ঢাকা, মঙ্গলবার 06 June 2017, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২8, ১০ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

পরিবেশ রক্ষায় সরকার হঠানোর বিকল্প নেই -মির্জা ফখরুল

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে গতকাল সোমবার আইবিই সেমিনার হলে বিএনপি আয়োজিত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর -সংগ্রাম

 

স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার সুপরিকল্পিতভাবে পরিবেশ ধ্বংস করার মতো কিছু প্রকল্প হাতে নিয়েছে। তাই দেশের পরিবেশ রক্ষায় সরকারকে হঠানো ছাড়া বিকল্প কিছু নেই। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে গতকাল সোমবার দুপুরে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও বাংলাদেশে পরিবেশ ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট মাহফুজ উল্লাহ।

বিএনপির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সহ-সম্পাদক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপুর সঞ্চালনায় এবং ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল বাশার, দৈনিক দিনকালের সম্পাদক ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী, সেভ দ্য সুন্দরবনের চেয়ারম্যান ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ওবায়দুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার সুপরিকল্পিতভাবে এমন কিছু প্রকল্প গ্রহণ করেছে যেগুলো পরিবেশকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। এ প্রকল্পগুলোর মধ্যে আছে ব্যক্তিগত স্বার্থ, আছে দুর্নীতি। রামপালে কয়লাভিক্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, যে সরকার মানুষের অধিকার দেয় না, বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নিচ্ছে এবং চারপাশের পরিবেশ বসবাসের অনুপযুক্ত করে তুলছে। যে সরকার আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেয়, জানমালের ক্ষতি করে এমন পরিবেশবিরোধী সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সরকারকে হঠানো ছাড়া কোনো পথ নেই। সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার স্বার্থে, দুর্নীতির স্বার্থে এ পরিবেশ বিধ্বংসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ অবস্থায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলে পরিবেশকে রক্ষা করতে হবে। 

সাবেক এ প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে দেশে রাজনৈতিক এবং রাষ্ট্রীয় বৈরী পরিবেশ বিরাজমান। এ পরিস্থিতিতে কথা বলার স্বাধীনতা, আইনের শাসন ও মানবাধিকার নেই। তিনি বলেন, যেখানে দুর্নীতি জড়িত রয়েছে, সেখানে ক্ষমতায় টিকে থাকার ব্যাপার রয়েছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ