরে কিছু বলতে পারছেননা। উপজেলা প্রশাসন থেকে বাজার মনিটরিং না করায় মুনাফালোভি ব্যবসায়ীরা সুযোগ বুঝে নিজেদের ইচ্ছেমত দাম হাকিয়ে পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করছে। তাদের নির্ধারিত দামে পন্য কিনতে স্বল্প আয়ের ক্রেতাদের নাভিস্বাস উঠেছে। উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন বাজারে গত সপ্তাহের চেয়ে বর্তমানে রমজান উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের মূল্য কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা বেশী দামে বিক্রি হচ্ছে। বেশী মূল্যের পাশাপাশি ভেজালে সয়লাব রয়েছে প্রতিদিনকার ইফতার সহ বিভিন্ন খাদ্য পন্যে। শনিবার উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে সয়াবিন প্যাকেট প্রতি কেজি ১শ’ ১০ টাকা দর থাকলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ১শ ২০ টাকায়। গত সপ্তাহে আখের গুড় প্রতি কেজি ৭০ টাকা থাকলেও বর্তমানে ৮০ টাকা, ছোলাবুট গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ৮০ টাকা বর্তমানে ৯০ টাকা, বেগুন গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ২৫ টাকা, বর্তমানে ৪০ টাকা, মশুর ডাল গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ডাল ৮০ টাকায় বর্তমানে ১০০ টাকা, দেশী পিয়াজ গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ৩০ টাকার স্থলে বর্তমানে ৪০ টাকা, আটা (প্যাকেট) ৩০ টাকা, শসা গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ২০ থেকে ২৪ টাকা বর্তমানে ৩০ থেকে ৩২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের ২০ টাকার আলু বর্তমানে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য পূর্বের চেয়ে বর্তমানে ৫-১০ টাকা বেশী দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ফলের বাজারে অধিক দাম সহ ফরমালিন যুক্ত আমে সয়লাব থাকলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। অধিক মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সাধারণ লোকজন বাজারে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। স্বল্প আয়ের লোকজন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র না কিনে খালি হাতে ফিরছেন, এর প্রভাব পরছে রমজানে। ক্রেতাদের অভিযোগ উপজেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং করতে মাঠে না নামায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ