ঢাকা, বুধবার 21 June 2017, ০৭ আষাঢ় ১৪২8, ২৫ রমযান ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ইমামদের অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করতে হবে

নিজস্ব ক্যাম্পাসে গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ মসজিদ মিশন ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে সিয়ামের ভূমিকা শীর্ষক উলামা মাশায়েখ সম্মেলন ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয় -সংগ্রাম

বাংলাদেশ মসজিদ মিশনের সেক্রেটারি জেনারেল ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী বলেন: জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, উগ্রপন্থা ও যেকোনো ধরনের হিংসাত্মক ও ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড ইসলামী শরীয়তে চিরতরে হারাম। পবিত্র সিয়ামের আধ্যাত্মিক ও রুহানী শিক্ষায় উজ্জীবিত হয়ে সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে নিষ্ঠাবান হতে হবে। আজ বিকাল ৫টায় বাংলাদেশ মসজিদ মিশন ঢাকা মহানগরী জঙ্গিবাদ বিরোধী ইমাম সম্মেলন ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
ঢাকাস্থ বি.এম.এম মিলনায়তনে অধ্যক্ষ মাওলানা মোশাররফ হোসাইনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-ইসলামী কানুন বাস্তবায়ন পরিষদের আমীর মাওলানা আবু তাহের জিহাদী, হাফেজ,আইম্মা পরিষদের সভাপতি মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী, শর্ষীনার পীর মাওলানা শাহ আরিফ বিল্লাহ সিদ্দিকী,মাওলানা কাজী জালাল উদ্দীন, মাওলানা সাদেকুর রহমান আজহারী, প্রফেসর ফখরুদ্দিন,ডা.আ. কাইয়ুম,মুফতি মাসউদুর রহমান,অধ্যক্ষ মাওলানা শহীদুল ইসলাম,মুহাদ্দিস মাহমুদুল হাসান, মুহাদ্দিস আশরাফুজ্জামান, মাওলানা  জামাল উদ্দীন,ফারুক আহমদ,মাওলানা সালেহ সিদ্দীকি, মীম আতিকুল্লাহ প্রমুখ।
প্রধান অতিথি বলেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাসী শব্দ মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে গালিস্বরূপ ব্যবহার করা হচ্ছে! কোনো মুমিন মুসলমান জঙ্গি,সন্ত্রাসী হতে পারে না। জঙ্গিদের কোনো ধর্ম নেই, তারা ইসলামের দুশমন,মানবতার দুশমন ও সভ্যতার চির দুশমন। সন্ত্রাস, জঙ্গি ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে ইমাম-খতীবগণকে স্ব স্ব মসজিদ এলাকায় সংশ্লিষ্ট মুসল্লি ও জনগণের মাঝে ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা তুলে ধরতে হবে। মানুষের মাঝে আল্লাহ ভীতি ও তাকওয়া সৃষ্টির মোটিভেশন অভ্যাহত রাখতে হবে। যে ইমামের নেতৃত্বে নামায কায়েম হয় সেই ইমামের ইমামতিতেই সন্ত্রাস ও অপরাধ দুর হবে ইনশাল্লাহ।তাই আসুন! সকল ভেদাভেদ ও ফেরকাবাদ ভুলে পরিচ্ছন্ন ও আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে সকল ইমাম-খতীব অগ্রণী ভূমিকা পালন করুন। মাওলানা আবু তাহের জিহাদী বলেন : ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনে দেওবন্দের শায়খুল হিন্দ বলেছিলেন দুনিয়ায় বিশৃংখলার কারণ ৩টি। কুরআন ছেড়ে দেয়া, ঐক্য ছেড়ে দেয়া ও জনসাধররে সাথে সম্পর্ক ছেড়ে দেয়া। ইমামগণ উদ্যোগ নিলেই এ তিনটি সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। আখেরাত মুখী জীবনে অভ্যস্থ করতে পারলে সমাজ থেকে বিশৃংখলা ও নৈরাজ্য দূর হবে মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী বলেন : সন্ত্রাস করে, মারামারি করে  এ দেশে কোনো একটি মাদরাসা মসজিদ বন্ধ হয়নি। ইসলামের ফরয বিধান জিহাদকে সন্ত্রাসের সাথে মিলিয়ে ফেলার চক্রান্ত রুখতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ