ঢাকা, বৃহস্পতিবার 15 June 2017, ০১ আষাঢ় ১৪২8, ১৯ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে হতাহতের ঘটনায় শ্রমিক কল্যাণের শোক

চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও বান্দরবানে পাহাড় ধসে ১৩২ জনসহ চার  সেনা সদস্যর প্রাণহানির ঘটনায় গভীর  শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ খান। গতকাল বুধবার দেয়া যৌথ শোকবার্তায় তারা এই শোক প্রকাশ করেন।
 নেতৃদ্বয় বলেন, পাহাড়ের ঢালে বসতি গড়ে তুলছেন সধারণত নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। পাহাড় কেটে  বসবাসের জায়গা তৈরি করা হয়। যার ফল এই ধস আর মৃত্যু। নেতৃদ্বয় অত্যন্ত ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পাহাড় এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশের প্রশাসন। অথচ প্রশাসনের দুর্নীতির কারণেই এই মানুষগুলো অবাধে সুযোগ পাচ্ছে এই মৃত্যুকুপে বসবাসের। আর পাহাড় নিয়ে ব্যবসা করছেন এদেশের বড় বড় নেতা- মন্ত্রীরা। পাহাড় কাটায় চিহ্নিত রাজনৈতিক নেতাদের প্রচ্ছন্ন সমর্থন, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী, ইটভাটা-মালিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা জড়িত রয়েছে। কিন্তু প্রতিকার হয় না কোনো। দিব্যি মানুষ পাহাড় কেটে বসতি স্থাপন করছে আর প্রাণ দিচ্ছেন।
 নেতৃদ্বয় বলেন, চট্টগ্রামে এবং রাঙামাটি পাহাড় ধসের ঘটনা নতুন কিছু নয়। বিগত ১০ বছরে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার ছোট-বড় ১০টি পাহাড় ধস ও ভূমি ধসের ফলে অন্তত তিন শতাধিক নারী-পুরুষ ও শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। যা সরকারের চরম ব্যর্থতার একটি বড় উদাহরণ।
 নেতৃবৃন্দ, সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, প্রতিবছরই পাহাড় ধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে, এর স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। পাহাড়ে এই করুণ মৃত্যু আমরা আর দেখতে চাই না। প্রতিকার, প্রতিরোধ সবই সরকারকে গ্রহণ করতে হবে। তিনি অনতিবিলম্বে পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বাড়ি চিহ্নিত করে তা নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করার আহবান জানিয়ে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরো সচেতন হওয়ার আহবান জানান। তারা আহতদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ ও উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে,নেতৃদ্বয় মহান আল্লাহর কাছে নিহতদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ