ঢাকা, মঙ্গলবার 20 June 2017, ০৬ আষাঢ় ১৪২8, ২৪ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

রূপসা-শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণে ২৭ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ছে

খুলনা অফিস : খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) অগ্রাধিকার প্রকল্প রূপসা-শিপইয়ার্ড চার লেনে প্রশস্ত করণের কাজের মেয়াদ তিন দফা বেড়েছে। ইতোপূর্বে দু’দফায় সময় বাড়ানোর পরও কাজের অগ্রগতি হয়নি। সময় বৃদ্ধির সাথে ব্যয়ও বাড়ছে। এ বিয়য়ে কেডিএ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে।
কেডিএ’র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৫ সালে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দু’দফায় সময় বড়ানোর পরও কাজের অগ্রগতি হয়নি। স্থানীয় লোকের বিরোধিতার কারণে এখনও জমি অধিগ্রহণের কাজ সম্পন্ন হয়নি। তবে অবশেষে তারা এ কাজে সফল হওয়ার বিষয় আশাবাদী।
খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত-চলতি দায়িত্বে) ও খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক (পিডি) মো. আরমান হোসেন বলেন, ২০১৩ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে (একনেক) প্রকল্পটি পাস হয়। একই বছর গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে কেডিএ’র কাছে প্রশাসনিক অর্ডার এসে পৌঁছায়। ৯৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে চার লেনে (মাঝখানে ডিভাইডারসহ) লাইট পোস্ট, দু’পাশে ফুটপাত ও তার নিচে ড্রেনের ব্যবস্থা রয়েছে। ৩ দশমিক ৭৭৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ৬০ ফুট প্রশস্তের রাস্তার দু’মাথায় দু’টি একটিভ মনুমেন্ট থাকবে। তিনি আরও জানান, জেলা প্রশাসনের (এল এ) শাখা এ প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের কাজ করছে। ইতোমধ্যে ৬ ধারায় নোটিশ জারি করা হয়েছে।
৭ ধারা নোটিশে জমি পুরো বুঝে পাওয়ার পর তারা পরামর্শক ও ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যাবেন। জমি অধিগ্রহণের জন্য ৫৭ কোটি টাকাও জেলা প্রশাসনকে দিয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু জেলা প্রশাসন থেকে কেডিএ’কে জমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণসহ আরও বাড়তি ২৭ কোটি টাকা চেয়েছে। প্রকল্পের সময়সীমার সাথে ওই এলাকায় জমির দামও বেড়ে যাওয়ায় জেলা প্রশাসন কেডিএ এর কাছে বাড়তি টাকা চাওয়ার কারণ বলে জানা গেছে।
কেডিএ’র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বার বার একটি অগ্রাধিকার প্রকল্পে সময় সীমা বৃদ্ধিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় খুবই অসন্তুষ্ট। কেডিএ’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এ বিষয়ে তদবীরে ঢাকার সচিবালয়ে দৌড়ঝাঁপ করেছেন। আগের ৫৭ কোটি থেকে ৮৫ কোটি মোট ২৭ কোটি টাকা বাড়ায় মন্ত্রণালয় এখনও বাড়তি টাকার অনুমোদন দেয়নি। নতুন করে বাড়তি সময়সীমা মন্ত্রণালয়ের কাছে ২০১৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অধিগ্রহণকৃত জমি জেলা প্রশাসন কেডিএ এর কাছে হস্তান্তর করার পরই (ফোর লেনের) রাস্তার কাজ শুরু করবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ