ঢাকা, মঙ্গলবার 4 July 2017, ২০ আষাঢ় ১৪২8, ৯ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মালয়েশিয়ায় অনিশ্চয়তার মুখে কয়েক লাখ বাংলাদেশী শ্রমিক

 

# সন্দেহ হলেই জেলে দিচ্ছে মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশন

# ইউরোপীয় ইউনিয়ন ফেরত পাঠাতে চায় ৯৩ হাজার 

ইবরাহীম খলিল : মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসী বিরোধী অভিযানে কয়েক লাখ অবৈধ বাংলাদেশীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। তারা আপাতত আত্মগোপন করে রেহাই পাওয়ার চেষ্টা করছেন। গত দুই দিনের অভিযানে যেসব শ্রমিককে আটক করা হয়েছে তাদেরমধ্যে অর্ধেকের বেশি বাংলাদেশী। এদিকে অভিযানের সময় তাদের যারা নানা কারণে মালয়েশিয়ায় ঢোকার চেষ্টা করছেন তাদের সন্দেহ হলেই জেলে দেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। বৈধ কাগজ থাকার পরও অনেক বাংলাদেশী জেল খেটে দেশে ফিরে এসেছেন বলে জানা গেছে। 

প্রসঙ্গত, মালয়েশিয়ায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের অবৈধ শ্রমিকদের বৈধতা নিশ্চিতের জন্য ২০১৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দিয়েছে সে দেশের অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। তবে আপাত ব্যবস্থা হিসেবে ওই অবৈধ শ্রমিকদের ৩০ জুনের মধ্যে ই-কার্ড তথা কাজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে বলেছিল তারা। অভিবাসন কর্তৃপক্ষের দাবি, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্ভাব্য অবৈধ শ্রমিকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩ শতাংশের জন্য এই কার্ড সংগ্রহ করেছে তাদের নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে ই-কার্ড সংগ্রহের সময়সীমা কোনওভাবেই আর বাড়াবে না মালয়েশিয়া। এতে বিভিন্ন দেশের কয়েক লাখ শ্রমিকের ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরমধ্যে বাংলাদেশী শ্রমিকের সংখ্যা বেশি। এসংখ্যা তিন লাখের বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ জন্য নিয়োগদাতাদের দুষছে অভিবাসন কর্তৃপক্ষ এবং শ্রমিকরা।

 মালয়েশিয়ান গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী অবৈধ অভিবাসী বিরোধী অভিযানের দ্বিতীয় দিনে মালয়েশিয়ায় আটক করা হয়েছে আরো কমপক্ষে ২ বাংলাদেশীকে। এ নিয়ে দু’দিনের অভিযানে কমপক্ষে ৫১৭ জন বাংলাদেশীকে আটক করা হয়েছে। এ অভিযানের নাম দেয়া হয়েছে ‘অপারাসি মেগা’। বার্তা সংস্থা বারনামা ও অনলাইন দ্য নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, অভিযান চালানোর কারণে অনেক বিদেশী শ্রমিক আত্মগোপনে চলে গেছেন। তাদের কাছে বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই।

চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বৈধ কাগজপত্রবিহীন শ্রমিকদের ই-কার্ড বা এনফোর্সমেন্ট কার্ড আবেদনের সুযোগ দেয় মালয়েশিয়া সরকার। বলা হয়, ২০১৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ই-কার্ডের মেয়াদ থাকবে এবং এ সময়ের মধ্যে শ্রমিকদের বৈধ কাগজপত্রের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। ই-কার্ড রেজিস্ট্রেশনের চূড়ান্ত সময়সীমা ছিল ৩০ জুন। অভিবাসন কর্তৃপক্ষের ধারণা ছিল, অন্তত ৪ লাখ অবৈধ শ্রমিক ই কার্ড সংগ্রহ করবেন। তবে ইমিগ্রেশন দফতরের তথ্য অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২৬ হাজার ৯৫৭টি কোম্পানির মোট এক লাখ ৫৫ হাজার ৬৮০ জন কর্মী ই-কার্ডের আবেদন করেন। ১৫টি দেশের নাগরিক এই আবেদন করেছেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা ৭১ হাজার ৯০৩; এরপরেই রয়েছে ইন্দোনেশিয়া ২৬ হাজার ৭৬৪ ও মিয়ানমারের ১১ হাজার ৮২৫ নাগরিকর। কিছু আবেদন বাতিল হওয়ায় সময়সীমা শেষে কেবল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৭১ শ্রমিক ই-কার্ড পেয়েছেন। সেই হিসেবে আড়াই লাখেরও বেশি শ্রমিক অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। 

অভিবাসী শ্রমিকদের বিরুদ্ধে অভিযান : গত শনিবার মালয়েশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের সাফ জানিয়ে দেন, ই-কার্ড আবেদনের মেয়াদ বাড়ানোর কোনও সম্ভাবনা নেই। যারা ই-কার্ডের আবেদন করেনি এবং নিয়োগদাতা উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়ে দেয়া হয়। এই দুরাবস্থার জন্য পরোক্ষে নিয়োগদাতাদের দায়ী করে তিনি বলেন, নিয়োগতাদের আমরা প্রয়োজনের চেয়েও বেশি সময় দিয়েছি। অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক মুসতফারও বেশ কয়েকবার করে এ সময়সীমার কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন এবং সতর্ক করেছেন। তারপরও মাত্র ২৩ শতাংশ বিদেশি শ্রমিক ই-কার্ডের জন্য আবেদন করেছে। আমাদের এখন কঠোর হওয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই। রোজগারের আশায় শ্রমিকরা আমাদের দেশে এসেছে। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তা বৈধ উপায়ে করবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা তাদের বাধা দিই না।

কেবল অভিবাসন কর্তৃপক্ষ নয়, শ্রমিকরাও তাদের দুরাবস্থার জন্য নিয়োগদাতাদেরই দায়ী করেছেন। আতিকুল ইসলাম নামের এক বাংলাদেশী শ্রমিক অভিযোগ করেন, তিনি ই-কার্ডের সময়সীমার ব্যাপারে অবগত ছিলেন না। তিনি বলেন, আমার বস কার্ড সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন কিন্তু সবাই তা পায়নি। তিনি আরও দাবি করেন, তার নিয়োগদাতা তাদেরকে সময়সীমা নিয়ে উদ্বিগ্ন হতে নিষেধ করেছিলেন। অথচ ওই সময়সীমা শেষ হওয়ার একদিন আগে অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক মুসতফার সবাইকে সতর্ক করেন যে, ই-কার্ড আবেদনের মেয়াদ বাড়ানোর কোনও সম্ভাবনা নেই।

এদিকে মালয়েশিয়ায় ই-কার্ডের মেয়াদ ৩০ জুন শেষ হলেও পুনঃশুনানির সময় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল আছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের লেবার কাউন্সিলর মোহাম্মাদ সাইয়েদুল ইসলাম। তিনি বলেন,যেসব বাংলাদেশি বৈধপথে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছেন কিন্তু পরবর্তী সময়ে যেকোনও কারণে অবৈধ হয়েছেন, তারা আগামী ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ পর্যন্ত পুনঃশুনানির আওতায় নিজেদের বৈধভাবে কাজ করার জন্য ব্যবস্থা নিতে পারবেন। কিন্তু যারা অবৈধ পন্থায় কোনও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের মুখোমুখি না হয়ে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছেন, তাদের জন্য ই-কার্ড প্রোগ্রাম চালু ছিল। সেটি জুন ৩০ এ শেষ হয়েছে। 

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের লেবার কাউন্সিলর সাইয়েদুল ইসলাম বলেন, আমরা মালয়েশিয়ায় ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছি, যেন এখানকার বাংলাদেশিরা পুনঃশুনানি প্রোগ্রামের আওতায় নিজেদের বৈধ পন্থায় একটি কাজ খুঁজে নেন। তিনি বলেন, জুন ৩০-এর পরে ই-কার্ড নেই এবং অবৈধ উপায়ে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেছে এমন ব্যক্তিদের ধরপাকড় শুরু হলেও আমাদের ধারণা বাংলাদেশিদের সংখ্যা অনেক কম হবে। কারণ এখানে যত বেশি অবৈধ বিদেশি ই-কার্ড নিয়েছেন, তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশিরা।

 সন্দেহ হলেই জেলে? 

এদিকে বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন প্রয়োজনে যারা মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন তাদের হয়রাণি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সন্দেহ হলেই তাদের জেলে দেয়া হচ্ছে, হয়রাণি করা হচ্ছে। ট্যুরের উদ্দেশ্যে মালয়েশিয়া যাওয়ার পর জেল খেটে দেশে ফিরে আসা মুফতী হাবিবুর রহমান মিছবাহ নামের একজন ট্যুরিস্ট এই প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ করেন, হোটেল বুকিং, পাসপোর্ট ও আপডাউন টিকিট থাকার পরও তাকে হয়রাণি করা হয়েছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশের মানুষকে মালয়েশিয়ান ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তারা সবচেয়ে বেশি সন্দেহ করছে। এবং সন্দেহ হলেই সব রকমের ডকুমেন্ট থাকার পরও জেলে দেয়া হচ্ছে। পরবর্তী দেশে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে। 

তিনি আরও জানান, জেলে আরও অনেক বাংলাদেশীকে দেখেছেন যারা বিনাকারণে সেখানে জেল খাটছেন। সেইসঙ্গে যারা ট্যুরে মালয়েশিয়া যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছেন তাদের অন্তত দুই মাস পরে সেখানে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। 

এবিষয়ে কথা বলতে গতকাল প্রবাসী কল্যান মন্ত্রীর দফতরে গিয়ে জানা যায়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বর্তমানে সিঙ্গাপুর চিকিৎসার জন্য রয়েছেন। মন্ত্রী জনসংযোগ কর্মকর্তা জাহাঙ্গির হোসেন জানান, চিকিৎসা শেষে আগামি শুক্রবার মন্ত্রী দেশে ফিরবেন। আর মন্ত্রণালয়ের সচিব শামছুন্নাহার অবসরে গেছেন। এ মন্ত্রণালয়ে নতুন কোন সচিব দেয়া হয়নি। 

এদিকে সৌদি আরবে লেবার কাউন্সিলর মোহাম্মাদ সারওয়ার আলম বলেন, কোনও ধরনের শাস্তি ছাড়া দেশে ফেরত আসার জন্য সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ ছিল জুন ২৫ পর্যন্ত। কিন্তু এখন এটি এক মাস বর্ধিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার মতো বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত আসার জন্য আমরা ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করেছি। আমাদের ধারণা আগামী এক মাসে সর্ব্বোচ্চ ১০ হাজারের মতো বাংলাদেশি আসতে পারেন, কারণ গত মাসে রোজা থাকায় অনেকে হয়তো আসতে পারেননি।

সারওয়ার আলম বলেন, আমরা ধারণা করছি, এখানে অবৈধভাবে অল্প সংখ্যক বাংলাদেশি আছেন। তিনি বলেন, অনেক বাংলাদেশি সৌদি আরবে চাকরি জোগাড় করে সাধারণ ক্ষমার আওতায় বাংলাদেশে ফিরে আবার সৌদি আরবে এসেছেন। সাধারণ ক্ষমার সুযোগ যারা নেবেন, তাদের পুনরায় সৌদি আরবে ঢোকার ক্ষেত্রে কোনও বিধিনিষেধ নেই। 

সৌদি গেজেটের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ১৩ লাখ বাংলাদেশি সৌদি আরবে বিভিন্ন পেশায় কাজ করছেন, যার মধ্যে ৬০ হাজার নারী কাজ করছেন গৃহকর্মী হিসেবে। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশ সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার। 

৯৩ হাজার বাংলাদেশীকে ফেরত দিতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন : এদিকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবৈধ বা অনিয়মিত হয়ে পড়া প্রায় ৯৩ হাজার বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনতে সময়সীমা বেঁধে দিতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইইউ। তারা এ সংক্রান্ত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পসিজিউর বা এসওপিতে সময়সীমা টাইম লাইন প্রস্তাব করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র বলছে ইউরোপ থেকে অনিয়মিত বাংলাদেশিদের ফেরানো সংক্রান্ত এসওপি’র যে খসড়া প্রস্তাব করেছে ইইউ সেখানে সংশোধনীর সুপারিশ করে পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রস্তাবে অনিয়মিত বাংলাদেশিদের অবশ্য ফেরত আনা হবে, এ নিয়ে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে জানিয়ে বলা হয়- বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন এবং নীতিমালা অনুসরণ করেই তাদের ফেরানো হবে। সেখানে সবার আগে ওই ব্যক্তিদের নাগরিকত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ব্যাপক যাচাই-বাছাই (ভেরিফিকেশন) করতে চায় ঢাকা। এ নিয়ে রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক পরামর্শ বৈঠক হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়েদুনের সঙ্গে। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে গত আট বছরে ওই সব বাংলাদেশি পাড়ি দিয়েছেন। তাদের অনেকে শরণার্থী হিসেবে রয়েছেন। কেউ কেউ রাজনৈতিক আশ্রয় পেয়েছেন। অনেক দিন ধরেই তাদের ফিরিয়ে আনার চাপে রয়েছে ঢাকা। ইউরোপে যেসব দেশের অবৈধ বা অনিয়মিত নাগরিকরা রয়েছেন তাদের ফেরত আনার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হলে ইউরোপে যেতে আগ্রহী অন্য আবেদনকারীদের ভিসা প্রক্রিয়া কঠোর করার হুমকি দিয়েছে ইইউ। 

ইউরোপে অনুপ্রবেশকারী বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে। পরিসংখ্যান মতে, ইইউভুক্ত দেশগুলোয় ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত অবৈধভাবে প্রবেশ করেছেন মোট ৯৩ হাজার ৪৩৫ জন বাংলাদেশি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবেশ করেন ২০১৫ সালে, ২১ হাজার ৪৬০ জন। এরপর সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ করেন ২০১২ সালে। ওই বছর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে পাড়ি দেন ১৫ হাজার ৩৬০ জন বাংলাদেশি। ২০১৪ সালেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি ইউরোপে প্রবেশ করেন। ওই বছর সংখ্যাটি ছিল ১০ হাজার ১৩৫। এর বাইরে ২০০৮ সালে ৭ হাজার ৮৫, ২০০৯ সালে ৮ হাজার ৮৭০, ২০১০ সালে ৯ হাজার ৭৭৫, ২০১১ সালে ১১ হাজার ২৬০ ও ২০১৩ সালে ৯ হাজার ৪৯০ জন বাংলাদেশি ইইউভুক্ত দেশগুলোয় অনুপ্রবেশ করেন। ইউরোপের দেশগুলোয় প্রবেশের পর বিভিন্ন সময় তারা আটকও হয়েছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা অবশ্য এ তথ্যের সঙ্গে একমত নন। তাদের মতে, ইইউ এখনো ঢাকাকে অনিয়মিত বা অবৈধ বাংলাদেশিদের আনুষ্ঠানিক কোনো পরিসংখ্যান বা তথ্য দেয়নি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ