ঢাকা, বৃহস্পতিবার 6 July 2017, ২২ আষাঢ় ১৪২8, ১১ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

৫ সাক্ষীকে জেরার আবেদন খালেদা জিয়ার

স্টাফ রিপোর্টার : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ সাক্ষীকে জেরা করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। গতকাল বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করেছেন তার আইনজীবী।

যে পাঁচজন সাক্ষীকে নতুন করে জেরার আবেদন করা হয়েছে তারা হলেন- ৬ নম্বর সাক্ষী মুকবুল হোসেন অপু, ১২ নম্বর সাক্ষী মো. আমিরুল ইসলাম, ১৩ নম্বর সাক্ষী অমল কান্তি চক্রবর্তী, ১৫ নম্বর সাক্ষী মো. মামুনুজ্জামান, ১৭ নম্বর সাক্ষী চৌধুরী এম এন আলম।

বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত হোসেন ও মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী রোববার এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া বলেন, এ মামলার সাক্ষী মোট ৩৬ জন। তার মধ্যে ৩২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এই ৩২ জনের মধ্যে ছয় সাক্ষীর জেরা করার সময় ডিক্লাইন (জেরা করতে অস্বীকার করা) করেছিলাম। পরে অন্যান্য সাক্ষীর জেরার পর্যায়ে আমাদের মনে হয়েছে, ওই পাঁচজনকেও জেরা করা প্রয়োজন। গত ৮ জুন ওই পাঁচ সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে নতুন করে জেরা করার জন্য ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামানের কাছে আবেদন করেছিল আসামীপক্ষ। আদালতের তখন শুধু হারুনুর রশিদকে জেরা করার অনুমতি দেন। আর বাকিদের জেরা করার আবেদন খারিজ করেন। এর বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া হাইকোর্টে রিভিশনের আবেদন করেছেন ।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা ইতোমধ্যে দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর রশীদকে তিন দিন আংশিক জেরাও করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার তাদের অসমাপ্ত জেরার তারিখ রয়েছে।

২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক হারুন অর রশিদ।

মামলার অপর আসামীরা হলেন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ