ঢাকা, মঙ্গলবার 06 June 2017, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২8, ১০ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

‘দুর্নীতির শিকড়ের অনুসন্ধান করে  তা উৎপাটনের চেষ্টা করা হবে’

বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দুদক আইন সংশোধনের পর তাতে অসন্তুষ্ট হয়ে দুদকের তৎকালীন চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বিদায় বেলায়ও বলে গিয়েছিলেন, দুদক একটি ‘টুথলেস টাইগার (দন্তহীন বাঘ)’। তার বিদায়ের পর দুদকের দায়িত্ব নিয়ে সাবেক আমলা ইকবাল মাহমুদ নানা তৎপরতা চালাচ্ছেন দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটিকে কার্যকর করতে।

‘দুদকের হাত অনেক লম্বা। কিন্তু আমাদের সক্ষমতার অভাব, জনবলের অভাব।’-এমন মন্তব্য করে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দুদক চেয়ারম্যান আরো বলেন,দুর্নীতি দমনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গীকার। এবারের বাজেটে আমরা যে পরিমাণ অর্থ চেয়েছি, তা পেয়েছি। এটা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ। 

তিনি বলেন, দুর্নীতির কারণেই মানুষ সরকারি সেবা পায় না, কালোটাকার সৃষ্টি হয়, সেই টাকাই বিদেশে পাচার হয়, দুর্নীতির টাকাই সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহৃত হয়। আর ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের জনগণ, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে পরবর্তী প্রজন্ম। আমরা সবাই মিলে এমন একটা দেশ রেখে যেতে চাই, যেখানে দুর্নীতির কালো ছায়া থাকবে না। অর্থ পাচার প্রতিরোধে দুদকের কাজ করার ক্ষেত্রে কৌশলী ভূমিকার কথাও বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, টিআইবি ও দুদকের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অভিন্ন। তবে টিআইবি শুধু প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। প্রতিকারমূলক কার্যক্রমের একমাত্র কর্তৃপক্ষ দুদক। তিনি বলেন, কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে কিছু কার্যক্রমের ফলে কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থা যেমন বেড়েছে, তেমনি প্রত্যাশাও বেড়েছে। তাই সবার উচিত কমিশনের পাশে দাঁড়ানো। যার যার অবস্থান থেকে দুদককে সাহায্য করতে হবে।

এ সময় দুদকের কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে গণশুনানি একটি কার্যকর পদ্ধতি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দুদক সচিব আবু মো. মোস্তফা কামাল, মো. মঈদুল ইসলাম, ফরিদ আহমদ ভূঁইয়া, মো. আসাদুজ্জামান, মো. আতিকুর রহমান খান, মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ