ঢাকা, রোববার 30 July 2017, ১৫ শ্রাবণ ১৪২8, ৫ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ফিলিস্তিনীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে তুরস্কে আনন্দ মিছিল

২৯ জুলাই, আনাদোলু এজেন্সি : আল-আকসা মসজিদে ইসরাইলী নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনী সংগ্রামের প্রতি সমর্থন জানিয়ে গত শুক্রবার ইস্তাম্বুলে এক আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়।
ইস্তাম্বুল জেলার সারচান পার্কে সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশটি কয়েকটি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনগুলো হচ্ছে দ্যা কনফেডারেশন অফ পাবলিক সারভেন্টস ট্রেড ইউনিয়ন, ইয়ং মুভমেন্ট, ফাউন্ডেশন ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ফ্রীডমস অ্যান্ড হিউম্যানিটিরিয়াল রিলিফ (আইএইচএইচ), আনাদোলু স্টুডেন্টস ইউনিয়ন এবং টার্কি ইয়ুথ ফাউন্ডেশন।
আনাদোলু স্টুডেন্টস ইউনিয়নের নেতা রমজান কায়ান সমাবেশে তার বক্তব্যে বলেন, ‘আল-কুদ্স তুরস্কের গৌরব ও সম্মানের উৎস এবং তুরস্কের জনগণ ফিলিস্তিনী জনগণের দুঃখ ও ব্যথা অনুভব করে’।
উল্লেখ্য, মারাত্মক গোলাগুলির ঘটনায় গত ১৪ জুলাই ইসরাইলী কর্তৃপক্ষ আল-আকসা মসজিদটি বন্ধ করে দিলে পশ্চিম তীরজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
দুইদিন পর আল-আকসা মসজিদটি পুনরায় খোলা হয় কিন্তু মসজিদের দরজায় ইসরাইলী বাহিনী মেটাল ডিটেক্টর এবং ক্যামেরা ব্যবহারসহ নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মুসলিমরা প্রতিবাদ বিক্ষোভ করে আসছে এবং মসজিদের বাইরে নামাজ আদায় করছে।
ইতোমধ্যে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরাইলী হামলায় কয়েকজন ফিলিস্তিনী নিহত এবং অনেকে মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন।
প্রথমে ইসরাইল ডিটেক্টরগুলো অপসারণ করতে অস্বীকার করে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলো বিশ্বজুড়ে অন্যান্য পবিত্র স্থানে পরিচালিত পদ্ধতির অনুরূপ দাবি করে।
পরে আন্তর্জাতিক সমালোচনা ও চাপের মুখে ইসরাইলের নিরাপত্তা পরিষদ সোমবার রাতে মেটাল ডিটেক্টর অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়।
জেরুজালেম মুসলিম, ইহুদী ও খ্রিস্টানদের জন্য পবিত্র এবং আল-আকসা মসজিদটি মক্কা ও মদিনা শহরের পর ইসলামী বিশ্বের তৃতীয় মহাপবিত্র স্থান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ