ঢাকা, মঙ্গলবার 25 July 2017, ১০ শ্রাবণ ১৪২8, ৩০ শাওয়াল ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

শিমুলিয়া লঞ্চঘাটে অবৈধ দোকান বসিয়ে ব্যবসা ॥ দেখার কেউ নেই

এম. তরিকুলইসলাম লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতা : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রবেশদ্বার বলে খ্যাত   লৌহজংয়ের শিমুলিয়া লঞ্চ ঘাটের পল্টুনগুলোতে যাএীদের বসারমত কোন স্থান নেই সবই পল্টুন লস্কর ও হকারদের দখলে। সরেজমিনে শিমুলিয়া লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায় শিমুলিয়া লঞ্চঘাটে বি.আই.ডব্লিউটি.এ কতৃপক্ষ তিনটি  পল্টুন দিয়েছেন এসব পল্টুনের সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করে যাএীরা নিরাপদে নিরবিগ্নে লঞ্চ পারাপার হবে । এসব  পল্টুনে রয়েছে যাত্রীদের জন্য বসার নিরাপদ স্থান,তিনটি টয়লেটসহ অনান্য সুযোগ সুবিধা কিন্তু এসব কোন সুযোগ সুবিধাই এ রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা উপভোগ করতে পারেনা বি.আই.ডব্লিউটি.এর পল্টুন লস্কর  মো:আব্দুল হালিমের কারণে। তিনি নেজেই পল্টুনে বড় আকারের হালিম স্টোর নামের একটি দোকান সাজিয়ে বসে রয়েছেন পল্টুন জুরেই তার দোকানের মালামাল এসবের মধ্যে রয়েছে পানীয়জাতীয় খাদ্য,মিনারেল ওয়াটারসহ নানা জাতীয়পানীওর বক্স। এ সম্পর্কে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক লঞ্চ মালিক জানান সুধোকী পল্টুরে উপরে এসব বাহারী মালামাল দেখেই অবাক হলেন পল্টুনের ভিতরের খোন্দলেও তার দোকানের মালামাল দিয়ে ভরা। আর যেসব খোন্দল খালি তাও হকারদের কাছে ভাড়া দেওয়া হয়েছে মালামাল রাখার জন্য । তবুও কেহ কিছু বলছেনা তাকে কারণ পল্টুনিই নাকি তার তিনিই পল্টুন লস্কর । সরেজমিনে পল্টুন তিনটি ঘুরে একটিতে দেখা যায় পল্টুনে যাএীদের বসার স্থনের একটিতে প্রায় ১০ থেকে ১৫জন ক্যনভাসার বা হকার বসা,অন্যটিতে টি.আই.এর অফিস,পরিবহন পল্টুনটি লঞ্চ মালিক সমিতির লোকজনদের । পল্টুনের টয়লেটগুলো তালা মারা রয়েছে যা কিনা যাএীরা ব্যবহার করতে পারেনা পল্টুনের লস্কর তালা মেরে রেখেছে । এ সময়ে কথা হয় ফরিদপুরগামী যাত্রী আলী হোসেনের সাথে, তিনি বলেন বৃষ্টিতে পল্টুনে হকারদের কারণে কোথাও বসার যায়গা পেলামনা ,টয়লেটে যাব টয়লেট সরকার আমাদের জন্য বানিয়েছে তাও যেতে পারলামনা চাবি লষ্করের কাছে বৃষ্টিতে ভিজে চাবি চাইলাম বললো লঞ্চে যাও । অপরদিকে দেখা যায় পুরো পল্টুনেই হকারদের দখলে । এসব হকার থেকে প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ টাকা করে আদায় করছে অন্য এক পল্টুন লস্কর । এসব ব্যপারে শিমুলিয়া ঘাটের বি,আ,ডব্লিউটি,এর উপ-পরিচালক এস,এম,আজগর আলীর সাথে কথা হলে তিনি বলেন তিনি পল্টুন লস্কর বলে তাকে কিছু বলিনা ব্যবসা করে খাচ্ছে খাক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ