ঢাকা, সোমবার 24 July 2017, ৯ শ্রাবণ ১৪২8, ২৯ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কুরবানিতে ফ্রিজের বাড়তি চাহিদা ॥ প্রস্তুত ওয়ালটন

বিশ্ব প্রযুক্তি ও সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে ওয়ালটন। নতুন নতুন প্রযুক্তি ও বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের উচ্চ মানসম্পন্ন ফ্রিজ দিয়ে গ্রাহকদের আস্থার শীর্ষে উঠে এসেছে এই বাংলাদেশী ব্র্যান্ড। এবার তারা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে আগামী কোরবানির ঈদে রেকর্ড পরিমাণ ফ্রিজ বিক্রির। রেফ্রিজারেটরের প্রধান মৌসুম ঈদুল আযহায় ৫ লাখ ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট নিয়েছে ওয়ালটন। 

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে ফ্রিজের সিংহভাগ মার্কেট শেয়ার ওয়ালটনের। গত রোজায় স্থানীয় বাজারে দুই লাখের বেশি ফ্রিজ বিক্রি করেছে তারা। দেশের বাজারে কোরবানির ঈদকেই মনে করা হয় ফ্রিজ বিক্রির প্রধান মৌসুম। স্বাভাবিক প্রয়োজন ছাড়াও কোরবানির গোসত সংরক্ষণের জন্য ওই সময় ফ্রিজ বিক্রি ব্যাপক বেড়ে যায়। যে কারণে বিক্রেতারা সারা বছর অপেক্ষা করেন ওই সময়ের জন্য। কিন্তু দেখা যায়, শেষ মুহূর্তে চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কুলিয়ে উঠতে পারে না সরবরাহকারীরা। আর সেজন্যই ওয়ালটন আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। কারখানায় উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে। গড়ে তোলা হয়েছে পর্যাপ্ত মজুদ। 

এ অবস্থায় চলতি জুলাই ও আগস্টে ৫ লাখের মতো ফ্রিজ বিক্রির টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত কোরবানি ঈদের বিক্রির তুলানায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি। গত বছরের কোরবানি ঈদের আগে (জুলাই ও আগস্ট) ৪ লাখের কাছাকাছি ফ্রিজ বিক্রি হয়েছিল ওয়ালটনের। আর এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় কর্মকৌশল গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। 

সূত্রমতে, ফ্রিজ নিয়ে গবেষণার জন্য ওয়ালটনের রয়েছে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন ও গবেষণা কেন্দ্র। সেখানে কর্মরত দক্ষ প্রকৌশলীরা প্রতিনিয়ত গবেষণার মাধ্যমে বাজারে আনছেন বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী লাগসই প্রযুক্তি ও ডিজাইনের রেফ্রিজারেটর। এরই মধ্যে বাজারে গ্রাহকপ্রিয়তা পেয়েছে ওয়ালটনের গ্লাস ডোর, ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার ও বড় ডিপযুক্ত বিভিন্ন মডেলের ফ্রিজ। এর বাইরে ওয়ালটনের সকল মডেলের ফ্রিজেরই রয়েছে বিশাল চাহিদা। বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারিজের সমন্বয়ে নিজস্ব কারখানায় উচ্চমানের ফ্রিজ উৎপাদন করে সাশ্রয়ী মূল্যে তা ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেয়ায় গ্রাহকচাহিদার শীর্ষে ওয়ালটন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ