ঢাকা, শুক্রবার 21 July 2017, ৬ শ্রাবণ ১৪২8, ২৬ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

রোড ম্যাপ নয় ॥ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন লেভেল প্লেইং ফিল্ড -বাংলাদেশ ন্যাপ

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের শুধু রোড ম্যাপ দিলেই হবে না বরং প্রতিক্ষিত নির্বাচনী মহাসড়কে লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি করেতে ইসির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের স্বার্থে, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সরকারকেও আন্তরিক অবস্থান গ্রহণ করতে হবে। সরকারের উচিত একগুয়েমী নীতি পরিহার করে দেশের সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে জাতীয় সংলাপের আয়োজন করা।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে নীলফামারীর ডিমলা স্থানীয় মিলনায়তনে ভাসানী শিক্ষক পরিষদ ডিমলা উপজেলার ত্রি-বার্ষিকী কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ভাসানী শিক্ষক পরিষদ ডিমলা উপজেলা আহ্বায়ক মো. আফিজার রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। বক্তব্য রাখেন ন্যাপ নীলফামারী জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ওয়াহিদুর রহমান, উপদেষ্টা আবদুর রহমান, ডিমলা উপজেলা আহ্বায়ক শাহ্ আজিজুল ইসলাম, সদস্য সচিব মো. মোফাক্কারুল ইসলাম পেলব, উপজেলা ভাসানী শিক্ষক পরিষদ সদস্য সচিব প্রভাষক মনোয়ার হোসেন, শিক্ষক প্রতিনিধি আজিবুল হক বুলবুল, মো. নুর আলম, মো. সেফুল আলম প্রিন্স, শফিকুল ইসলাম স্বপন প্রমুখ।

জেবেল রহমান গানি বলেন, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবতা, মানবাধিকার আজ পদদলীত। দেশের মানুষ অতীতে কখনও একদলীয় শাসন মেনে নেয়নি, ভবিষ্যতেও নেবে না। দেশে এখন জনগণের নির্বাচিত ও গণতান্ত্রিক সরকার নেই। বর্তমান সরকার জোর করে একদলীয় নির্বাচনের মাধ্যমে জোর করে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত রয়েছে। দেশে এখন একদলীয় সরকারের শাসন চলছে।

এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, শাসগোষ্টির অপশাসনের কারণে এক সাগরের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়ের চেতনা আজ প্রশ্নবিদ্ধ। দেশের গণতন্ত্র আজ পদদলীত। বর্তমান সরকার বার বার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বললেও প্রকৃত অর্থে তারা তা বিশ্বাস করে না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের ইতহাস নিজেরাই বিকৃত করছে। তারা ইতিহাস থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীকেও মুছে দিতে চাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধ আর স্বাধীনতার সংগ্রামের সকল সেনানীকে মুছে দিয়ে একক দাবীদার হিসাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছে।

সম্মেলনে মো. আফিজার রহমানকে সভাপতি, প্রভাষক মনোয়ার হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট ভাসানী শিক্ষক পরিষদের ডিমলা উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্যরা হলেন : সিনিয়র সহ-সভাপতি মনছের আলী, সহ-সভাপতি সোলেমান, নজরুল ইসলাম, বেলাল হোসেন, মিসেস শাহানা আক্তার, যুগ্ম সম্পাদক আনিছুল ইসলাম, মুজাহিদুল ইসলাম নয়ন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদুল ইসলাম মামুন, তৌহিদ আলম, জিকরুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম স্বপন, মো. ণূর আলম, দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুর রহমান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা তবিবুল ইসলাম, নারী বিষয়ক সম্পাদক হেনা বেগম, মারুফা বেগম প্রমুখ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ