ঢাকা, সোমবার 24 July 2017, ৯ শ্রাবণ ১৪২8, ২৯ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মাটিরাঙ্গা মহিলা মাদ্রাসাটি স্বার্থান্বেষী মহলের রোষানলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা

আব্দুল্লাহ আল মামুন, খাগড়াছড়ি থেকে: খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার পলাশপুর মিফতাহুল জান্নাহ মহিলা মাদ্রাসা ও এতিমখানাটি ঠুনকো অযুহাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। ২০১০ সালে ৯১ শতক জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন হতে সু-নামের সহিত পরিচালিত হয়ে আসছে। ফলে এটি এখন এলাকার কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল বিশেষের চক্ষু-শুলের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।
সম্প্রতি একটি অন লাইন পত্রিকায় আবাসিক শিক্ষার্থীদের খাবারসহ অন্যান্য সব কিছু ঠিক মতো দেয়া হয় না, ১১ জন শিক্ষকের মধ্যে অধিকাংশই পরিচালকের নিকট আত্মীয়, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী থেকে প্রাপ্ত ফি’র টাকা বেহাত করা ও ৭ বৎসরের এক ছাত্রী ক্বারী আব্দুল খালেক কর্তৃক নিপীড়নের শিকার বলে প্রকাশ করায় এলাকাবাসী হতবাক হয়েছে।
এ ব্যাপারে গত ১৩ জুলাই  এলাকার মহসিন পিসি’র অভিযোগে ছাত্রীদের অভিভাবক ও স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর মোস্তফা ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি দেলু মিয়া ও পরিচালক মো: আব্দুল হাইসহ স্থানীয়রা সালিশ শেষে অভিযুক্ত শিক্ষককে মাটিরাঙ্গা থানায় সোপর্দ করলে পুলিশ অভিযোগ মূলে কোন প্রমাণ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয় বলে জানান অভিভাবক ও সালিশে উপস্থিতরা।
সরেজমিনে এলাকায় পরিদর্শনে গেলে মাদ্রাসা কমিটির সদস্য, অভিভাবক জমি দাতা মৃত আব্দুর রব এর ছেলে মোস্তফা হুজুর, দেলু মিয়া, আলাউদ্দিন লিডার, আবু তালেব, আইয়ুব আলী, খবীর শিকদার, বাদল, আমজাদ হাওলাদার, শহীদ মিয়া, বাবুল মিয়া, মোস্তফা কাউন্সিলরসহ আরো অনেকে জানান, গত রমজানে মাদ্রাসায় এয়াতিম শিক্ষার্থীদের জন্যা দান করা ইফতার সামগ্রী এলাকাবাসীর মধ্যেও বিতরণ করার জন্য মহসিন পিসি মাদ্রাসার শিক্ষকদের চাপ দিতে থাকে, তাছাড়া একটি সংস্থা হতে মাদ্রাসায় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু পোষাক বরাদ্দ দিলে মহসিন পিসি’র মেয়েসহ আরো অনেক মেয়ে ওই সময় মাদ্রাসায় উপস্থিত না থাকায় দানের পোষাক থেকে বঞ্চিত থাকে। এ নিয়ে সে ক্ষোভ প্রকাশ করে পরিচালককে দোকান পাটে অসম্মান করে ও তখন থেকে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যূ তালাশ করতে থাকে।
মাদ্রাসার সভাপতি দেলু মিয়া জানান, আর্থিক সংকট থাকায় স্বল্প বেতনে এলাকার বাহির থেকে আগত শিক্ষক বেশিদিন অবস্থান না করায় পরিচালক অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে তার আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে যোগ্য শিক্ষক দিয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা করছেন তাতে কারো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তিনি আরো জানান, প্রতি মাসের আয়-ব্যয় হিসাব কমিটির মাধ্যমে সংরক্ষিত রয়েছে। এতে কারো অর্থ আত্মসাতের সুযোগ নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ