ঢাকা, শুক্রবার 28 July 2017, ১৩ শ্রাবণ ১৪২8, ৩ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

প্রধান বিচারপতির হাতে বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির খসড়া 

স্টাফ রিপোর্টার : অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালার খসড়া প্রধান বিচারপতির কাছে হস্তান্তর করেছেন আইনমন্ত্রী এডভোকেট আনিসুল হক। প্রধান বিচারপতি দেখার পর নিয়ম অনুযায়ী তা রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে। এরপর জারি করা হবে বিধিমালার গেজেট।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টে বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার কাছে বিধিমালার খসড়া হস্তান্তর করেন। বৈঠকের পর আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, আমি বিধিমালার খসড়া প্রধান বিচারপতির কাছে হস্তান্তর করেছি। এটি এখন তিনি দেখবেন। পরে তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হবে। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর এটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

বিকেল সাড়ে তিনটা থেকে চারটা পর্যন্ত তিনি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক করেন। এর আগে গত ২০ জুলাই বৃহস্পতিবারও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক করেছেন আইনমন্ত্রী। ওই বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, অধস্তন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশের খুব কাছাকাছি চলে এসেছে সরকার। 

নিম্ন আদালতের এই বিধিমালার গেজেট প্রকাশে সরকারকে ২২ বার সময় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। গত রোববার বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রকাশে আরও এক সপ্তাহ সময় দেয়া হয় সরকারকে। সরকার পক্ষে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম দুই সপ্তাহ সময় চাইলে এক সপ্তাহ সময় দেন আপিল বিভাগ।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেন। এই রায়ের নির্দেশনা মোতাবেক ২০০৭ সালের ১ নবেম্বর বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের সূচনা হয়েছিল। রায়ের আলোকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল। আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর ২০১৫ সালের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় বিধিমালার একটি খসড়া তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়। কিন্তু তা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ একটি কমিটি গঠন করে আলাদা একটি শৃঙ্খলাবিধি তৈরি করেন। এই খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এই বিধিমালা গেজেট আকারে জারি করে তা দাখিল করতে গত বছরের ২৮ আগস্ট আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিলেন আপিল বিভাগ। এরপর সরকার কয়েক দফা সময় নিয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ