ঢাকা, শুক্রবার 21 September 2018, ৬ আশ্বিন ১৪২৫, ১০ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

বর্ষাতেই সৌন্দর্য আর শুভ্রতা নিয়ে হাজির 'পদ্ম ফুল'

অনলাইন ডেস্ক: শরতের ফুল হলেও গাইবান্ধায় বর্ষাতেই তার সৌন্দর্য ও শুভ্রতার প্রতীক নিয়ে হাজির হয় 'পদ্ম'। প্রকৃতিতে নিজের রূপ বৈচিত্র্য অকাতরে বিলিয়ে দিচ্ছে জলাভূমি ও বিলেঝিলে ফুটে থাকা এ জলজ ফুলের রাণী। পদ্ম ফুলের উপস্থিতিতে যেন প্রাণ ফিরেছে গ্রামের শিশুদের উচ্ছল মাখা শৈশবে।

জলের উপর বিছানো সবুজ পাতা ভেদ করে হেসে ওঠে লাল-সাদা একেকটি পদ্ম। জলাভূমি ও বিলেঝিলে ফুটে থাকা পদ্মফুল যে কোন মানুষের মনে জাগিয়ে তোলে অন্যরকম এক অনুভূতি। ভাসমান একেকটি পদ্মের রূপশোভা অভিভূত করে যে কোন বয়সকে। ছবির মতো সাজানো, হৃদয়কাড়া দৃশ্য আটকে রাখতে পারে না দুরন্ত শৈশবকে।

বিলে-ঝিলে সবুজ প্রান্তর আর পদ্ম ফুলের সৌরভ বিমোহিত করে। এখানে এলে বাতাসেও ছুঁয়ে যায় ফুলের ঘ্রাণ। নয়নাভিরাম এমন দৃশ্য গ্রামীণ জীবনে ডেকে আনে একটু প্রশান্তি আর কারো কারো জীবনে পদ্ম নিয়ে জড়িয়ে আছে কতই না স্মৃতি।

কেবল পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে নয়, ভেষজ গুণ সমৃদ্ধ এই পদ্ম সংরক্ষণের প্রতি গুরুত্বারোপ করলেন গাইবান্ধা সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান জীবন কুমার সাহা।

তিনি বলেন, 'এর যে কান্ডটি আছে সেটাকে যদি আমরা এনে পুকুরে লাগাই তাহলে এখান থেকে প্রচুর উৎপাদন করা সম্ভব।'

লালপদ্ম বা রক্তপদ্ম, শ্বেতপদ্ম কিংবা নীল পদ্ম চোখে পড়ে প্রকৃতির রূপ বৈচিত্র্য বদলের সঙ্গে সঙ্গে। গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার যাদুরতাইড় ও ঝাড়াবর্ষা বিলে এখন দেখা মিলছে রক্তপদ্ম ও শ্বেতপদ্ম।

পানি না থাকায় দিনের পর দিন জৌলুস হারিয়ে ফেলছে গ্রামগঞ্জের বিলঝিল গুলো। তাইতো আগের মতো আর পদ্ম কিংবা শাপলার সৌন্দর্য চোখে পড়ে না। মাঝেমধ্যে পদ্ম কাটার সাথে যুদ্ধ করে পদ্মফুল সংগ্রহের এমন চিত্র সত্যিই মুগ্ধ করে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ