ঢাকা, বুধবার 31 May 2017, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২8, ৪ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কুমারখালীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞার পরেও সড়কে নসিমন ॥ প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা

মাহমুদ শরীফ, কুমারখালী (কুষ্টিয়া) : আদালতের নিষেধাজ্ঞা, সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রীর হুশিয়ারির পরেও কুমারখালীসহ কুষ্টিয়ার সব সড়কে স্যালো চালিত অবৈধ নসিমন, করিমন, আলম সাদু, বাটা হামরা, ট্রলি নামের পরিবহন চলছেই। এই পরিবহনের চালকরা এ সংক্রান্ত কোন বিধি-নিষেধ মানছেন না।
প্রশাসনসহ বিভিন্ন মহলকে ব্যবহার করেই নসিমন চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ২৫শে জানুয়ারি দেশের সব মহাসড়কে অবৈধ নসিমন পরিবহন চালানো বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। তবুও প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার নির্দেশ ও তাদের ব্যবহার করেই সড়কে চলছে নসিমনসহ এ জাতীয় মরণযান পরিবহন। মহাসড়কে চলাচল করা এসব যানবাহন থেকে প্রকাশ্যে আদায় করা হচ্ছে চাঁদা। অভিযোগ আছে, চাঁদার ভাগাভাগিতে প্রশাসনসহ দলের লোকজনও জড়িত। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নসিমন চালক বলেন, নসিমন চালানো জন্য পুলিশ ২০ টাকা নেয় আর দালালরা নেয় ৩০ টাকা। এদিকে যারা চাঁদা তুলেন তারা উপরের মহলের কথা বলে টাকা তুলে নিয়ে যায়।
অন্যদিকে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী সড়কের কুমারখালী বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় চাঁদা তোলা এক ব্যক্তি বলেন, উপরের মানুষই আমাকে টাকা তোলার জন্য পাঠিয়েছে তাই আমি এসেছি, এই টাকা তাদের কাছেই চলে যায়। স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসনের প্রশ্রয়ই চলছে সড়ক ও মহাসড়কে পরিবহন নসিমন ।
 এ স¤পর্কে কুষ্টিয়ার বিআরটিএর সহকারি পরিচালক মো. আশরাকুর রহমান বলেন, ‘হাইকোর্টের নির্দেশনা আছে বৈধ যে থ্রি হুইলার আছে সেইসব পরিবহনও মহাসড়কে চলাচল নিষেধ- আর নসিমন তো প্রশ্নই আসে না’। চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি মহাসড়কে নসিমন পরিবহন মুক্ত করার কাজ চলছে বলে সম্প্রতি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ