ঢাকা, শুক্রবার 02 June 2017, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২8, ৬ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মূল্যস্ফীতির হার ৫.৫  শতাংশ নির্ধারণ 

 

স্টাফ রিপোর্টার : মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন। 

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, চলতি অর্থ বছরের মার্চ মাস নাগাদ ১২ মাসের গড়ভিত্তিক সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ। গত বছর এই সময়ে ছিল ৬ দশমিক ১০ শতাংশ।

২০১৭-১৮ অর্থ বছরে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ঠিক করে বর্তমান সরকারের চতুর্থ বাজেট ঘোষণা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে আমাদের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা যেখানে ছিল ৭ দশমিক ২ শতাংশ সেখানে জিপিডির হার দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। 

তিনি বলেন, গ্যাসোলিন এবং অন্যান্য জ্বালানি সংশ্লিষ্ট পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় অধিকাংশ বিকাশমান ও উন্নয়নশীল দেশে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাবে। উন্নয়নশীল দেশে ২০১৭ সালে ভোক্তা মূল্যস্ফীতি ৪ দশমিক শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ হতে পারে বলে প্রক্ষেপণ রয়েছে। 

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব পণ্য ও সেবা বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি ২০১৬ সালের ২ দশমিক ২ শতাংশ হতে বেড়ে ২০১৭ সালে ৩ দশমিক ৮ শতাংশে উন্নীত হবে। 

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বিগত অর্থ বছর শেষে ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি ছিল ১০ দশমিক ৩ শতাংশ যা বিগত ৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। মূলত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকা , সুদের হারের নি¤œ গতি এবং বিনিয়োগের বাধা সমূহ অপসারণে সরকারি উদ্যোগের কারণে বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুন:প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় বিনিয়োগে গতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরের মার্চ শেষে ব্যাপক মুদ্রা সরবরাহের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ এবং রিজার্ভ মুদ্রার প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকা, সহায়ক রাজস্ব ও মুদ্রা নীতি এবং সন্তোষজনক কৃষি উৎপাদন এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নে চলতি অর্থ বছর শেষে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যেই থাকবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ