ঢাকা, শনিবার 03 June 2017, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২8, ৭ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

প্লাস্টিক ক্রোকারিজের ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি বিপিজিএমইএ’র

 

স্টাফ রিপোর্টার : প্রস্তাবিত বাজেটে প্লাস্টিক ক্রোকারিজের ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারকও রফতানি কারক এসোসিয়েশন বিপিজিএমইএ। গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। 

এতে বলা হয়, বর্তমান বাজেটের বিশেষ দিক শিল্প দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক কল্যান অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার বিশেষ নজর দেয়ায় বিনিয়োগের পরিমাণ ৫-৬ শতাংশে উন্নীত করায় বর্তমান সরকারের সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগে সরকার আরও সচেষ্ট হবেন আশা করছি। 

সংগঠনের সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, মূসক ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিজস্ব ক্রেডিট চেইন ভুক্ত বৃহৎ দেশি-বিদেশি শিল্প-ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত উদার ও সহজ মূূসক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। মূসক মুক্ত টার্নওভারের সীমা ৩০ লক্ষ টাকা হতে ৩৬ লক্ষ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। টার্নওভার করের উর্দ্ধসীমা ৮০ লক্ষ টাকা হতে বাড়িয়ে ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। 

তিনি বলেন, টিভি ফ্রিজ রেফ্রিজারেটরসহ বিপুলসংখ্যক আইটেম মূসকের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে এ জন্য আমরা সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। শ্রমঘণ স্বল্প পুঁজির ছোট খাট কারখানা কর্তৃক উৎপাদিত গ্রামে গঞ্জের নিম্ন আয়ের মানুষের ব্যবহার্য্য দৈনিক নিত্য প্রয়োজনীয় ৩৯.২৪ ভুক্ত সংশ্লিষ্ট এইচ এস কোড পণ্য প্লাস্টিক ক্রোকারিজ আইটেম সমূহ এবং প্লাস্টিক রি-সাইক্লিং শিল্প সহ ২০১৭-২০১৮ বাজেটে বিদ্যমান সকল মূসক অব্যাহতি প্রাপ্ত খাতেও প্রদত্ত সুবিধা অব্যাহত রাখার জন্য সবিশেষে অনুরোধ করছি। 

ভোক্তা ও ব্যবসা বান্ধব মূসক ব্যবস্থা বলবৎ করার জন্য দেশের ৮৫% ক্ষুদ্র মাঝারি পণ্য ও সেবা খাতে নিয়োজিত ব্যবসায়িদের স্বার্থ ও সমর্থ অনুযায়ী মূসক ব্যবস্থায় সংগঠনের পক্ষ থেকে কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়। 

প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে রয়েছে-- র্টানওভারের উর্দ্ধসীমা ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা (১.৫ কোটি টাকার টার্নওভার অপ্রতুল ও বাস্তব সম্মত নয়) থেকে ৫ কোটি নির্ধারণ করে করের হার প্রস্তাবিত ৪% হতে ৩% নামিয়ে আনা; উপকরণ রেয়াত গ্রহন করা না গেলে সে সকল খাতে ২৬.৬৪% মূল্য সংযোজন হিসাব করে ১৫% হিসেবে ৪% ভ্যাট ধার্য্য করা; এক্সাইজ এ- সল্ট অ্যাক্ট,১৯৪৪ এর অধীনে ব্যাংকে রক্ষিত ১ লক্ষ টাকার উর্দ্ধে জমার উপরে আবগারী শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়েছে। সাধারণ সঞ্চয়, ব্যবসা বাণিজ্যে পরিচালনা সহ প্রবাসী বাংলাদেশীদের অর্থ লেনদন কার্যক্রম ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করার উৎসাহিত করার জন্য ও আর্থিক খাতে স্বচ্ছতার নিশ্চয়তার জন্য এ আবগারী শুল্ক প্রত্যাহার করা;

তিনি বর্তমান সরকারের স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় স্বার্থে ২০১৭-১৮ সালের বাজেট বাস্তবায়নে সরকারকে অধিকতর দক্ষতা জবাবদিহিতা ও সুলভ অর্থায়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ