ঢাকা, বুধবার 21 June 2017, ০৭ আষাঢ় ১৪২8, ২৫ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

আষাঢ়ের বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জৈন্তাপুরের ভাসমান বেদে পরিবারগুলো

জৈন্তাপুর সংবাদদাতা: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার সারী ব্রীজের পাশে,জৈন্তাপুর চাঙ্গীল ও দরবস্ত ইউনিয়নের টেংরাইলে বেশ কয়েক বছর থেকে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছেন প্রায় ৩০ টির ও বেশি বেদে পরিবার।ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে ছোট্ট শিবিরে জীবন কাটছে তাদের। তাদের থাকা খাওয়া  রান্না সবই চলে এখানে।এমন কষ্টই তাদের জনো জীবনের সঙ্গী ।এতে অভ্যস্ত তারাও। কিন্তু সম্প্রতি টানা বৃষ্টি আর নদীতে বেশি পানি বেড়ে যাওয়ায় তাদের জীবন যাপন অসহনীয় হয়ে পড়েছে । শিবির টানা বেদে পল্লী গুলো গুরে দেখাযায়, বৃষ্টি জমা পানিতে ছোট্ট শিবিরে বাস করা তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে । বেদে সর্দার মিনার আলী, বেদে সর্দার বারহন উদ্দীন বলেন ঝড় বৃষ্টিতে আশ্রয় নেওয়ার মতো আমাদের কোন জায়গা নেই। তাই বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে নদীর ধারে শিবির টেনে থাকছি। ঝড়ের সময় আমাদের আতংকে থাকতে হয়, কখন বা অতি ঝড়ে কুঁড়েঘরটি  নিয়ে যায়,আবার শিবিরে বড় বড় গাছ পালা পড়ে যেতে পারে এমন আতংকে আমাদের ঘুম আসেনা। এদিকে বৃষ্টির পানি থেকেও রেহাই নেই তাদের। ছোট্ট এই কুঁড়ে ঘরে মাথা ভিজলে পা বাঁচে আর পা ভিজলে মাথা বাঁচে ,এমন কষ্ট করছেন পরিবারের শিশু ও বৃদ্ধেরা। নদীর পার ডুবিয়ে নেয়ায় সারীঘাটের মানুষের বিভিন্ন পরিত্যক্ত বাড়িতে আশ্রয় নিতো,  জুয়েল মিয়া বলেন তারা আজ রোজা রাখার জন্য সেহরীও তাদের কপালে জুটেনি এই বর্ষার দিনে শিবিরে থাকতে অনেক কষ্ট হয় ,সাপ আর ,জোকের কারণে আমাদের অনেক ভয়ে দিন কাটাতে হয়। কিন্তু এমন ঝুঁকি নেওয়া ছাড়া আমাদের বিকল্প কোন পথ নেই।সরকার অন্যদের মতো সামান্য সুযোগ সুবিধা দিলে আমরা আমাদের সুন্দর জীবন ফিরে পেতাম। তাবিজ কবজ আর সাপের ব্যবসা এখন কেউ বিশ্বাস করে না। আমাদের খাদ্যের  কষ্ট কেউ বুঝেনা।
২ বেলা পেটে খাবার দিতে পারিনা ,শিবিরে আসলে মাথা গুঁজার ঠাঁই ও পাইনা।এমন জীবন থেকে তারা মুক্তি চায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ