ঢাকা, বৃহস্পতিবার 15 June 2017, ০১ আষাঢ় ১৪২8, ১৯ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ইসলামী আদর্শকে বিজয়ী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে -ড. হেলাল উদ্দিন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ধানমন্ডি থানার উদ্যোগে গতকাল বুধবার স্থানীয় একটি  রেস্টুরেন্টে রমযানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর এডভোকেট জসীম উদ্দিন তালুকদারের সভাপতিত্বে ও থানা সেক্রেটারি আবু সাদাত মোহাম্মদ আলী’র পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন থানা কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ যথাক্রমে মো: মোস্তাফিজুর রহমান, শেখ মিজানুর রহমান, মাওলানা আবদুল গাফফার প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, পবিত্র মাহে রমযানে মহাগ্রন্থ আল কুরআন নাযিল হয়েছে পথ প্রদর্শক ও সত্য মিথ্যার পার্থক্য সৃষ্টিকারী হিসাবে। এ জন্য রমযান মাস আত্মগঠন ও তাকওয়া অর্জনের মাস। হাদিস শরীফে এসেছে: আল্লাহ রাব্বুল আলামিন রমযান মাসে একটি নফল ইবাদত অন্য মাসের একটি ফরজ ইবাদতের সমান এবং একটি ফরজ ইবাদত অন্য মাসের সত্তরটি ফরজ ইবাদতের সমান সওয়াব প্রদান করেন। তাই এ মাসের মাহাত্মকে কাজে লাগিয়ে সকলকে কুরআনের আলোকে জীবন গড়ার প্রচেষ্টা চালাতে হবে। রমযান মাসে আছে শবে কদরের রাত, এই রাতে ইবাদত-বন্দেগী ও এতেকাফের মাধ্যমে আমাদেরকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।
তিনি বলেন, ১৭ই রমযান বদর দিবস। এই দিবসের শিক্ষা হচ্ছে সকল অন্যায়, জুলুম ও খোদাদ্রোহী শক্তির মূেলাৎপাটন করে ইসলামী আদর্শকে বিজয়ী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। তাই আমাদের আল্লাহর দ্বীন ইসলামকে সকল মতবাদের উপরে বিজয়ী করার আন্দোলনে শরীক হতে হবে।
তিনি আরো বলেন, রমযান পবিত্র মাস। এ মাসে প্রত্যেক মুসলমানের  নৈতিক দায়িত্ব হলো  রোজা পালনে একে অন্যের সহযোগিতা করা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও  দেশের অসাধু ব্যবসায়ীদের একটি চক্র সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মাত্রাতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধি করে  দেয়। ফলে  খেটে খাওয়া সাধারণ মুসলমানদের জন্য সাহরি ও ইফতারির প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। তিনি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির মূল্য কমিয়ে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসার জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ