ঢাকা, সোমবার 24 July 2017, ৯ শ্রাবণ ১৪২8, ২৯ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

এইচএসসি পরীক্ষায় ঈর্ষণীয় ফলাফলে উল্লসিত ভিকারুন নিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা (বামে) আলীম পরীক্ষার ফলাফলে শীর্ষস্থান অর্জনকারী তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা টঙ্গী অধ্যক্ষসহ উল্লসিত শিক্ষার্থীদের একাংশ (ডানে) -সংগ্রাম

* ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের পাসের হার বেশি

* শীর্ষে সিলেট, বিপর্যস্ত কুমিল্লা 

সামছুল আরেফীন : এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল গতকাল রোববার প্রকাশিত হয়েছে। এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই কমেছে। এবারে ১০ বোর্ডের গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। গতবার এ হার ছিল ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। এবার মোট ১১ লাখ ৬৩ হাজার ৩৭০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে পাস করেছে ৮ লাখ ১ হাজার ৭৭১ জন। গড় পাসের হার ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। এর মধ্যে ছাত্রীদের পাসের হার ৭০.৪৩ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্রদের পাসের হার ৬৭ দশমিক ৬১ শতাংশ। ডিআইবিএসসহ এবারের মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৬৯ জন। এর মধ্যেও ছাত্রদের সংখ্যা ২০ হাজার ৫৩৫ জন। ছাত্রীরা জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৭ হাজার ৪৩৪ জন। 

এবারের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন শুধু এইচএসসি পরীক্ষার গড় পাসের হার ৬৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ। গতবার এ হার ছিল ৭২ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এখানেও পাসের হার কমেছে। এবারের জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৩ হাজার ২৪২ জন। গতবার পেয়েছিল ৪৮ হাজার ৯৫০ জন। 

এ দিকে মাদরাসা ও কারিগরিতেও গতবারের চেয়ে ফল খারাপ হয়েছে। মাদরাসা বোর্ডে এবার পাসের হার ৭৭ দশমিক ২ শতাংশ। এ বোর্ডে ১১ শতাংশের বেশি পাসের হার কমেছে। এখানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৮১৫ জন। অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। গতবার এ হার ছিল ৮৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এখানে জিপিএ পেয়েছেন ২ হাজার ৬৬৯ জন। অবশ্য তুলনামূলক ফল খারাপে বিস্মিত নন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেন, এসএসসির মতো এখানে নতুন পদ্ধতিতে খাতা মূল্যায়ন করা হয়েছে। 

এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষায় বেড়েছে পাসের হার ও জিপিএ-৫। এবার ১০ বোর্ডে পাসের হার ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ, যা গতবার ছিল ৬৯ দশমিক ৬০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৮ হাজার ২৭৬ জন, গতবার এই সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ৮৯৪। গতবছর সবচেয়ে খারাপ করা যশোর বোর্ড এবার চমক দেখিয়েছে। তাদের পাসের হার ৪৬ দশমিক ৪৫ থেকে এবার হয়েছে ৮৩ দশমিক ৪২ শতাংশ। পাসের হারের দিক দিয়ে ৮টি সাধারন শিক্ষা বোর্ডের মধ্যেও শীর্ষে এ বোর্ড। জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের প্রায় ৮৫ শতাংশই বিজ্ঞান বিভাগের। 

গতকাল রোববার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন। এর আগে সকালে মন্ত্রী বোর্ড চেয়ারম্যানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি হস্তান্তর করেন। এবার ১০ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১১ লাখ ৬৩ হাজার ৩৭০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ১৫ মে। ব্যবহারিকসহ পরীক্ষা শেষ হয় ২৫ মে। 

বিজ্ঞানে পাসের হার বেড়েছে : সাংবাদিক সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞানে শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার একটা প্রবণতা ছিল। এ বিষয়ে আমরা অনেক প্রচেষ্টা নিয়েছি। এখন আস্তে আস্তে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ বছরও বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ও পাসের হার বেড়েছে। তিনি বলেন, এ বছর বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৫২ জন। উত্তীর্ণ হয়েছে এক লাখ ৭৮ হাজার ২২০ জন। পাসের হার ৮৩ দশমিক ১৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৮ হাজার ৯৩৫ জন। গত বছর বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ছিল এক লাখ ৯০ হাজার ৮৫১ জন। পাস করেছিল এক লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৬ জন, পাসের হার ছিল ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। 

ঢাকা বোর্ড : মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার এবার পরীক্ষার্থী ছিল ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৩৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৭৬ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৬২ হাজার ৬২ জন। পাস করেছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৭৪১ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ১৭ হাজার ৮ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ১৫ হাজার ৭৩৩ জন। পাসের হার ৬৯ দশমিক ৭৪ ভাগ, যা গতবার ছিল ৭৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ। বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ৭৮ হাজার ৯৯২ জন, পাস করেছে ৬৯ হাজার ৭৯৯ জন, মানবিক বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৩২ জন, পাস করেছে ৮৪ হাজার ৮৫১ জন এবং ব্যবসা শিক্ষায় পরীক্ষা দিয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৮১৪ জন, পাস করেছে ৭৮ হাজার ৯১ জন। 

রাজশাহী বোর্ড : মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহীতে এবার পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ২১ হাজার ৮৩৬ জন পরীক্ষার্থী। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৭ হাজার ৬২ জন ছাত্র এবং ৫৪ হাজার ৭৭৪ জন ছাত্রী ছিল। পাস করেছে ৮৬ হাজার ৮৭২ জন। পাসের হার কমে দাড়িয়েছে ৭১ দশমিক ৩০ শতাংশ, যা গতবার ছিল ৭৫ দশমিক ৪০ শতাংশ। 

বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ৩৩ হাজার ৩৯৮ জন, পাস করেছে ২৮ হাজার ৭৪৯ জন, মানবিক বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ৬৭ হাজার ৫১০ জন, পাস করেছে ৪২ হাজার ৬৪০ জন এবং ব্যবসা শিক্ষায় পরীক্ষা দিয়েছে ২০ হাজার ৯৫৮ জন, পাস করেছে ১৫ হাজার ৪৮৫ জন। 

কুমিল্লা বোর্ড : সবচেয়ে বেশি খারাপ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার যেখানে ৬৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ, সেখানে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৪৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। শুধু তা-ই নয়, মানবিক শাখায় এই বোর্ডের পাসের হার মাত্র ৩৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ। 

এবার পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩৭২ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৪৮ হাজার ৪ জন এবং ছাত্রী ৫২ হাজার ৩৬৮ জন। পাস করেছে ৪৯ হাজার ৭০৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২৩ হাজার ৭৯২ জন এবং ছাত্রী ২৫ হাজার ৯১২ জন। পাসের হার ৪৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, যা গতবার ছিল ৬৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ। 

বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ২০ হাজার ১৬৪ জন, পাস করেছে ১৪ হাজার ৬৬৩ জন। মানবিক বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ৪২ হাজার ৩৯৩ জন, পাস করেছে ১৬ হাজার ২৭২ জন। ব্যবসা শিক্ষায় পরীক্ষা দিয়েছে ৩৭ হাজার ৮১৫ জন, পাস করেছে ১৮ হাজার ৭৬৯ জন। 

যশোর বোর্ড : মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোরে এবার পরীক্ষার্থী ছিল ৯৫ হাজার ৬৯২ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৫৫ হাজার ৭৩৯ জন এবং ছাত্রী ৪৮ হাজার ৭১৮ জন। পাস করেছে ৬৭ হাজার ২ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৩৩ হাজার ৮০৮ জন এবং ছাত্রী ৩৩ হাজার ১৯৪ জন। পাসের হার ৭০ দশমিক ২ শতাংশ, যা গতবার ছিল ৮৩ দশমিক ৪২ শতাংশ। 

বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ১৬ হাজার ৪৯৬ জন, পাস করেছে ১৩ হাজার ৩১১ জন। মানবিক বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ৫৮ হাজার ২৩৭ জন, পাস করেছে ৩৭ হাজার ২৩১ জন। ব্যবসা শিক্ষায় পরীক্ষা দিয়েছে ২০ হাজার ৯৫৯ জন, পাস করেছে ১৬ হাজার ৪৬০ জন। 

চট্টগ্রাম বোর্ড : মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রামে এবার পরীক্ষার্থী ছিল ৮২ হাজার ৪১৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৪১ হাজার ৫০৩ জন এবং ছাত্রী ৪০ হাজার ৯১১ জন। পাস করেছে ৫০ হাজার ৩৪৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২৪ হাজার ৭১৬ জন এবং ছাত্রী ২৫ হাজার ৬৩১ জন। পাসের হার ৬১ দশমিক ৯ শতাংশ, যা গতবার ছিল ৬৪ দশমিক ৬০ শতাংশ। 

বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ১৭ হাজার ১৬৬ জন, পাস করেছে ১৩ হাজার ২৭৭ জন। মানবিক বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ৩১ হাজার ১৯৬ জন, পাস করেছে ১৪ হাজার ৮১৫ জন। ব্যবসা শিক্ষায় পরীক্ষা দিয়েছে ৩৪ হাজার ৫২ জন, পাস করেছে ২২ হাজার ২৫৫ জন। 

বরিশাল বোর্ড : মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালে এবার পরীক্ষার্থী ছিল ৬০ হাজার ৪৮৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৩১ হাজার ৩৩৯ জন এবং ছাত্রী ২৯ হাজার ১৪৭ জন। পাস করেছে ৪২ হাজার ৫০৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২১ হাজার ১১১ জন এবং ছাত্রী ২১ হাজার ৩৯৬ জন। পাসের হার শতকরা ৭০ দশমিক ২৮ শতাংশ, যা গতবার ছিল শতকরা ৭০ দশমিক ১৩ ভাগ। 

বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ১১ হাজার ১৭১ জন, পাস করেছে ৯ হাজার ১৩৯ জন। মানবিক বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ৩১ হাজার ৫৬০ জন, পাস করেছে ২০ হাজার ১১৩ জন। ব্যবসা শিক্ষায় পরীক্ষা দিয়েছে ১৭ হাজার ৭৫৫ জন, পাস করেছে ১৩ হাজার ২৫৫ জন। 

সিলেট বোর্ড : মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেটে এবার পরীক্ষার্থী ছিল ৬৫ হাজার জন। এর মধ্যে ছাত্র ২৯ হাজার ৮৭৮ জন এবং ছাত্রী ৩৫ হাজার ১২২ জন। পাস করেছে ৪৬ হাজার ৭৯৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ২১ হাজার ৩০ জন এবং ছাত্রী ২৫ হাজার ৭৬৭ জন। পাসের হার বেড়ে হয়েছে ৭২ শতাংশ, যা গতবার ছিল ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ। 

বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ১০ হাজার ৪৭৮ জন, পাস করেছে ৮ হাজার ৭৪৬ জন। মানবিক বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ৪৩ হাজার ২৮৪ জন, পাস করেছে ২৯ হাজার ৩৫৬ জন। ব্যবসা শিক্ষায় পরীক্ষা দিয়েছে ১১ হাজার ২৩৮ জন, পাস করেছে ৮ হাজার ৬৯৫ জন। 

দিনাজপুর বোর্ড : মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর এবার পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৪০০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৫৫ হাজার ৭২৭জন এবং ছাত্রী ৪৯ হাজার ৬৭৩ জন। পাস করেছে ৬৮ হাজার ৯৭২ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৩৫ হাজার ২ জন এবং ছাত্রী ৩৩ হাজার ৯৭০ জন। পাসের হার শতকরা শতকরা ৬৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ, যা গতবার ছিল ৭০ দশমিক ৬৪ শতাংশ। 

বিজ্ঞান বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ২৬ হাজার ৫১৭ জন, পাস করেছে ২০ হাজার ৫৩৬ জন। মানবিক বিভাগে পরীক্ষা দিয়েছে ৬৩ হাজার ১১৭ জন, পাস করেছে ৩৮ হাজার ১৫ জন। ব্যবসা শিক্ষায় পরীক্ষা দিয়েছে ১৫ হাজার ৭৬৬ জন, পাস করেছে ১০ হাজার ৪২১ জন। 

কমেছে জিপিএ-৫ : এবার ১০ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৭ হাজার ৯৬৯ জন, যা গতবার ছিল ৫৮ হাজার ২৭৬ জন। ২০১৫ সালে এ সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ৮৯৪ জন, ২০১৪ সালে ৭০ হাজার ৬০২ জন, ২০১৩ সালে ৫৮ হাজার ১৯৭ জন, ২০১২ সালে ৬১ হাজার ১৬২ জন এবং ২০১১ সালে ছিল ৩৯ হাজার ৭৬৯ জন। 

এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৫৩৫ জন এবং ছাত্রী ১৭ হাজার ৪৩৪ জন। ঢাকা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ হাজার ৯৩০ জন, রাজশাহী বোর্ডে ৫ হাজার ২৯৪ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৭৮ জন, যশোর বোর্ডে ২ হাজার ৪৪৭ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ১ হাজার ৩৯১ জন, বরিশাল বোর্ডে ৮১৫ জন, সিলেট বোর্ডে ৭০০ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ২ হাজার ৯৮৭ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ১ হাজার ৮১৫ জন, কারিগরি বোর্ডে ২ হাজার ৬৬৯ জন এবং ঢাকা বোর্ডের অধীনে ডিআইবিএস এ ২৪৩জন। 

ফল পুননিরীক্ষার আবেদন করা যাবে যেভাবে : ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা তাদের ফল পুননিরীক্ষার করতে পারবেন। টেলিটক মোবাইল থেকে ২৪ থেকে ৩০ জুলাই ফল পুননিরীক্ষণের জন্য আবেদন করা যাবে। 

ফল পুননিরীক্ষণের আবেদন করতে জঝঈ লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন বর্ণ লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে, তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর-চওঘ ) দেয়া হবে। 

আবেদনে সম্মত থাকলে ‘জঝঈ’ লিখে স্পেস দিয়ে ‘ণঊঝ’ লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য দেড়শ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে। একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে। এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ (,) দিয়ে লিখতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ