ঢাকা, বৃহস্পতিবার 20 July 2017, ৫ শ্রাবণ ১৪২8, ২৫ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কালুরঘাটের নিজস্ব জায়গায় চিটাগাং গ্রিন এ্যাপারেলস্ জোন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রাম নগরীর ভারী শিল্প এলাকা কালুরঘাটের ১১.৪৮ একর জায়গায় চিটাগাং গ্রিন এ্যাপারেলস্ জোন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। এ বিষয়ে বিজিএমই এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে চসিক। নানা জটিলতায় উক্ত এ্যাপারেলস্ জোন নির্মাণ কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না। ১৯৮৯ সনের ২৯ নভেম্বর সিডিএ থেকে উক্ত জায়গা লিজ দলিল মূলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন গ্রহণ করে। এ যাবত উক্ত জায়গাটি অব্যবহৃত থাকায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন পরিকল্পিত নগরায়ন কর্মসূচির আওতায় বিজিএমই’র সাথে উক্ত জায়গায় চিটাগাং গ্রিন এ্যাপারেলস্ জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। উক্ত জায়গায় মোহরা ত্রিরত্ন সমবায় সমিতি নামে একটি বৌদ্ধ সংগঠন ভাবনাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করে কিছু জায়গা দখল করে নিয়েছে এছাড়াও খানকায়ে গাউছিয়া নামে   ইউনুছ ফকির  এর আওলাদগণ কিছু জায়গা দখল করে রেখেছে। এছাড়াও প্রস্তাবিত এ্যাপারেল জোনের জায়গায় অনাকাংখিত কিছু মামলা রয়েছে। এসকল বিষয়গুলো সমাধানের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র   আ জ ম নাছির উদ্দীন ১২ জুলাই   সকালে প্রকৌশল বিভাগ,ম্যাজিষ্ট্রেট এবং বিজিএমইএ চট্টগ্রাম এর নেতৃবৃন্দকে নিয়ে উল্লেখিত জায়গা সরেজমিনে দেখতে যান। সেখানে তিনি খানকায়ে গাউছিয়া নামে এবং বৌদ্ধ সংগঠনের ভাবনাকেন্দ্র নামে অবৈধ কিছু স্থাপনা দেখতে পান। মেয়র সংশ্লিষ্ট দখলদারদের খোঁজ খবর নেন এবং তাদেরকে মেয়রের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে তাদের মতামত উপস্থাপনের নির্দেশনা দেন। এছাড়াও মেয়র বৌদ্ধপল্লী ঘুরে দেখেন সেখানকার সড়ক সমূহের উন্নয়নে প্রকল্প গ্রহণের জন্য প্রকৌশল বিভাগকে নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় ৫ নং মোহরা ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম, ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুদ্দিন খালেদ সাইফু, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সনজিদা শরমিন, যুগ্ম জেলা জজ জাহানারা ফেরদৌস,বিজিএমই’র চট্টগ্রাম এর সহসভাপতি মোহাম্মদ ফেরদৌস,পরিচালক কাজী মাহবুব উদ্দিন জুয়েল, ৫নং ডিভিশনের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আইয়ুব, সুদীপ বসাক ও সহকারী এস্টেট অফিসার এখলাস উদ্দিন সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ