ঢাকা, বুধবার 19 July 2017, ৪ শ্রাবণ ১৪২8, ২৪ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

আরও একটি কলঙ্কিত নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা চলছে

 

মোহাম্মদ জাফর ইকবাল: ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির ন্যায় আরও একটি কলঙ্কিত নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত রোববার নির্বাচন কমিশন একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। ঘোষিত এই রোডম্যাপ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্ররা ছাড়া কেউই গ্রহণ করেনি। এমনকি আওয়ামী ঘরানার হিসেবে পরিচিত বৃদ্ধিজীবিরাও এই রোডম্যাপের সমালোচনা করে বলেছেন, ঘোষিত এই রোডম্যাপে নতুন কিছু নেই। সবার সমান সুযোগ নিশ্চিতে ইসিকে এখনই যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা সবাই বলছে সেটিকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। বরং নির্বাচন কমিশন বলছে, এই সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। যদিও দেশে-বিদেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন কখনোই সম্ভব নয় বলে মতামত দেয়া হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন কমিশন মূলত ক্ষমতাসীনদেরই খুশি করেছে। অথচ তাদের উচিৎ ছিল বিরোধী জোটকে আস্থায় আনা। 

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির প্রথম শর্ত হলো, সব দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী কমিশন নির্বাচনী আইনের সংস্কার, আসনের সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা, নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের আবেদন গ্রহণের মতো কর্মপরিকল্পনা পেশ করেছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নিঃসন্দেহে এসব কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, নির্বাচন কমিশন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব বলয়ের বাইরে গিয়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে কি না, সেই সংশয় দূর করা। কিন্তু নির্বাচন কমিশন যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে, তাতে এসব বিষয়ে অনেক অস্পষ্টতা রয়ে গেছে। যেমন- নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা কী হবে, সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। অতীতে যেসব নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে, সেগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আগামী নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন কিছু বলেনি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব। কিভাবে ক্ষমতাসীন দলের সাজানো প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে থেকে তিনি নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করবেন, সেটি একটি বড় প্রশ্ন। কিভাবে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর জন্যও সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে, সে ব্যাপারে কোনো দিকনির্দেশনা এই রোডম্যাপে নেই। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমে ভোটগ্রহণের বিষয়টি নাকচ করে দেয়া হলেও প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, ইভিএমের দরজা বন্ধ হয়ে যায়নি। অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনের প্রচ্ছন্নভাবে হলেও ইভিএমে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের রোডম্যাপ ঘোষণার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে- নির্বাচন কমিশন যে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে, সে ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা অর্জন করা। নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দল ও সুশীলসমাজের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তাদের পক্ষ থেকে নানা ধরনের পরামর্শ দেয়া হবে। এসব পরামর্শ নির্বাচন কমিশন কতটা বাস্তবায়ন করতে পারে, তার ওপর কমিশনের স্বাধীন অবস্থানের দিকটি স্পষ্ট হবে। 

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বলেন, এটা ইসির রুটিন ওয়ার্ক। এর মধ্যে নতুনত্ব নেই। নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা, সীমানা পুননির্ধারণ নরমাল কাজ। তবে তফসিলের পরে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে কাজ করার কথা যেটা বলা হচ্ছে, তা ঠিক বলেনি। এটা এখনই করতে হবে। নয় তো সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অসম্ভব। তিনি বলেন, এখনই যদি তারা সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত না করেন তা হলে পরস্পরবিরোধী অবস্থান প্রকট হতে থাকবে। সবাই অংশগ্রহণ করবে না। তাই এখন থেকেই তাদের সবার সুযোগ নিশ্চিতে পদক্ষেপ নিতে হবে।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ বলেন, ইসি যে কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করেছে তার মধ্যে স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই। এখানে আইন সংস্কার করার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু কী কী সমস্যা আছে সে বিষয়ে বিস্তারিত বলা হয়নি। আগে সমস্যা চিহ্নিত করে তার সংশোধন কিংবা সংস্কার করতে হবে। তিনি বলেন, তাদের (ইসি) এখন থেকেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে কাজ করতে হবে। তারা যদি সেটি না পারে তা হলে সবার অংশগ্রহণ অনিশ্চিত। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন আগামী নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার পর প্রথম প্রশ্ন উঠেছে, কোণঠাসা হয়ে পড়া বিরোধী দল এই রোডম্যাপ থেকে কি কোনো আস্থা পাচ্ছে? ক্ষমতাসীন দল রোডম্যাপ ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও ইসির এ কর্মপরিকল্পনার বিরোধিতা করছে বিএনপিও। ইসিকে নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রোডই যখন নেই, তখন ম্যাপে কী হবে? নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করুন। অন্যথায় নির্বাচনী রোডম্যাপ সার্থক হবে না। সব ব্যর্থতার দায় আপনাদের নিতে হবে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রশ্নবিদ্ধ ব্যক্তির মাধ্যমে ইসি গঠন করা হয়েছে। তার পর আমরা বলেছি, একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করলে সমর্থন পাবেন। ইসি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে, খুব ভালো কথা। কিন্তু নির্বাচন করতে হলে সব রাজনৈতিক দলকে একই রাস্তায় নিয়ে আসতে হবে। সেই রাস্তা কোথায়? এছাড়া তিনি বলেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অধীনেই নাকি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। যেখানে বিরোধী দল তাদের সাংবিধানিক অধিকারই পাচ্ছেনা, সভা-সমাবেশ করতে পারছেনা, অফিসে বসতে পারছেনা, সেখানে আওয়ামী লীগের কিভাবে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। 

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ডা: শফিকুর রহমান এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অধীনে সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আদৌ সম্ভব নয়। তার সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন হলে তাতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি ঘটবে। 

আওয়ামী ঘরানার বুদ্ধিজীবি বলে পরিচিত বেসরকারি সংস্থা জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক পরিষদের (জানিপপ) চেয়ারম্যান ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ বলেন, ইসি যে কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করেছে, সেটা সময়োপযোগী। তবে সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে এখনই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরী করতে হবে। বিরোধী জোটকে আস্থায় আনতে হবে। ভোটারদের মধ্যে এই বিশ্বাস জন্মাতে হবে যে, তারা সঠিকভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। 

সূত্র মতে, স্বাধীনতার পর দীর্ঘ এই সময়ে দেশে দশটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বাধীন দেশের প্রথম নির্বাচনটি ছিল জবরদস্তিমূলক ও কার্যত একদলীয় নির্বাচন। ক্ষমতায় থেকে সরকার নির্বাচন পরিচালনা করলে নির্বাচনের ফল কেমন হতে পারে তার নগ্ন নজির ছিল সেই নির্বাচন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ২৮৯ আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে ২৮২ আসনে বিজয়ী হয়েছিল। আওয়ামী লীগের মোকাবেলা করার মতো বিরোধী দল না থাকা সত্ত্বেও ভোট কারচুপির ব্যাপক নজির স্থাপন করেছিল ক্ষমতাসীন দল। আগের বছর ছাত্রলীগ থেকে রব-জলিল ও সিরাজুল আলম খানের গড়া জাসদ ২৩৭ আসনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে মাত্র একটি আসন পায়। এই নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সংসদেই ১৯৭৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকে বিনা নির্বাচনে রাষ্টষ্ট্রতি ঘোষণা করা হয়। সব রাজনৈতিক দল বিলোপ করে একদলীয় ব্যবস্থা বা বাকশাল কায়েম হয়ে যায়। এর মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগেরও বিলুপ্তি ঘটেছিল। 

বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বাধীনতার পর বারবার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নীলনকশার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করেছে এবং এসেছে। ২০০৭ সালে মঈন ফখরুদ্দিনদের সাথে আঁতাত করে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। সরকার গঠন করেই তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে। সেই আওয়ামী লীগের আমলে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বাংলাদেশে অদ্ভুত এক সংসদ নির্বাচন হয়েছে, যেখানে সরকার গঠনের মতো সংখ্যাগরিষ্ঠ ১৫১ আসনেই সংসদ সদস্যরা বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি আসনের নির্বাচনে ভোট পড়েছে মাত্র ৫ শতাংশের মতো। ভোটকেন্দ্রে মানুষ তো ছিলই না, অনেক সংবাদপত্র ব্যালট বাক্সের পাশে কুকুর শুয়ে থাকার ছবি ছেপেছে। দেশের একটি জাতীয় দৈনিকের শিরোনাম ছিল- কলঙ্কিত নির্বাচন। 

সূত্র মতে, আগামী একাদশ নির্বাচন হওয়ার কথা ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে। এরই মধ্যে সরকারি দল নৌকার পক্ষে প্রচারণায় নেমে পড়েছেন। আর বিরোধীরা আছেন অনেকটা গৃহবন্দী। তাদের ভোট চাওয়া তো দূরের কথা, সভা-সমাবেশ করারও অধিকার নেই। বিরোধী দলের কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নেই। মামলা আর গণগ্রেফতারে কাহিল বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা। এরই মধ্যে বর্তমান নির্বাচন কমিশন একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে। তারা যে কোন ধরনের নির্বাচনের আয়োজন করবে সেটি তাদের বক্তবেই দেখা গেছে। এই বৈরী পরিস্থিতির মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনী প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। কিন্তু শঙ্কা হচ্ছে, নির্বাচন কি হবে? হলেও কেমন নির্বাচন হবে? 

সূত্র মতে, দেশের মানুষ অন্তত তিনটি নির্বাচনে অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পেরেছে। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১- এ তিনটি নির্বাচন হয়েছিল নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। ২০০৭ সালের নির্বাচনও হয়েছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। রাজনীতিকদের ওপর সেই সরকারের নানা নিপীড়নমূলক তৎপরতা এবং নির্ধারিত মেয়াদের চেয়ে জবরদস্তিমূলক বেশি সময় ক্ষমতায় থাকার কারণে তারা বিতর্কিত হয়ে পড়েন। শেষ পর্যন্ত এই অভিযোগে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করে দিয়েছে। এখন সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের অধীনে নির্বাচন হবে। সেখানেই যত ভয়। কারণ দলীয় সরকারের অধীনে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন আর স্বাধীন থাকে না। ১৯৭৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত দলীয় সরকারের অধীনে যেসব নির্বাচন হয়েছে, কোনোটিই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে হতে পারেনি।

বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপিকা ড. দিলারা চৌধুরীর মতে, জাতীয় সংসদ বহাল থেকে নির্বাচন হয়, এটা কোনো দেশে আমি দেখিনি। মন্ত্রী-এমপিরা সরকারি গাড়ি, পতাকা ব্যবহার ও পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাবেন তাহলে কিভাবে সেখানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হয়। এখানে নির্বাচন কিভাবে হবে তা নির্বাচন কমিশনের ওই রোডম্যাপ বা কর্মপরিকল্পনা দিয়ে হবে না। এটা হবে ক্ষমতাসীন দলের সরকার প্রধানের ইচ্ছার ওপর ভিত্তি করে। তিনি বলেন, একটা সংসদ ভেঙে দিয়ে, মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়ে জাতীয় নির্বাচন হবে এটাই যৌক্তিক। কিন্তু এসব বহাল রেখে কিভাবে ইসি একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করবেন। ইসির এসব রোডম্যাপ দিয়ে কিছুই হবে না। তিনি বলেন, সারা বছর দেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে না। আর ইসি ওই তিন মাসে কী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করবেন। সবার জন্য সমান নির্বাচনী পবিবেশ সৃষ্টি করতে না পারলে এ রোডম্যাপ বা কর্মপরিকল্পনা দিয়ে কিছুই হবে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ