ঢাকা, বৃহস্পতিবার 6 July 2017, ২২ আষাঢ় ১৪২8, ১১ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

নবাবরা কি হাইকোর্টের জমির মালিকানা চাইতে পারবে?

স্টাফ রিপোর্টার : মতিঝিলে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা উচ্ছেদে সিটি কর্পোরেশনের অভিযানের বিরুদ্ধে করা একটি রিটের শুনানিতে হাইকোর্টে বলেছেন, হাইকোর্টের জায়গাও নবাবদের নামে ছিল, এজন্য কি নবাবরা এর মালিকানা দাবি করতে পারবে? 

মতিঝিলের দিলকুশায় হোটেল পূর্বাণীর পাশেই অবস্থিত গাড়ি পার্কিংয়ের স্থানে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান না চালানোর নির্দেশনা পেতে রিট দায়ের করেছিলেন মুসাব্বির আহমেদ।ওই রিটের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পীরজাদা এম এ রশিদ মিঞা (বাদশা)।

শুনানিতে জমির মালিকানার পক্ষে কোন ধরণের নথিপত্র দেখাতে পারেননি রিটকারী। এমনকি আদালত, মালিক হিসাবে সর্বশেষ খাজনা কত তারিখে দেয়া হয়েছে এমন তথ্য জানতে চাইলে তাও দেখাতে পারেননি রিটকারীর আইনজীবী।

গত মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন। এ সময় আদালত আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে আরও বলেন, জমিটা আপনার এই মর্মে কোন নথিপত্র, এমন কি খাজনার কপিও দেখাতে পারছেন না, তাহলে সিটি কর্পোরেশনের উচ্ছেদ অভিযান ঠেকাবেন কিভাবে?

তখন আইনজীবী আদালতের কাছে বলেন, দেশে এবং বিদেশে আমার বাড়ি আছে। সবসময় আমার দেশে থাকা হয় না, ওই স্থান থেকে জিনিষপত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য একটু সময় দরকার। আদালতের নির্ধারণ করে দেয়া সময় রাজউক মানবে। তাই একটু নির্দেশনা দেন। পরে রিটের প্রেক্ষিতে কোন ধরণের নির্দেশনা না দিয়ে তা (উত্থাপিত হয়নি মর্মে) খারিজ করে দেন আদালত।

আদালতের শুনানিতে এর আগে আইনজীবীর কাছে জানতে চান আপনার কি রাজউক থেকে কোন নকশা অনুমোদন করা ছিল। জবাবে আইনজীবী বলেন, জি না। আপনি তো নবাবদের আত্মীয় এবং খাজা। খাজা এবং নবাবরা তো দানশীল। দেশে বিদেশে আপনার বাড়ি আছে। দেখাশোনা করতে পারেন না। শুনানির এই পর্যায়ে আদালত ওই রিটকারী আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হাইকোর্টও তো নবাবদের নামে, এজন্য কি নবাবরা এর মালিক?

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ