ঢাকা, সোমবার 24 September 2018, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, ১৩ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আমদানি শুল্ক কমানোর সুফল মিলছে না চালের বাজারে

অনলাইন ডেস্ক: হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কম শুল্কে চাল আমদানি হলেও তেমন প্রভাব পড়েনি দামে। বন্দরে পাইকারি পর্যায়ে চালের দাম কমেছে মাত্র ৩ টাকা। চাল আমদানিকারকদের অভিযোগ, বাংলাদেশে ঘাটতির সুযোগ নিয়ে চালের দাম টন প্রতি ৩৫ ডলার বাড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। ফলে আমদানি শুল্ক কমানোর সুফল মিলছে না বাজারে।

দেশের খোলাবাজারে চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে গত ২০ জুন চালের আমদানি শুল্ক ২৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করে সরকার। সেইসাথে ৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক পুরোপুরি তুলে নেয়া হয়। এতে প্রতি কেজি চালের দাম ৬-৭ টাকা কমবে-এমনটা আশা প্রকাশ করা হয় সরকারের পক্ষ থেকে। তবে বাস্তবে চালের দাম কেজিতে কমেছে ৩ টাকা। হিলি স্থলবন্দরে আমদানি করা প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৯ টাকা। আর চিকন চাল বিক্রি হচ্ছে ৪১ টাকা কেজি দরে।

এক পাইকারি বিক্রেতা বলেন, 'সরকার আমাদের বললো যে, ৬ টাকা কেজিতে কমালাম কিন্তু ভারত এখন ৬ টাকা কেজিতে বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা আসলে খুবই বিব্রত অবস্থায় আছি।'

দেশীয় চাল আমদানিকারকদের অভিযোগ বাংলাদেশে চালের আমদানি শুল্ক কমিয়ে দেয়ার খবরে চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ভারতের ব্যবসায়ীরা। প্রতি টন চাল ৩৯০ ডলারের পরিবর্তে আমদানি করতে হচ্ছে ৪২৫ ডলারে।

এক ব্যবসায়ী বলেন, 'সরকার চালের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করে নিলে চালের দাম ৩৫ থেকে ৩৬ টাকার মধ্যেই থাকবে।'

চালের আমদানি শুল্ক কমার পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গত ৭ কর্ম দিবসে ভারত থেকে ২১ হাজার ২৮০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ