ঢাকা, বুধবার 19 July 2017, ৪ শ্রাবণ ১৪২8, ২৪ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ভুয়া নিউরো সার্জন এম এস আলমকে ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা: চুয়াডাঙ্গায় ভ্রাম্যমান আদালতে ভুয়া নিউরো সার্জারী ডা. এম এস আলমকে ৬ মাসের কারাদন্ড এবং সেই সাথে সেবা প্রদানে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়ায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দার উপ-পরিচালক আবু জাফর ইকবালের অনুসন্ধানে এই জালিয়াতি ধরা পড়লে বৃহ¯পতিবার সন্ধ্যার কিছু আগে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পাপিয়া আক্তারের নেতৃত্বে সদর হাসপাতাল সড়কে নিউ জনতা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালতকে সহযোগীতা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিব্বির আহমেদ ও পুলিশ সদস্যরা। ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বারে বসা ডা. এম এস আলমের প্যাডে দেওয়া এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমআরসিএস (ইউকে), এফসিপিএস (সার্জারী) ও এমএস (নিউরো সার্জারী) পরিচয়ের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ হয়। এ সময় ডা. এম এস আলমকে উল্লেখিত পদবীর প্রমাণ দিতে বলা হয়। প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে ভুয়া এমএস (নিউরো সার্জারী) ডা. এম এস আলমকে মেডিক্যাল এবং ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ এর ২৯ (১) ও (২) ধারায় ভুয়া পদবী ব্যবহারের দায়ে ৬ মাসের কারাদন্ড প্রদান করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
সেই সঙ্গে সেবা প্রদানে অবহেলার পরিচয় দেয়ায় ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক তৌহিদ হোসেন তোতাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১৫দিনের কারাদন্ডের আদেশ দিলে জরিমানার টাকা পরিশোধ করে মুক্তি পায়।চুয়াডাঙ্গা জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দার উপ-পরিচালক আবু জাফর ইকবালের অনুসন্ধান করে জানতে পারে যে, দন্ডপ্রাপ্ত ডা.এম এস আলম ওরফে এ এস এম আলম ওরফে আবু মো. শাকুরুল আলম সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুরের মরহুম শামসুল আলমের ছেলে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ