ঢাকা, বুধবার 14 June 2017, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২8, ১৮ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

অধ্যাপক মুহাম্মদ ফরিদউদ্দিন খানের ইন্তিকালে তমদ্দুন মজলিসের শোক

তমদ্দুন মজলিসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সিনিয়র সহসভাপতি বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও অনুবাদক অধ্যাপক মুহাম্মদ ফরিদউদ্দিন খান ইন্তিকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত বক্ষব্যাধি ও শ্বাসকষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে বারডেম হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর গতকাল ভোর রাতে তিনি ইন্তিকাল করেন। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জানাযা শেষে তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ফরিদউদ্দিন খান ১৯৫০ সনের একুশে ফাল্গুন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানাস্থ বিটঘর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ ও ১৯৭৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৭ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি ইরানে অবস্থান করেন। তিনি ১৯৮২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন। এরপর তিনি ১৯৯৬ সালের শেষের দিকে ইরান থেকে প্রত্যাবর্তন করে বাংলাদেশে আসেন এবং ঢাকায় অবস্থান করেন। তিনি ছিলেন একাধারে লেখক, গবেষক ও অনুবাদক। তিনি বহু গ্রন্থ রচনা ও অনুবাদ করেন তন্মধ্যে ছোট বেলায় প্রিয়নবী (সা.), ইমাম খোমেনীর কবিতা, পশু-পাখির গল্প, আজব শিশু, প্রেম ও প্রতিরোধের বাণী এবং শাহাদতের আরজু ইত্যাদি।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ফরিদউদ্দিন খানের মৃত্যুতে তমদ্দুন মজলিস পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে সেই সাথে তার রূহের মাগফিরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। তমদ্দুন মজলিসের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মুহাম্মদ ফরিদউদ্দিন খানের মৃত্যুতে পৃথক পৃথক শোক বাণীতে বলেন, অধ্যাপক মুহাম্মদ ফরিদউদ্দিন খানের মৃত্যুতে তমদ্দুন মজলিসের যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ হবার নয়। তিনি তমদ্দুন মজলিসের জন্য অনেক মেধা, শ্রম, অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে মজলিসের সাফল্যের জন্য যা করেছেন তার জন্য তমদ্দুন মজলিস রিবার চির কৃতজ্ঞ। আল্লাহ তাকে উত্তম পুরস্কার দান করুন।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ফরিদউদ্দিন খানের রূহের মাগফিরাত কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ