ঢাকা, শুক্রবার 21 July 2017, ৬ শ্রাবণ ১৪২8, ২৬ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

হাইকোর্টে ক্ষমা পেলেন পাঁচ আইনজীবী

স্টাফ রিপোর্টার : হাইকোর্টের বেঞ্চ কর্মকর্তাকে মারধর ও নথি তছনছ করে আদালতের কার্যক্রমে বিঘœ সৃষ্টির ঘটনায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করায় পাঁচ আইনজীবীকে অব্যাহতি দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বেঞ্চ কর্মকর্তারা অনৈতিকভাবে আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত কি না তা তদন্ত করতে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

পাঁচ আইনজীবী হলেন- নূরে ই আলম উজ্জ্বল, লিজেন পাটোয়ারী, সুলতান মাহমুদ, মতিলাল বেপারি ও মোহাম্মদ আলী।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার এবং বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে আইনজীবীদের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সাবেক সম্পাদক ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল ও বর্তমান সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, সাবেক সভাপতি ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার।

গত ১০ জুলাই আদালতের এজলাস কক্ষে ভাঙচুর, বেঞ্চ কর্মকর্তাকে মারধর ও আদালতের কার্যক্রমে বিঘœ সৃষ্টির ঘটনায় নিঃশর্ত ক্ষমা চান সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ আইনজীবী।

এর আগে গত ১৯ জুন আদালতের এক আদেশে বলা হয়, ২৪ নম্বর কক্ষে (এনেক্স) আইনজীবীরা চিৎকার শুরু করেন, এতে আদালতের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। পরে চার আইনজীবী ডায়াসে চলে এসে রফিকুল ইসলাম নামে বেঞ্চ কর্মকর্তার ওপর চড়াও হন, তার মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করেন এবং আদালতের মামলার নথিপত্র তছনছ করেন। তাদের অজুহাত, তালিকাভুক্ত না হওয়া মোশনের (আবেদন) শুনানি হয়নি। আইনজীবী মোহাম্মদ আলীসহ অন্য আইনজীবীরা ডায়াসের পাশে দাঁড়িয়ে এসব কর্মকান্ডে উৎসাহ দেন। এসব অভিযোগে গত ২ জুলাই পাঁচ আইনজীবীর বিরুদ্ধে রুল জারি করে তাদের হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না তার কারণ জানতে রুল জারি করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ