ঢাকা, সোমবার 05 June 2017, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২8, ৯ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

আমতলীতে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ

আমতলী (বরগুনা) সংবাদদাতা: বরগুনার আমতলীতে  জমি দখল করার জন্য একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে   হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  জানা গেছে কুকুয়া গ্রামের জয়নাল বয়াতী গং ও একই  গ্রামের  মোঃ হানিফ মুছুল্লী, নাসির মুছুল্লী ,সুলতান মুছুল্লী,নাইম মুছুল্লী গংদের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , কুকুয়া  গ্রামের মোঃ রাজ্জাক হোসেন রাজা মুছুল্লী, শাহ আলম মুছুল্লী গং জেলা বরগুনা ষ্টেশন সাব-রেজিষ্টার আমতলী জে.এল ১৪ নং কৃষ্ণনগর মৌজার এস,এ ৭২ নং খতিয়ানের ৩৫৩৬/৩৫৩৫ নং দাগ দিয়া ৬২ শতাংশ সম্পত্তি কবলা মূলে খরিদ করে যাহার দলিল নং ৫৬০২ রেজিঃ এবং ২৭/১২/২০১০ দাতা আজিজুল হক সহ ৪জন। একই জেলা একই স্টেশন একই জে.এল একই মৌজার এস.এ ৩৬৯ নং খতিয়ানের ও ৩৫৩৬/৩৫৩৫ নং দাগ দিয়া ৩০ শতাংশ জমি  জয়নাল বয়াতীর  চাচা মোঃ মুনসুর আলী মুছুল্লী ধলু গাজীর নিকট থেকে কবলা মূলে খরিদ করেন। যাহার দলিল নং ৩৩১ রেজিঃ তাং ২৬/০১/১৯৮২ সালের কবলা দলিল মুলে ভোগ দখল করিয়া আসিতেছে।
কিন্তু একই এলাকার মোঃ হানিফ মুছুল্লী নাসির মুছুল্লী ,সুলতান মুছুল্লী,নাইম মুছুল্লী, অসৎ উদ্দেশ্যে চরিতার্থ করার জন্য জয়নাল বয়াতীর  আত্মীয়দের কবলাকৃত সম্পত্তিতে জোরপূর্বক ঘর উত্তোলন করিতে গেলে  জয়নাল বয়াতীর আত্মীয়রা  বাধা নিষেধ করিতে গেলে হানিফ মুছুল্লি  গংরা  মারধর করে।
কিন্তু এ ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য  মিথ্যা ঘটনা সাজাইয়া হানিফ মুছুল্লী বাদী হইয়া দঃ বিঃ ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩৭৯/৫০৬/১১৪ ধারা মতে আমতলী থানায়  জয়নাল বয়াতী ও তার আত্মীয়দের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন যাহা আমতলী থানার মামলা নং ০১ তাং ০১/০৪/২০১৭ ইং আমতলী বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট আদালতে মামলা নং জি আর ১১৫/১৭ (আম) অত:পর নাসির মুছুল্লীর স্ত্রী মোসাঃ ডলি বেগমকে বাদী করিয়া মোকাম বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল বরগুনা আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(৩)/৩০ ধারা মতে মিথ্যা মামলা করে যাহার এম পি মামলা নং ২২৬/২০১৭ যাহা আমতলী থানায় তদন্তাধীন আছে।
এ ব্যাপারে   মামলার বাদী হানিফ মুছুল্লী  মুঠোফোনে তার বিরুদ্ধে  আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। হানিফ মুছুল্লির দায়েরকৃত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা  এস আই মাসুদ বলেন মামলার তদন্ত চলছে।  ডলি বেগমের দায়েরকৃত নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার  তদন্ত কর্মকর্তা  আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) বলেন, মো. নুরুল ইসলাম বাদল মুঠোফোনে জানান  মামলাটির তদন্ত চলছে।  তদন্ত শেষ হলে কোর্টে প্রতিবেদন দেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ