ঢাকা, বুধবার 14 June 2017, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২8, ১৮ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

বাদল রায়ের জন্য সম্মিলিত ক্রীড়া পরিবারের উদ্যোগে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

স্পোর্টস রিপোর্টার : প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন ও বাদল রায়ের জন্য সম্মিলিত ক্রীড়া পরিবারের উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টায় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল হয়েছে। ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন সাবেক তারকা ফুটবলার ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক বাদল রায়। বর্তমানে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। উল্লেখ্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বাদল রায়কে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছিলো সিঙ্গাপুরে। গত বুধবার সন্ধ্যায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সাবেক এ ফুটবলারকে সিঙ্গাপুরের গ্লিনেগেলস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রায় ৪ ঘন্টা ধরে বাদল রায়ের মস্তিস্কে সফল অস্ত্রোপচার করা হয়। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন তিনি। এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হারুনুর রশিদ বলেন, ‘আমরা সবাই বাদল রায়ের সুস্থতার জন্য দোয়া  করছি সব সময়। তবে বাদলের যে অবস্থা ছিল যদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্যোগ নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে না পাঠাতেন তাহলে আমার মনে হয় বাদলকে বাঁচানো কঠিন হতো। তাই আমরা সবাই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। তার চিকিৎসার ব্যাপারে সাংবাদিকদের অবদানও অনস্বীকার্য।’ এদিকে সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত বাদল রায়ের স্ত্রী মাধুরী রায় জানিয়েছেন, ‘আমার স্বামীর উন্নত চিকিৎসার জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদার বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শুধু ক্রীড়াঙ্গনের মানুষদের নয়, সাংস্কৃতিক জগতের ব্যক্তি ও সাংবাদিকদেরও বিপদে-আপদে সবসময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে থাকেন। বাদল রায়কে তিনি যেভাবে সাহায্য করেছেন, তা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, এমপি বলেন, ‘বাদল রায়ের সিঙ্গাপুর থেকে সুস্থ দেহে ফিরে আসুন, এজন্য দেশবাসীর নিকট দোয়া কামনা করছি।’ এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন সাইদুর রহমান প্যাটেল, দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুল, আক্তার হোসেন, কায়সার হামিদ, আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চুন্নু, আবদুল গাফফার, অশোক কুমার বিশ^াস, মেহরাব হোসেন অপি, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোঃ আলমগীর, হাসানুজ্জামান খান বাবলু, আসাদুজ্জামান কোহিনুর, মোঃ ইয়াহিয়া, আহমেদুর রহমান বাবলু, কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল, ইমতিয়াজ খান বাবুল প্রমুখ। উল্লেখ্য আশির দশকে বাংলাদেশের ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা বাদল রায় তাঁর ক্যারিয়ারের পুরো সময়টা কাটিয়েছেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে। জাতীয় ফুটবল দলেও খেলেছেন দীর্ঘ দিন। ১৯৮১ ও ১৯৮৬ সালে মোহামেডানের অধিনায়ক ছিলেন বাদল রায়। ৮৬ সালে মোহামেডান লিগ শিরোপা জয় করে। ১৯৮২ সালে দিল্লিতে মালয়েশিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশ এশিয়ান গেমসের ফুটবলে প্রথম জয় তুলে নেয় বাদল রায়ের গোলেই। ১৯৯০ সালে খেলা ছাড়ার পর তিনি রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে জড়িয়েছেন। নব্বইয়ের দশকে বেশ কয়েকবার মোহামেডানের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ