ঢাকা, রোববার 16 July 2017, ১ শ্রাবণ ১৪২8, ২১ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

নির্বাচনকালীন সরকার বিষয়ে অতীতের ভুল কাম্য নয়

জিবলু রহমান : বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন কোন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে তা নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও প্রধান বিরোধী দল বিএনপির মধ্যে সঙ্কট ঘনীভূত হচ্ছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে সর্বদলীয় সরকার-নিয়ে হঠাৎ করেই জটিল হয়ে গিয়েছিল রাজনীতির সমীকরণ। হিসাব মিলতে পারেন নি কোনো পক্ষ। কোথা থেকে কি হয়ে গেল বুঝতে পারেন নি আমজনতা। তৎকালীন সময়ে গঠিত সর্বদলীয় সরকার না, নতুন নামের মহাজোট সরকার-সেই আলোচনা ছিল সর্বত্র। দশম সংসদ নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা ২০১৩ সালের ১৮ নভেম্বর শপথ নিয়েছিলেন। কিছুটা কম বেশি করে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। এযেন নতুন বোতলে পুরনো মদ। সর্বদলীয় মন্ত্রিসভা গঠনে ১১ নভেম্বরই প্রধানমন্ত্রীর হাতে পদত্যাগপত্র দিয়ে রেখেছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
২০১৩ সালের ১৮ অক্টোবর জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তাব পেশ করে বিরোধী দলকে তাতে যোগ দেয়ার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সাবেক উপদেষ্টাদের নিয়ে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পাল্টা প্রস্তাব তোলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
এরপর ব্যবসায়ী, বাম দল এবং কূটনীতিকদের পক্ষ থেকে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলকে সমঝোতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হলেও তাতে ফল আসেনি। প্রধানমন্ত্রী টেলিফোনে বিরোধী দলীয় নেতাকে গণভবনে বসার আমন্ত্রণ জানালেও দুই নেত্রীর মধ্যে সেই সাক্ষাৎও হয়নি।
সর্বদলীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের দুই সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, জাতীয় পার্টির সভাপতিম-লীর সদস্য রওশন এরশাদ, আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও রুহুল আমিন হাওলাদার, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। এছাড়া জাতীয় পাটির সভাপতিম-লীর সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু ও সালমা ইসলাম শপথ নেন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে। সভাপতিমন্ডলীর আরেক সদস্য জিয়া উদ্দিন আহমেদ বাবলু প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান।
 শেখ হাসিনার দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা লাভের পর পাঁচ বছর মন্ত্রিসভার বাইরে থাকা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ সেই সরকারের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। মহাজোট সরকারের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননও প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হন, যিনি ২০১২ সালে এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
২০১৩ সালের শেষের দিকে গঠিত সরকারকে সর্বদলীয় বলা হলেও এ মন্ত্রিসভায় ছিল না প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠন করায় সংকট আরও ঘনীভূত হয়। বিএনপির সংলাপের মাধ্যমে একটি সমঝোতা চেয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের কূটজালে বিএনপির সে বাসনা তিরোহিত হয়। সচেতন মহল সব সময় বলে আসছিলেন, সর্বদলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় সরকারের বিকল্প নেই। জনগণের অনুভূতিকে সম্মান দিয়ে একতরফা নির্বাচন করার চিন্তা থেকে আওয়ামী লীগকে সরে আসতে হবে।
দিন যতই অগ্রসর হয় পরিস্থিতির গুণগত পরিবর্তন এবং ইস্যু সুনির্দিষ্ট হয়েছে। বিএনপির সিনিয়র নেতাদের গ্রেফতার এবং বিরোধীদলীয় নেতার প্রতি মানসিক নির্যাতন-নিপীড়নের পরও খালেদা জিয়া দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন না করার আন্দোলনে আপসহীন ছিলেন। আন্তর্জাতিক কোনো কোনো মহল স্পষ্ট করেই বলে দিয়েছিল, গ্রেফতার এবং হরতাল কোনোটাই কাম্য নয়।
২০১৩ সালের শেষের দিকে বিরোধী দলের কর্মসূচি চলাকালে দেশ বিপর্যস্ত এবং পুলিশ সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। সাক্ষাৎকারে পুলিশ সদস্যরা বলেছিলেন, সকাল থেকেই জীবন রক্ষার জ্যাকেট পরে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাদের ব্যক্তিগত জীবনে স্বস্তিহীনতার কথা উল্লেখ করেছেন। এ থেকে বোঝা যায়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধৈর্য্যহীন হয়েছে। (সূত্র : দৈনিক ইনকিলাব ১৮ নভেম্বর ২০১৩)
স্যামুয়েল হান্টিংটন বলেছিলেন, একটি দেশের গণতন্ত্র স্থায়ী রূপ নিয়েছে কি না, সেটা বোঝা যাবে গণতন্ত্রে উত্তরণের পথে ওই দেশ পর পর দুটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে পারছে কি না; যাতে ক্ষমতার হাতবদল হয়েছে। একে তিনি বলেছেন ‘টু টার্নওভার টেস্ট’ (দুবার বদলের পরীক্ষা)। পরাজিতরা ফলাফল মেনে নিয়েছে কি না এবং বিজয়ীরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও প্রতিষ্ঠানকে পাল্টে দিয়ে কর্তৃত্ববাদী শাসনের সূচনা করেছে কি না, সেটা গণতন্ত্রায়ণের নির্ধারক পরীক্ষা।
৭ নভেম্বর ২০১৩ চ্যানেল আই-এর তৃতীয় মাত্রায় সাবেক ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নুরে আলম সিদ্দিকী বলেছিলেন, ‘.....ভারতে সোনিয়া গান্ধী যে ত্যাগের আদর্শ দেখিয়েছেন তার বিন্দুমাত্রও যদি শেখ হাসিনা দেখাতে পারতেন, তা হলে দেশের অবস্থা এমন খারাপ হতো না। যারা বঙ্গবন্ধুর চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বানাতে চেয়েছেন তাদের দলে নেয়া হয়েছে, মন্ত্রিত্ব দেয়া হয়েছে...।’
মহাজোট সরকারের কতক নেতা বিপক্ষ দলের প্রতি সহানুভূতি না দেখিয়ে বিরোধী দলের নেত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে রাস্তায় নামুন। বন্দুকের গুলির সামনে দাঁড়ানোর সাহস না থাকলে, কারাগারের ভয় থাকলে আন্দোলন করবেন না। হরতাল দেবেন না। আপনারা ঘরে বসে হরতাল ডাকবেন আর সাধারণ মানুষ লাশ হবে-এভাবে ক্ষমতায় যাওয়া চলবে না।
১৮ নভেম্বর ২০১৩ সংসদে সরকারি দলের ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি সর্বদলীয় সরকার শপথ নিয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা গণতন্ত্র হত্যা ও নির্বাচন বানচাল করতে চান। মানুষের রক্তে তিনি কেন গোসল করতে চান? রাজপথে রক্ত ঝরিয়ে ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে কোনো কিছু আদায় হবে না। কিছু চাইলে তাদের সর্বদলীয় সরকারে আসতে হবে। সর্বদলীয় সরকারে তাদের জন্য আসন সংরক্ষিত আছে। বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, নাম দিন, শপথ নিন।
ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষা করার জন্যই পঞ্চদশ সংশোধনী করা হয়েছে। এই সংবিধানের আলোকে নির্বাচন করে দেশে শান্তির বদলে সংঘাত বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। আগের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য সংবিধানে লিপিবদ্ধ ছিল। বর্তমান সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কে কিছু বলা নেই। বিগত সংসদ নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে বর্তমান সরকারই দায়িত্ব পালন করায় সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীকে দেয় ক্ষমতার অপপ্রয়োগের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। এই বিবেচনায় নির্বাচনের সমতল মাঠ তৈরি হওয়ার অন্তরায় হিসেবে বিরোধী দল ও মহল যে বক্তব্য দিয়ে আসছে তাকে কার্যত অগ্রহণযোগ্য মনে করার কোনো যুক্তি নেই।
নির্বাচন প্রশ্নে ১৯৯৪-১৯৯৬ সালের সহিংসতা, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন, ২০০৪ সালের চতুর্দশ সংশোধনী-সবই বিরাজমান সীমিত আকারের গণতন্ত্রের জন্যও হুমকি হিসেবে উপস্থিত হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়া যাবে না বলে স্লোগান দিয়ে আওয়ামী জোটের মিত্র আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ২০১৩ সালের প্রথম দিকে যে বাতাস তোলার চেষ্টা করেছিলেন কার্যত তার বাবা তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া জীবিত থাকলে বর্তমান পরিস্থিতিকে কিভাবে দেখতেন তা বলা কষ্টকর।
আওয়ামী লীগ-বিএনপিকে দিয়ে যে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে না, তা দেশের মানুষ বুঝে গেছে। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের জবাবদিহি জনগণের কাছে নয়, তারা জবাবদিহি করে বিদেশী প্রভুদের কাছে। বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পক্ষে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, চীনসহ প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগেও সংলাপ সমঝোতায় বসাতে দুই নেত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘ তৎকালীন মহাসচিব বান কি-মুনের ফোন, যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির চিঠির পর কার্যত কোনো ফলাফল আসেনি। যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা প্রধান দুই দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন কোন সফলতা দেখাতে পারেননি।
বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতায় আসার পর ভারত-মার্কিন নীতির ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনার প্রদত্ত ‘যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে সব দলের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায়’ বক্তব্যটি কার্যকারিতা এখনো হারিয়ে যায়নি।
তবে ‘এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আসতে পারে, ব্যক্ত করতে পারে হতাশার কথা’-যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়ালের বক্তব্যটি আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। বার্তা সংস্থা রয়টার্সে প্রকাশিত ‘দক্ষিণ এশিয়ায় গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম’ শিরোনামের নিবন্ধে তিনি এ আশঙ্কা করেছিলেন। (সূত্র : দৈনিক আমাদে সময় ১৮ নভেম্বর ২০১৩)
তিন দিনের সফরের শেষ দিন ১৮ নভেম্বর ২০১৩ গুলশানে আমেরিকান ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সঙ্কট নিরসনে দুই দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে না হলেও অন্তত মহাসচিব পর্যায়ে আলোচনা হতে পারে।
তার মতে, বিশ্বে গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সব সময়ই সহযোগিতা দিয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র চায়, বাংলাদেশেও একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মহাসচিবদের আরও ক্ষমতায়ন করতে হবে, যেন তারা সংলাপের বিষয়ে উদ্যোগ নিতে পারেন। আর সংলাপে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্বন্ধে আলোচনা হওয়াটা জরুরি বলে আমরা মনে করছি।
২০১৪ সালের নির্বাচনকে নিয়ে ইসির অবস্থান, নির্বাচনের দিনক্ষণ, প্রধান বিরোধী দল বিএনপি অংশ না নিলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করাসহ নানা প্রসঙ্গ নিয়ে ভারতীয় দূতাবাসের রাজনৈতিক কাউন্সিলর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে নীল নকশা বাস্তবায়ন করা নিয়েই যে কথা হয়েছিল তাতে সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই। সঙ্গত প্রশ্ন উঠেছে, এ বৈঠক কিভাবে এবং কাদের নির্দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে? বেশ কিছুদিন থেকেই বাংলাদেশের ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি সম্পন্ন নির্বাচন নিয়ে ভারতীয়দের বাজেট বরাদ্দের নানা খবর প্রচারিত হয়ে আসছিল।
আর ইসির লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির নমুনা দেখে গোটা জাতি হতবাক হয়েছেন। বিগত ৪৪ বছরে জাতি যে ১২টি নির্বাচন কমিশন পেয়েছিল তাদের সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার পাল্লাই ভারী। ১৯৭০ সালে বিচারপতি আবদুস সাত্তার একজন সফল নির্বাচন কমিশনার ছিলেন। এরপর ১৯৭৩ সালে বিচারপতি মোঃ ইদ্রিস অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুনাম অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন। বিদায়ী ইসি কাজী রকিব উদ্দীন আহমদের মধ্যে ১৯৭৩ সালে ছায়া লক্ষ্য করা গেছে। সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দীন আহমদ এখন ব্যর্থের তালিকায় আছেন।
রকিব উদ্দীনের নীলনকশা কি আবার জাতির ঘাড়ে চেপে বসছে? সারা দেশে একাদশ সংসদ নির্বাচনকে দুর্নীতিমুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক করার জন্য বিভিন্নমুখী প্রচেষ্টা চলমান থাকাকালীন আওয়ামী লীগের এক এমপি বলেছেন, ‘আমরা কোনো ইলেকশন চাই না। প্রধানমন্ত্রী আছেন, থাকবেন। আরও পাঁচ-দশ বছর দেশ চালাবেন।’ (সূত্র : দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন ৮ জুন ২০১৭)

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ