ঢাকা, শনিবার 29 July 2017, ১৪ শ্রাবণ ১৪২8, ৪ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

যোগ্যতা সম্পন্ন নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর -শিবির সভাপতি

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত বলেন, একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ জাতির বহু প্রত্যাশিত। আর আমাদের লক্ষ্যও অভিন্ন। ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে নৈতিকতা ও যোগ্যতাসম্পন্ন নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর।
গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম বুলবুল, আতিকুর রহমান এবং সেক্রেটারি জেনারেল মোবারক হোসাইন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আতিকুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শিবির সভাপতি বলেন, দেশের ছাত্রসমাজকে পরিকল্পিতভাবে বিপথগামী করা হচ্ছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আর শুধু পড়াশোনার ক্ষেত্র নয় বরং বিভিন্ন অপকর্মের চারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। তরুণ ছাত্রদের অনেকেই জড়িয়ে পড়ছে বিভিন্ন অপরাধের সাথে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় শিক্ষার মাধ্যমে আলোকিত মানুষ গড়ার সেই সুমহান উদ্দেশ্য আজ অনেকাংশেই ব্যর্থ। অপরদিকে একটি চক্র যুব সমাজকে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে। ছাত্র ও যুবসমাজকে ইসলামবিমুখ করতে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চলছে মাদক আর ভিনদেশি নোংরা সংস্কৃতির সয়লাব। যার ফলে যুবসমাজের একটি বিশাল অংশ আজ চরিত্রহীনতার বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে পরেছে। কিন্তু, ছাত্রশিবির ঘুণেধরা এই সমাজ ব্যবস্থার পরিবর্তে ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আর এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে শিবির পরবর্তী প্রজন্মকে ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে গড়ে তোলতে চায়। কারণ শুধুমাত্র ইসলামী মূল্যবোধই পারে দেশ গড়ার কারিগর তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে।
তিনি বলেন, ছাত্রশিবির ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি আদর্শ সমাজে গড়তে সুদীর্ঘ ৪০ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এসব অপকর্ম ও ইসলামবিরোধী ষড়যন্ত্রের শুধু বিরোধীতা করলে হবে না, বরং যার যার অবস্থান থেকে বিরোধীতার সাথে সাথে বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আগামী প্রজন্মকে যোগ্য ও নৈতিকতাসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে আমরা বদ্ধপরিকর। তাই ষড়যন্ত্রের হাত থেকে ছাত্রসমাজকে রক্ষায় প্রতিটি গ্রামে-গঞ্জে, পাড়া-মহল্লায় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কুরআনের দাওয়াত ও সংগঠনের প্রসার ঘটাতে হবে। প্রতিটি ছাত্রের কাছে ইসলামের সুমহান আদর্শ তুলে ধরতে হবে। আর এজন্য সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো চারিত্রিক মাধুর্যতা দিয়ে ছাত্রসমাজকে কুরআনের পথে আহবান করা। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ