ঢাকা, শনিবার 15 July 2017, ৩১ আষাঢ় ১৪২8, ২০ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

বন্যা দীর্ঘ হওয়ায় সঞ্চিত খাদ্য ফুরিয়ে গেছে ॥ পানিবন্দী মানুষ চরম বিপাকে

কুড়িগ্রাম : বন্যার পানিতে এভাবেই তলিয়ে আছে ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার চরাঞ্চলের বেশির ভাগ ঘরবাড়ি

সংগ্রাম ডেস্ক : বন্যা প্লাতি বিভিন্ন স্থানে দুর্গত ও পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। বন্যা দীর্ঘ হওয়ায় সঞ্চিত খাদ্যসামগ্রী ফুরিয়ে যাওয়ায় পানিবন্দী মানুষ মহাদুর্ভোগে পতিত হয়েছে। দুর্গতদের জন্য ত্রাণসাহায্য যেমন অপ্রতুল তেমনি অনেক এলাকায় কোনো ত্রাণ সাহায্য পৌঁছেনি। বিশুদ্ধ খাবার পানি সঙ্কট ও খাদ্যাভাবে হাহাকার করছে বানভাসী মানুষেরা। আবার ত্রাণ সাহায্যের নামে ফটো সেশনের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ সীমাবদ্ধ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বগুড়া অফিস : ভারত থেকে ধেয়ে আসা পানির তোড়ে সৃষ্ট বন্যায় বগুড়ার তিনটি উপজেলায় লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরবাড়ী পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ায় এসব অসহায় মানুষ সরকারি আশ্রয়ণ কেন্দ্র ও বাঁধের উপর আশ্রয় নিয়েছে। দু’ বেলা দু’ মুঠো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে মানবেতর জীবন কাটছে বানভাসীদের। সরকারি ভাবে ত্রাণ বিতরণের ধীরগতি এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই ত্রাণ সহায়তা পাচ্ছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, বন্যা দুর্গত এলাকার বাস্তবচিত্র সরেজমিনে দেখতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া আজ শনিবার বগুড়ায় আসছেন। তিনি বিকেল চারটায় সারিয়াকান্দি উপজেলার রৌহদহ এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করবেন। এরপর সন্ধায় ৬টায় তিনি বগুড়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কেন্দ্রে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় বক্তব্য রাখবেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব তার সাথে থাকবেন বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানাগেছে।

এদিকে, জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অবহিত করার লক্ষ্যে গতকাল শুক্রবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক নূরে আলম সিদ্দিকী সংবাদ সম্মেলনে জানান, এবারের বন্যায় জেলার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার মোট ১৪টি ইউনিয়নের ৯৩টি গ্রামের ১৭ হাজার ৪০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৭১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২টি মাদরাসা এবং ১টি কলেজ বন্যার কবলে পড়েছে। বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে ৫ হাজার ৮৫ হেক্টর জমির ফসল। এতে প্রায় পৌনে ২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া ১০০টি পুকুর তলিয়ে যাওয়ায় কয়েক লক্ষ টাকার মাছ ভেসে গেছে। প্রায় ৪০০ মেট্রিক টন খড় ও ৪৬০ মেট্রিক টন ঘাস বিনষ্ট হওয়ায় গবাদি পশুর খাবার সংকট দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি ৬০ কিলোমিটার কাঁচা এবং ৫ কিলো মি পাকা রাস্তা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলা প্রশাসক জানান, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই ত্রাণ হিসেবে সাড়ে ৪’শ মেট্রিক টন জিআর চাল, ১২ লক্ষ টাকা এবং ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ পাওযা গেছে। এরমধ্যে ২৮৫ মেট্রিক জিআর চাল, নগদ সাড়ে ৩ লাখ টাকা এবং ২ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বন্যাদুর্গত উপজেলাগুলোতে পাঠানো হয়েছে। একই সাথে ৭৮০০টি পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। দুর্গত এলাকার মানুষের চিকিৎসা সেবার জন্য ১৩টি মেডিকেল টিমএবং ৬টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম কাজ করছে। দুর্গত এলাকায় ৪০টি টিউবওয়েল স্থাপন করে বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই সাথে বাঁধে অস্থায়ী ল্যাট্রিন নির্মাণ করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার থেকে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত যমুনা নদীর পানি নতুন করে বাড়েনি। বর্তমানে সারিয়াকান্দি পয়েন্টে যমুনার পানি বিপদসীমার ৫৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কুড়িগ্রামে বন্যা অপরিবর্তিত

 মোস্তাফিজুর রহমান কুড়িগ্রাম থেকে ঃ কুড়িগ্রামে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

রাজিপুর উপজেলার বটতলা এলাকায় পাকা সড়কের ১৫ ফুট ধসে গেছে। এতে করে পাশ্ববর্তী বালিয়ামারী, জালছিড়ার পাড়, মিয়া পাড়া, বটতলা মন্ডলপাড়া ও কলেজপাড়াসহ ৭ গ্রামের মানুষের যোগাযোগে দুর্ভোগ বেড়েছে। এসব এলাকার লোকজন পার্শ¦বর্তী সড়ক দিয়ে ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার ঘুরে রাজিবপুর উপজেলা শহরে যেতে হচ্ছে।

রাজিপুর উপজেলা চেয়ারম্যান শফিউল আলম জানান, রাস্তার ধসে যাওয়া অংশে বালির বস্তা ফেলে যোগাযোগ স্বাভাবিক করার কাজ চলছে। 

নদ-নদী তীরবর্তী চর ও দ্বীপচরসহ জেলার ৭ উপজেলার ৪২ ইউনিয়নের ৫শতাধিক গ্রামের প্রায় ২ লক্ষাধিক মানুষ গত ৮ দিন ধরে পানিবন্দী জীবন যাপন করছে। পানিবন্দী বেশির ভাগ মানুষের ঘরের সঞ্চিত খাবার শেষ হয়ে যাওয়ায় তারা চরম খাদ্য সংকটে পড়েছে। এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট। অনেক বানভাসী পরিবার ঘরের ভিতর উচুঁ মাচান বেধে অতি কষ্টে জীবন যাপন করছে। চারন ভুমি তলিয়ে থাকায় চরাঞ্চল গুলোতে দেখা দিয়েছে গো খাদ্যের তীব্র সংকট। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসাসহ ২শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ রয়েছে। 

উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ বেলাল হোসেন জানান, বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ হাজার পরিবারের সবাই পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। আরো ৩ হাজার পরিবার এখনো রিলিফের চাল পায়নি।

বন্যার্তদের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ৪শ মেট্রিকটন চাল ও ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ৪ হাজার শুকনো খাবার প্যাকেট বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

 জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান জানান, প্রতিদিনই বন্যার্তদের জন্য বরাদ্দ আসছে এবং আমরা তা পাওয়ার সাথে সাথেই বিতরণ করছি। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া আগামী রোববার কুড়িগ্রামের বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে আসবেন।

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল ইসলাম জানান, গত ২৪ ঘন্টায় চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ২ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার, সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি ১৭ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ থেকে আঃ মজিদ ও আবদুস সামাদ ঃ সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করলেও পানির প্রবল চাপের কারণে বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা চৌধূরীবাড়ি এলাকায় নির্মাণাধীন নদী তীর রক্ষা বাঁধের ২০ মিটার এলাকায় ভাঙ্গনের পর শুক্রবার ধসের বিস্তৃতি বেড়ে ৪০ মিটারে দাড়িয়েছে। রাত থেকেই বাঁধের ধস নিয়ন্ত্রণে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সেনাবাহিনীর একটি টিম বাধ সংস্কারে কাজ করছে। বাঁধটি ধসের কারণে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে এই ইউনিয়নের প্রায় ১০টি গ্রাম তলিয়ে গেছে। বানের তোড়ে ভেসে গেছে অসংখ্য ঘর-বাড়ি ও ফসলি জমি। মানুষেরা গরু, ছাগল, হাস-মুরগী নিয়ে খোলাকাশের নীচে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম জানান, বঙ্গবন্ধু সেতুর পুর্বপাড়ে অবস্থিত সেনা ক্যাম্পের ১১ পদাধিক ডিভিসন রিভার কোরের মেজর সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের যৌথ প্রচেষ্টায় ভেঙ্গে যাওয়া প্রায় ৪০ মিটার বাঁধ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। রাত ২টা থেকে কাজ শুরুর পর থেকে সেখানে বাশেঁর পাইলিং, বালি ভর্তি জিওব্যাগ ও প্লাষ্টিকের বস্তা ফেলা হচ্ছে। আশা করছি দুপুরে মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ হবে। তিনি আরও বলেন, চলতি বছরের মে মাসে ১৭৪০ মিটার দীর্ঘ এ বাঁধের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে বাঁধের ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। ভাঙ্গন স্থানটি বাঁধ ও একটি সংযোগ রাস্তার সংযোগস্থল। নির্মাণাধীন বাঁধের বাকি ২০ ভাগ নির্মাণ কাজ আগামীকাল থেকে শুরু করা হবে বলেও জানিয়েছেন এই পাউবো কর্মকর্তা। এলাকাবাসীর অভিযোগ যদি সময়মত বাঁধটির নির্মাণ কাজ শেষ হতো তবে তাহলে তাদের এ অবস্থায় পরতে হতো না । 

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে যমুনা নদীর পানির প্রবল চাপে ভাঙ্গন স্থান দিয়ে পানি প্রবেশ করে বাহুকা, ইটালি, সিমলা, বালিঘুগরি, চিলগাছা, ভেওয়ামারা, গজারিয়া ও পাঁচ ঠাকুরীসহ আশপাশের এলাকা প্লাবিত হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব এলাকার বেশ কিছু আতংকিত লোকজন রাতেই বাড়িঘর সরিয়ে অন্যত্র নেয়। সংবাদ পেয়ে রাতে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সাবেক এমপি ইঞ্জি: তানভীর শাকিল জয়, জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শক করেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাতেই আতংকিত লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে তাদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। বাঁধ ভাঙ্গার সংবাদে উদ্বেগ প্রকাশ করে এলাকার মানুষকে শান্ত থাকার আহবান জানান আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। এক বিবৃতিতে মন্ত্রী বাঁধের ভাঙ্গা অংশ দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার এবং বাঁধ অভ্যন্তরের ক্ষয়ক্ষতি যাতে কম হয় সে জন্য জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

এদিকে গতকাল থেকে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে পানি কমতে শুরু করেছে। গতকাল পানি ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমতে শুরু করলেও বান ভাসী মানুষের দুর্ভোগ এখনও শেষ হয়নি।

গাইবান্ধার আরও অবনতি

 গাইবান্ধা সংবাদদাতা : পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গাইবান্ধার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদের পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ফুলছড়ি পয়েন্টে বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৫৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে ঘাঘট বিপদসীমার ৪৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

অব্যাহত পানি বৃদ্ধির কারণে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ২৭টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়েছে ৭০টি চরের অন্তত লক্ষাধিক মানুষ। অনেক চরে বাড়িঘর অর্ধেক ডুবে যাওয়ায় সেখানকার মানুষ গবাদি পশু ও সহায় সম্বল নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে জন্য উচু স্থান ও ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধে আশ্রয় নিয়েছে।

ইতোমধ্যে দুর্গত ৪ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ১৩০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও যমুনা নদীর ভাঙনে ১৩০টি পরিবার গৃহহীন হয়েছে। ভাঙনের সম্মুখিন হয়ে পড়েছে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

সরকারি ভাবে ইতোমধ্যে ৯০ মেট্রিক টন চাল ও নগত ৬ লক্ষ টাকা বিতরনসহ পর্যাপ্ত ত্রান সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে।

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ