ঢাকা, মঙ্গলবার 01 August 2017, ১৭ শ্রাবণ ১৪২8, ৭ জিলক্বদ ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

আ’লীগ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলেও ভারতে পালানোর ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ ছিল -নজরুল

গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার দল আয়োজিত ‘বিএনপির সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচি এবং সাইবার দলের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগ উপযুক্ত সময়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলেও ভারতে পালানোর ব্যাপারে সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন,  আওয়ামী লীগ হচ্ছে এমন একটি যন্ত্র যার এক পাশ দিয়ে রাজাকার প্রবেশ করে, অন্যপাশ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে  বের হয়।
গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। জাতীয়তাবাদী সাইবার দল এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, আওয়ামী লীগ উপযুক্ত সময়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলেও ভারতে পালানোর ব্যাপারে সবাই ছিল ঐক্যবদ্ধ। এখন তারাই আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা  ফেরি করে বেড়াচ্ছে। গণতন্ত্রকে জবাই করে বার বার গণতন্ত্রের চেতনার কথা বলে যাচ্ছে।
জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির রাজনৈতিক ঐক্য নিয়ে এক মন্তব্য করতে গিয়ে বিএনপির এই নীতি নির্ধারক বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের আমলে জামায়াতে ইসলামী দেশে রাজনীতির কোনও সুযোগ পায়নি। তিনি বলেন, জামায়াত রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয় ১৯৮৬ সালে। সে নির্বাচনে জামায়াত ছাড়াও স্বৈরশাসক এরশাদ, আওয়ামী লীগ অংশ নেয়। কিন্তু বিএনপি সেই নির্বাচনে অংশ নেয়নি।
নজরুল ইসলাম খান বলেন,জিয়াউর রহমান জোর করে বীর উত্তম খেতাব পাননি। স্বাধীনতা পরবর্তী শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার তাকে এই বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ কাজগুলো আওয়ামী লীগ করেছে।
খান বলেন, আওয়ামী লীগ হচ্ছে এমন একটি যন্ত্র যার এক পাশ দিয়ে রাজাকার প্রবেশ করে, অন্যপাশ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে বের হয়।
আলোচনায় অংশ নিয়ে দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিবুন নবী খান সোহেল বলেন, ভোটারবিহীন স্বৈরসরকার বাংলাদেশকে শোষণ করছে। ইতিহাসে সারাবিশ্বে অনেক স্বৈরশাসক রয়েছেন। যারা বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারকে দেখে লজ্জা পেতেন। আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের জন্য সভা-সমাবেশ করতে পারি না। মিছিল করতে পারি না। আর এখন ইনডোর প্রোগ্রামও করতে পারছি না। একটি রাজনৈতিক দলের সব থেকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচি পালনেও বাধার সম্মুখীন হচ্ছি।
সাইবার দলের সভাপতি ব্যারিস্টার পারভেজ আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় দলের কেন্দ্রীয় নেতা রাশেদা বেগম হীরা, কাদের গনি চৌধুরী, আব্দুল হান্নান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ